টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

হজযাত্রার শুরুতেই বিপত্তি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
হজ ফ্লাইটের জন্য নাইজেরিয়ার কাবো এয়ারলাইন্স থেকে ভাড়ায় আনা বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের ছাড়পত্র না পাওয়ায় প্রথম দিনই দুর্ভোগে পড়েছেন ১৬৩ জন হজযাত্রী।
05_Hajj+Flight_

এই কারণে শনিবার অন্য একটি উড়োজাহাজ দিয়ে শুরু হয়েছে হজ ফ্লাইট, যার ধারণ ক্ষমতা কম হওয়ায় যেতে পারেননি এই ১৬৩ জন।

দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে হজের প্রথম যে ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়। ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশে ওড়ে বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭।

এই ফ্লাইটটি চালানোর কথা ছিল ভাড়ায় আনা বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজ দিয়ে, যার যাত্রী ধারন ক্ষমতা ৫৮২।

এই সমস্যার জন্য ‘বিতর্কিত’ কাবো এয়ারলাইন্স থেকে উড়োজাহাজ ভাড়া করাকেই দায়ী করছেন বিমান কর্মকর্তারা।

কাবো থেকে ভাড়ায় আনা বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজটি দেশে পৌঁছায় শুক্রবার সন্ধ্যায়। কিন্ত সৌদি আরবের ছাড়পত্র না হওয়ায় এটি দিয়ে হজ ফ্লাইট শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বিমান কর্মকর্তারা।

২০০৯ সালে উড়োজাহাজ ভাড়া দেয়া নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে নাইজেরিয়ার কাবোকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

শনিবার হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, “যে উড়োজাহাজটি দিয়ে ফ্লাইট শুরু করার কথা ছিলো সেটি এখনো সৌদি আরবের ছাড়পত্র পায়নি। এ কারনে বিমানরে নিজস্ব বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ দিয়ে হজ ফ্লাইট শুরু করা হলো।”

কাবো থেকে কেন উড়োজাহাজ ভাড়া করা হল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ছোট খাটো কিছূ সমস্যা অতীতে হয়েছিল। আশা করি আর হবে না।”

এ বিষয়ে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেভিন স্টিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তিন বার আরএফপি করার পরেও কোনো বিমান সংস্থা সাড়া দেয়নি। এই কারণে এক রকম বাধ্য হয়েই কাবো থেকে উড়োজাহাজ ভাড়া আনা হয়েছে।”

হজ ফ্লাইটের শুরুতেই জটিলতায় দুঃখ প্রকাশ করে বিমানের প্রথম বিদেশি এমডি বলেন, “এ ধরনের সমস্যা যেন আর না হয়, সে জন্য আমরা একটির স্থলে দুটি উড়োজাহাজ স্ট্যান্ড বাই রাখব।”

এদিকে উড়োজাহাজ সমস্যার কারণে সকালে আশকোনা হজ ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়িয়েও ইমিগ্রেশন ছাড়পত্র পাননি অনেকে।

এ বিষয়ে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, “একটি উড়োজাহাজের সমস্যার কারণে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে আর সমস্যা হবে না।”

“বিগত হজগুলো অনেক ভালো হয়েছে। আশা করি এবারো কোনো সমস্যা ছাড়াই আমরা শেষ করতে পারব।”

 

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৮ হাজার ৯১১ জন হজে যাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাচ্ছেন ১ হাজার ৫৪৮ জন, বাকিরা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করবে বিমান। বাকি অর্ধেক করবে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স এবং নাস এয়ারওয়েজ।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, এ বছর হজ যাত্রী পরিবহনে মোট ফ্লাইট থাকবে ২০৯টি। এর মধ্যে ডেডিকেটেড ফ্লাইট ১৬৫ এবং সিডিউল ফ্লাইট ৪৪।

প্রি হজ ফ্লাইট হিসেবে মোট ১০৪ টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

হজ ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ১৯ অক্টোবর এবং শেষ হবে ১৮ নভেম্বর। মোট ফ্লাইট থাকবে ১০৫টি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT