টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ প্রশাসনে তিন লাখ ৮০ হাজার পদ শূন্য গোদারবিলের জামালিদা ও নাইট্যংপাড়ার ফয়েজ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার পরীমনির কান্না অথবা নিখোঁজ ইসলামি বক্তা এসএসসি-এইচএসসির পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি দেখে : শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফে পাহাড় ধ্বসে ৩৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ট্রাজেডি আজ পড়ে আছে বিলাসবহুল বাড়ি,নেই দাবিদার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লম্বাবিলে বাস—সিএনজির মুখোমুখী সংঘর্ষে রোহিঙ্গাসহ ২ জন নিহত

হেফাজতের নয়া আলটিমেটাম

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ২০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

sofiফটিকছড়ি সংবাদদাতা: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে আয়োজিত সমাবেশ থেকে হেফাজত নেতারা বলেছেন, তাদের ১৩ দফা দাবি না মানলে সচিবালয় ঘেরাও সহ দেশ অচল করে দেয়া হবে। প্রয়োজনে রাস্তায় মরতে তাদের কোন ভয় নেই। দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করতে শিগগিরই সারা দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে আন্দোলন শুরু করা হবে। সেই আন্দোলনে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না মহাজোট সরকারের মন্ত্রী, এমপিরা। সমাবেশে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আমীর আল্লামা শাহ আহম্মদ শফী সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কওমি মাদরাসায় হাত দেবেন না, স্কুল-কলেজ নিয়ে থাকেন। বৃটিশ সরকারও কওমি মাদরাসা ধ্বংস করতে চেয়েছিল। তবে, তারা পারেনি। আপনারাও পারবেন না। কওমি মাদরাসা রক্ষায় প্রয়োজনে শহীদ হবো। তিনি বলেন, কোরান-হাদিসের বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষাকেন্দ্র কওমি মাদরাসাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে সরকার সমপ্রতি ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৩’ নামে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস করার ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আমরা এই আইনটি পর্যালোচনা করে দেখেছি যে, তা বাস্তবায়িত হলে কওমি মাদরাসার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। এগুলো সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। কওমি মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা, সম্পদের সংরক্ষণ ও তার ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে সরকার গ্রাস করে ফেলবে। ফলে মাদরাসাগুলো আলিয়া মাদরাসার মতোই শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের আখলাক-চরিত্র, আমলি পরিবেশ সবকিছু ক্রমেই মুছে যাবে। এই আইন পাস হলে কোরান-হাদিসের কোন ইলম রাখেন না এমন ব্যক্তিগণও মাদরাসার নেতৃত্ব ও দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হতে পারবেন- যা দারুল উলূম দেওবন্দের উসুলের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তিনি গতকাল দলের কেন্দ্রীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। ফটিকছড়ি উপজেলার বাবুনগর মাদরাসা মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ দুই অধিবেশনের মাধ্যমে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আহম্মদ শফি বলেন, আপনারা জানেন, কিছুদিন আগে দেশের কিছু নাস্তিক-মুরতাদ কর্তৃক জঘন্যতম কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মহান আল্লাহতায়ালা, হযরত রাসুল (সা.), পবিত্র কোরান ও ইসলামের মৌলিক আকিদা-বিশ্বাসের ওপর আক্রমণ করে ব্লগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন লেখা প্রকাশ করায় এবং তা ব্যাপকভাবে সচেতন মুসলমানদের গোচরে আসার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতা ঈমানি চেতনার তাগিদে নাস্তিক-মুরতাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে নেমে আসে। তিনি আরও বলেন, শতকরা ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। আজ সেই বাংলাদেশ থেকে ইসলামকে সমূলে উৎখাতের হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে একটি প্রভাবশালী ইসলামবিদ্বেষী চক্র। বস্তুতপক্ষে তারা এ দেশ থেকে ইসলাম নির্মূলের নীলনকশা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। দীর্ঘদিন থেকেই কতিপয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া তাদের বলিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে প্রতিনিয়ত ইসলাম, মুসলমান ও আলেম-ওলামাদের হেয়প্রতিপন্ন করার হীন চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। সমাবেশে বক্তারা জানান, কওমি