হোয়াইক্যংয়ে  কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মতবিনিময় সভায় : নূরুল হুদা

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:১৮ : অপরাহ্ণ

ফরহাদ আমিন,টেকনাফ:
টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যংয়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে সার্বিক পরিস্থিতি ও মাদক, বাল্যবিবাহ,ইভটিজিং সকল অপারাধে বিষয় নিয়ে ১৪সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে হোয়াইক্যং বাজার সংলগ্ন প্রিতম প্লাজা কমিউনিটি সেন্টারে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির চৌধুরীর সঞ্চালনায় হারুন রশিদ সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুরুল হুদা।
সভায় বক্তব্য রাখেন,টেকনাফ পৌর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন,হোয়াইক্যং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন,আব্দুল বাসেদ মেম্বার, যুগ্ন সম্পাদক অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী,টেকনাফ মডেল থানার এস আই সাব্বিরুল ইসলাম,মো: আমির, এ এস আই ওহিদুল ইসলাম, হৃীলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, হোয়াইক্যং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের দপ্তর সম্পাদক নুরতাজুল মোস্তফা শাহিনশাহ,সদস্য আবুল জব্বার মেম্বার,আমান উল্লাহ আমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি জামাল উদ্দিন, ২ ওয়ার্ডের সভাপতি আমিনুল হক , সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ফরিদুল আলম  প্রমূখ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সাংবাদিক ফরহাদ আমিন,জাহাঙ্গীর আলম,সাইফুদ্দিন মো: মামুন, মিজবাহুল হক বাবলা,আবছার কবির আকাশ ও বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি ,সাধাণ সম্পাদক ও সদস্যরা। 
পৌর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন বক্তব্যে বলেন,টেকনাফ উপজেলায় বর্তমানে কমিউনিটি পুলিশিং যথেষ্ট শক্তিশালী। বর্তমানে আমাদের যে অগ্রযাত্রা তা অব্যাহত রাখতে হবে।টেকনাফের পরিবেশ উন্নত রাখতে হলে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এদেশের শান্তি শৃংখলা ঠিক রাখতে পুলিশের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্য উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি নুরুল হুদা বলেন,সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা টেকনাফকে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে পারি।আমি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘ ১১বৎসর ধরে কাজ করে যাচ্ছি।আমি সব সময় মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করেছি।প্রত্যেক ওর্য়াড কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নিজ নিজ এলাকায় যারা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবী রয়েছেন তাদের নাম লিখে দেন।কাউকে ভয় করার দরকার নেই।মনোবল শক্ত করে দেশ প্রেম নিয়ে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ সফল হব। কমিউনিটি পুলিশিংয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা অনেক সীমাবদ্ধতার সত্ত্বেও তারা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে।
ইদানিং মাদক সেবীর পাশাপাশি  ইভটিজিং বেড়েগেছে।এই ধরনের কর্ম কান্ড দেখলে সাথে সাথে থানা পুলিশ কে খবর দেন।পৌরসভার একটা ওর্য়াডে ১১বছরে  তিন-চার বার কমিটি অনুমোদন হয়েছে।কিন্তু ঐ ওর্য়াডে একটা কমিটি করতে পারি নাই।ভাল লোকজন না থাকায় ঐ ওর্য়াড কে মাদক রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।টেকনাফ মডেল থানার ওসি একজন চৌকস অফিসার  প্রদীপ কুমার দাস।উনি থাকতে যদি আমরা মাদক নির্মূল করতে না পারি সেইটা আমাদের দূর্ভাগ্য।মাদক নির্মূলে ওসি কমিউনিটি পুলিশিং একার পক্ষে সম্ভব হবে না।সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করি তাহলে মাদক বন্ধ হয়ে যাবে।সে আলোকে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের দায়িত্ববান ব্যক্তিদের কে  নিজ নিজ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। যারা মাদক সেবী ও খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী তাদেরকে ধরিয়ে দিতে হবে।প্রত্যেক ইউনিয়নের  সভাপতি সম্পাদক ও সদস্যদেরকে মাদক প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।


সর্বশেষ সংবাদ