টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

হ্নীলায় রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা ডুবির ঘটনায় :অর্ধযুগ ধরে নেপথ্যের নায়করা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Teknaf pic (A)-22-08-2013জসিম উদ্দিন টিপু, টেকনাফ। ### টেকনাফের হ্নীলায় অবৈধ পন্থায় জাদীমুরা টু পেরাংপুরু ঘাট বিনিময়ে রোহিঙ্গা পারাপার করতে গিয়ে নাফ নদীতে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা ডুবির পরও অর্ধযুগ ধরে এ অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যের নায়করা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়, এসব অবৈধ আদম ঘাট বিনিময়ে দীর্ঘকাল ধরে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। রোহিঙ্গা নাগরিক ইয়াবার গডফাদার নুর মোহাম্মদ এপার-ওপারের মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। স্থানীয় মুরব্বীরা বলেন, আদম ঘাট বিনিময় করতে হলে রোহিঙ্গা নাগরিক হতে হয়। পরিচিত লোক তথা আগের বর্মী না হলে এ ঘাট ব্যাবসা সফলতার মুখ দেখেনা। তাই নুর মোহাম্মদ ও আব্দুল আমিনকেই আদম পাচারে ভাল মানায়। এদের নেতৃত্বে ঘাট পারাপারে রয়েছে জাদীমুরায় বসবাসকারী কতিপয় চিহ্নিত রোহিঙ্গা নাগরিক। যারা দীর্ঘ অর্ধযুগ ধরে ঘাট পারাপারের নামে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মালয়েশিয়ায় আদাম পাচার, ইয়াবা, বিভিন্ন প্রকার মাদক, অবৈধ পণ্য, আনায়নে সহায়তা করে থাকে। বিনিময়ে তারা এদেশ থেকে বিভিন্ন প্রকার তথ্য, সার, জ্বালানী তেল, যান্ত্রাদির পার্টস, মেডিসিন সহ নানান প্রকার মালামাল পাচার করে। গত  সপ্তাহে নাফনদীতে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা ডুবির ঘটনার পর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নানান ধরণের মিশ্র সংবাদ চাপাতে থাকে। চলতে থাকে সংবাদে টাকার খেলা। আর এসব অবৈধ বসবাসকারী রোহিঙ্গারা টাকার বিনিময়ে পারে ধরাকে সরা জ্ঞান করতে। বর্তমানে ঘটনাটি টাকার বিনিময়ে ম্যিথাকে সত্যে রুপ দিয়ে আসল জিনিস আড়াল হয়ে যাচ্ছে। তবে স্থানীয়রা মনে করছে যতই সংবাদ পরিবেশন হউক না কেন এ অবৈধ ব্যবসা যাদের নেতৃত্বে চলে আসছে তারা কিন্তু নানান কৌশলে পার পেতে শুরু করেছে। জাদীমুরার বার্মায়া নুর মোহাম্মদের উপজেলার বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠায় সে এখন দিনকে রাত রাতকে দিন ভাবতে শুরু করেছে। প্রশাসন ও স্থানীয় প্রভাবশালীর চত্রছায়ায় অবৈধভাবে বসবাসকারী রোহিঙ্গা নাগরিকরা এলাকার সর্বসাধারণকে জিম্মি করে রেখেছে। আদম ব্যবসায় একটি সিন্ডিকেট নিজেদের একক আধিপত্যের জন্য প্রতিবছর কোন কোন ভাবে সাধারণ মানুষকে দূর্ঘটনায় পড়তে হয়। চোরাই পথে মিয়ানমার  যাওয়া আসাতে পুরো জেলার আইন শৃংঙলার চরম অবনতি ঘটেছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা  মনে করেন। এক শ্রেনীর দুর্নীতি প্রকৃতির প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়াতে দূর ভবিষ্যতে স্থানীয়দের মারাত্মক ক্ষতির মাশুল গুনতে হবে। জাদীমুরা এলাকার গোলাম বাছেরের পুত্র আব্দুল আমিন ও তার ভাই নুর হাশিম প্রকাশ গুন্ডাইয়্যা, মৃত আজিজুর রহমান প্রকাশ লাল বুইজ্যার পুত্র মো: ছৈয়দ, কালা মিয়ার পুত্র বার্মাইয়্যা নুর মোহাম্মদ, সোনালীর পুত্র নুর কবির, গোলাম নবীর পুত্র প্রকাশ দইল্যা, মোশতাকের পুত্র জাফর আলম ও বদি আলম, মৃত রশিদ আহমদের পুত্র মোশতাক আহমদ, মো: হাশেমের পুত্র সেলিম, দিল মোহাম্মদের পুত্র মো: হোছন, কালা চাঁন্দের পুত্র হাবিবুল্লাহ, বার্মাইয়্যা মো: তৈয়ব, মো: হোছন, মায়াক্কা ও শব্বির আহমদের নেতৃত্বে বিশাল সিন্ডিকেট দীর্ঘকাল ধরে মিয়ানমারের আদম ব্যবাসায়ীদের সাথে হাত করে মিয়ানমার ও মালয়েশিয়ায় আদম পাচার অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয় কতিপয় শ্রেনীর লোককে ম্যানেজ করে বছরের পর বছর এ অপকর্ম বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় দিবারাত্রী মিয়ানমারে অবৈধপন্থায় মানব পাচার করে থাকে। উপজেলার এমন কোন শ্রেনীর মানুষ নাই যে এ সিন্ডিকেটের ব্যাপারে জানেন না। টেকনাফের টপ টু বটম আদম পাচারকারী চক্রের মূল হোতা আব্দুল আমিন ও নুর মোহাম্মদের ব্যাপারে জ্ঞান রাখেন। অর্ধযুগ ধরে বার্মার পেরাংপুরুর আব্বাস ও আবুল আলমের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এ আদম পাচার রোড় এখনো বহাল তবিয়তে। তাদের সিন্ডিকেটের কিছু সদস্য পৃথক হয়ে আদম পাচারের নতুন রোড় চালুর উদ্যোগ নিলে ঘাট পারাপারের অপকর্মের কথা-ইতিকথা বের হতে থাকে। একে অপরের কাঁদা ছোড়াছুেিড়তে বের হয়ে আসছে ভেতরের অনেক কিছু। গত সপ্তাহে অতিরিক্ত রোহিঙ্গা আদম নিয়ে নাফনদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় ৩ জন লোকের মৃত্যু হয়। নাফনদী থেকে লাশ উদ্ধারকালীন ঈদগাহে বেড়াতে যাওয়া নিখোঁজ পারভীনের আত্মীয় মো: ইসমাঈল ও মুহাম্মদুল্লাহ স্থানীয় উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে নুর মোহাম্মদের সাথে চুক্তি করে তার নেতৃত্বাধীন জাদীমুরা টু পেরাংপুরু ঘাট দিয়ে যাচ্ছিল বলে জানায়। অথচ ঘটনার ৩/৪ দিন পর “উদর পিন্ডি বদুর ঘাড়ে” চালিয়ে দিতে নুর মোহাম্মদ মোটা অংকের মিশনে নেমেছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্র নিশ্চিত করেছে। এক বার্মায়া মহিলাকে দিয়ে স্থানীয় লোকদেরকে হয়রানী করার অপতৎপরতা শুরু করেছে বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানাগেছে। স্থানীয় জনসাধারণ জরুরী ভিত্তিতে বার্মায়া নুর মোহাম্মদের নেতৃত্বে এসব অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করতে সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। #########

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT