হোয়াইক্যংয়ে রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করে স্ত্রীর উপর নিযার্তন

প্রকাশ: ২৪ জুন, ২০১৯ ৪:৫২ : অপরাহ্ণ

মাহফুজুর রহমান মাসুম, টেকনাফ::
টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রইক্ষ্যং গ্রামের গৃহবধু ফাতেমা খাতুন (৩৫) উপর নিজ স্বামী ও তার কথিত নয়া বিয়ে করা রোহিঙ্গা নারী কর্তৃক নিযার্তনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ওই রোহিঙ্গা নারী নিয়ে চরম আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, ভুক্তভোগি ফাতেমার স্বামী আব্দুর রহমান (৪০) রোহিঙ্গা শরনার্থী আসার পর এক রোহিঙ্গা মেয়েকে বিয়ে করে। এরপর থেকে ফাতেমার সংসারে চলে আসে চরম দুঃখ আর অশান্তি। পাশিপাশি তার উপর শুরু হয় ভয়াবহ নির্যাতন। ক্ষতিগ্রস্থ ফাতেমা বর্তমানে ৬ সন্তানের জননী। তার মধ্যেই দুইটি মেয়ের বিবাহ দেয়া হয়। তার স্বামী আব্দুর রহমান স্থানীয় মৃত গুরা মিয়ার পুত্র বলে জানাগেছে। স্থানীয়রা আরও জানায়, ফাতেমার স্বামী আব্দুর রহমান তার সংসারের ভরণ পোষণ ও খোঁজ-খবর না নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দূরে তার কাছ থেকে ছিলো। নিজ সংসার থেকে দীর্ঘ দেড় বছর পৃথক থাকার পর স্বামী আব্দুর রহমান উল্টো ফাতেমার কষ্টের আয় থেকে ভাগ নেয়ার জন্য প্রতিদিন বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন ধরণের মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় ফাতেমার কাছে থাকা গরু ছাগল, সবজি বাগানসহ তার কষ্টের ফসল ও জমি জায়গা দখলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে। আবদুর রহমানের সাথে রয়েছে জিয়াউর রহমান, আমির হোসেনসহ আরো অজ্ঞাত কিছু লোকজন। হতভাগি ফাতেমার সংসার একদিকে অভাব-অনটন অন্যদিকে স্বামীর নিযার্তন। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ফাতেমা খাতুন জানান, আমার স্বামী আবদুর রহমান এক রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করে আমার উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বাড়িতে বসবাস না করে মাঝেমাঝে বাড়ি এসে আমাকে নির্যাতন করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ফাতেমা খাতুন আরও জানান ,গত ১৬ জুন দুপুর ১টা দিকে আমার সবজি বাগানে এসে আমাকে বেদড়ক মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি এ ঘটনায় আমাকে প্রতিনিয়ত অপহরণের হুমকি দিয়ে আসছে জিয়াউর রহমান। সে বলে তোর স্বামীকে তোর কাছে কোনদিন আসতে দেবো না । আমি এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।


সর্বশেষ সংবাদ