মাদরাসার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ধ্বংস ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কওমি মাদরাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৩, বিল সংসদে পাস করার সরকারি চেষ্টা অবিলম্বে বন্ধের দাবিতে আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুর বারোটায় সারা দেশে একযোগে স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা। আগামী ৩০শে অক্টোবরের মধ্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সকল জেলা-উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড কমিটি গঠিত হয়নি সেসব এলাকায় কমিটি গঠন করে তালিকা কেন্দ্রে পাঠাবে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহম্মদ শফির ঘোষিত ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ১৫ই নভেম্বর থেকে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগে ওলামা সুধী-সমাবেশ ও পেশাজীবী সংলাপের আয়োজন করা হবে। আগামী ১২ ও ১৩ই ডিসেম্বর চট্টগ্রামে দুই দিনব্যাপী ইসলামী মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হবে। এছাড়া, আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যেক জেলায় শানে রেসালত সম্মেলনের ব্যবস্থা করা, শহীদদের জেয়ারত ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রথম অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র নায়েবে আমীর, জামিয়া আজিজুল উলূমের মুহতামিম আল্লামা শাহ্‌ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, গত ৫ই মে ঢাকা অবরোধের পর প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় হেফাজতে ইসলামের দ্বিতীয় মহাসমাবেশ। সমাবেশে আসার পথে তৌহিদি জনতার উপর সরকারি দলের সশস্ত্র সন্ত্রাসী, সন্দেহভাজন কিছু ফোর্স ও যৌথবাহিনী দিনভর আক্রমণ চালিয়ে পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে তোলে। মাগরিবের আগেই ১৬টি তাজাপ্রাণ কেড়ে নেয়া হয়। পানি-খাদ্য ইত্যাদি কোন কিছুর গাড়ি প্রবেশ বন্ধ করে দিয়ে তৃষ্ণার্ত, ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত লক্ষ লক্ষ নবীপ্রেমিক জনতাকে পরিকল্পিতভাবে মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি করা হয়। যা ইতিহাসে একটি ন্যক্কারজনক ও নিষ্ঠুরতম বর্বরতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, আপনারা জানেন, মধ্যরাত থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দশ হাজারের অধিক সদস্য ভারি গোলাবারুদ ও প্রাণঘাতী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিরীহ, জিকিররত ও ঘুমন্ত জনতার ওপর আক্রমণ শুরু করে। যে ধরনের অভিযান কেবল কোন যুদ্ধাকবলিত দেশেই শত্রুর বিরুদ্ধে পরিচালিত হতে দেখা যায়। এই হামলায় বহুসংখ্যক আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতা শাহাদত বরণ করেন। হাজার হাজার আলেম আহত, পঙ্গু ও চিরদিনের জন্য অন্ধ হয়ে যান। বিবিসি, সিএনএন, আল-জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এর ওপর সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিভিন্ন জেলায় দায়িত্বশীল ও আলেম ওলামাদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। প্রখ্যাত আলিম, সাবেক মন্ত্রী, মুফতি ওয়াক্কাস সাহেবকে গ্রেপ্তার করে ১৫ দিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগঠনটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সম্মেলন সঞ্চালনায় ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী। ওলামা সম্মেলন থেকে হেফাজতের সিনিয়র নেতারা সরকারের কাছে নতুনভাবে আট দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ঈমান আকিদার হেফাজত, মহান আল্লাহ ও প্রিয় নবী (সা:) এর সম্মান রক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ সংরক্ষণ, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নৈতিক অবক্ষয় রোধ সর্বত্র নারীর পূর্ণ নিরাপত্তা, ন্যায্য অধিকার ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে হেফাজতে ইসলাম ঘোষিত ১৩ দাবি অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা। ৫ই মে শাপলা চত্বরে আলেম ওলামা ও নবী প্রেমিক জনতার উপর পরিচালিত অভিযানের স্বাধীন, সুষ্ঠু বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন এবং প্রকৃত ঘটনা দেশবাসীকে জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক মন্ত্রী ও হুইপ মুফতি ওয়াক্কাছ সহ গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতাকর্মীর অবিলম্বে মুক্তি দান ও সারা দেশে হাজার হাজার আলেম-ওলামার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। পশ্চিমা সংস্কৃতির আলোকে প্রণীত নারী নীতিমালা কোরান-সুন্না-তথা ইসলামবিরোধী ধারা সমূহ বাতিল করে আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আদেশের স্বার্থে সংগতিপূর্ণ নারী নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা ধ্বংস ও সরকারের অযৌক্তিক নিয়ন্ত্রণ আরোপের উদ্দেশে কওমি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস করার যাবতীয় তৎপরতা ও পদক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ঈমান আমল সংরক্ষণ ও ধর্মীয় শিক্ষা-দীক্ষার প্রাণকেন্দ্র মাদরাসায় ছাত্র কমানোর তথা কথিত আন্দোলন সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টান্তমূলক বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের অবিসংবাদিত আধ্যাত্মিক রাহবার, শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহম্মদ শফীসহ আলেম-ওলামার বিরুদ্ধে সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও মদতপুষ্ট ব্যক্তিদের লাগামহীন কটূক্তি মিথ্যাচার ও দৃষ্টান্তমূলক মন্তব্য বন্ধ করতে হবে । ১৩ দফা বাস্তবায়ন, কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচার ও কওমি মাদরাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আইন পাসের সরকারি উদ্যোগের বিষয়সহ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সারা দেশের শীর্ষ আলেমদের নিয়ে করণীয় ঠিক করতে এই সম্মেলনের ডাক দেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ আহম্মদ শফী। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় হেফাজতের বহুল আলোচিত ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর বাবুনগর মাদরাসার পরিচালক আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ। দুপুর সাড়ে ১১টায় শুরু হয়ে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশ শেষ হয় দুপুর ২টায়। এরপর মধ্যাহ্ন বিরতির পর পুনরায় শেষ অধিবেশন শুরু হয়। প্রথম অধিবেশনে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট শূরা কমিটি গঠন করা হয়। পাশাপাশি ২৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি সাফ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। একই অধিবেশনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ রাখার সিদ্ধান্ত হয় বলে একটি সূত্র জানায়। গতকাল শনিবার হেফাজতের আমীর আল্লামা আহম্মদ শফীর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার থেকে তারা ছুটে আসেন হেফাজতের মহাসচিব বাবুনগরীর বাবুনগর গ্রামে। গতকাল সম্মেলনে যোগ দিতে দুপুর ১১টা থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা ভিড় করতে থাকেন জামিয়া ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদরাসায়। ঢাকা মহানগরীর আহ্বায়ক আল্লামা মুহাম্মদ নূর হোসাইন কাসেমী, সদস্য সচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের নেতৃত্বে ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, দিনাজপুরসহ দেশের বিভাগীয় শহর থেকে ছুটে আসেন বাইরের হেফাজত কর্মীরা। বন্ধ করে দেয়া সকল ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া খুলে দেয়ার পাশাপাশি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, মানবাধিকার সংগঠন অধিকার’র আদিলুর রহমানের মুক্তি দিতে হবে। হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী পরিচালিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, নায়েবে আমীর মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা হাফেজ শামসুল আলম, মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা সাজেদুর রহমান, মাওলানা মোবারক উল্লাহ, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী, মাওলানা আব্দুল বাসেত বরকতপুরী, সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা, মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব বরিশাল, মাওলানা মোস্তাক আহমদ খুলনা, মাওলানা আব্দুস সামাদ রাজশাহী, মাওলানা লোকমান হাকিম, মাওলানা ইদরিস, মাওলানা সালাহ উদ্দীন নানুপুরী, মাওলানা হাফেজ সালামত উল্লাহ, মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, মাওলানা আনাস মাদানী, মুফতি হারুন ইজহার, মাওলানা হাবীবুল্লাহ, মাওলানা ইলিয়াস ওসমানী, মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হাসান বাবুনগরী, মুফতি রহীমুল্লাহ ফেনী, মাওলানা আনসার উদ্দীন নোয়াখালী, মাওলানা খলীলুর রহমান ফরিদপুরী, মাওলানা আব্দুল বাসেত আজাদ হবিগঞ্জ, মাওলানা ইসমাঈল নুরপুরী নরসিংদী, মুফতি আব্দুল কাদের নারায়ণগঞ্জ, ইঞ্জিনিয়ার শামসুল হক বগুড়া, মুফতি সাঈদ নূর মানিকগঞ্জ, মাওলানা ইয়াসীন হাবীব কক্সবাজার, মাওলানা আনোয়ারুল করীম চাঁদপুর প্রমুখ। হেফাজত আমীরের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আমীরের প্রেস সচিব মাওলানা মুনির আহমদ।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT