টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সোয়া কোটির বেশি ‘ব্লকড’ সিম বিক্রির সুযোগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৭
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

এর একটি অংশ ২০১৪ সাল পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় বা ব্লকড; অন‌্যগুলো সঠিকভাবে পুনঃনিবন্ধন না হওয়ায় ২০০৮ সালে যে সব সিম বন্ধ করা হয়েছিল, সেগুলো।টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি পুনঃবিক্রির অনুমোদনের সঙ্গে শর্ত হিসেবে এই সব সিম অ্যাকাউন্টে অব্যবহৃত ব্যালেন্স (অর্থ) বিটিআরসি অ্যাকাউন্টে জমা দিতে বলেছে।বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, অপারেটররা এ সুবিধার আওতায় এক কোটি ৩০ লাখের বেশি ব্লকড সিম পুনরায় বিক্রি করতে পারবে।‘খুব শিগগিরই’ অপারেটররা এ সিম বিক্রির প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে বলে জানান তিনি।বিটিআরসি সচিব সরওয়ার আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সম্প্রতি কমিশন সভায় এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।“২০১৪ সাল পর্যন্ত বিটিআরসির সিম বক্স ডিটেকশন সিস্টেম এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের সেলফ রেগুলেশন প্রক্রিয়ায় বন্ধ বা নিক্রিয় সিম পুনঃবিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”‘সিম বক্স ডিটেকশন সিস্টেম’ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ‘সেলফ রেগুলেশন’ হয়ে থাকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবহৃত সিমের ক্ষেত্রে।বিটিআরসি এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২০০৮ থেকে সব অপারেটরের প্রায় ৩ কোটি সিম বিভিন্ন কারণে ব্লকড হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৭ থেকে এ পর্যন্ত অবৈধ ভিওআইপিতে ব্যবহৃত প্রায় দেড় কোটির বেশি সিম ব্লকড হয়েছে।২০১৬ সালের আগে ২০০৮ সালে সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অনিবন্ধিত বিপুল পরিমাণ সিম ব্লকড হয়েছিল বলে ওই কর্মকর্তা জানান।গত বছর বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধনের পর আবার অনেক সিম বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন বিটিআরসি সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, অপারেটরদের কোনো সিম ১৮ মাস অচল থাকলে তা আবার নতুন করে বিক্রি করা যাবে।অপারেটরদের নম্বর নিয়ে যেন সমস্যা না হয় সেজন্য এ সময় কমিয়ে ৬ মাস করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।ব্লকড সিমগুলো পুনরায় বিক্রির অনুমোদনের বিষয়টি শিগগিরই অপারেটরদের চিঠি দিয়ে জানানো হবে বলে জানান বিটিআরসি সচিব সারওয়ার।সিম অ্যাকাউন্টে অব্যবহৃত ব্যালেন্স (অর্থ) রয়েছে তার সুস্পষ্ট হিসাব এবং ডাটাবেইস সংশ্লিষ্ট অপারেটররা প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করবে এবং সমুদয় অর্থ বিটিআরসির অ্যাকাউন্টে জমা দেবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি।সেই অর্থের ব্যবহার, প্রকৃত দাবিদারদের ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া, প্রকৃত দাবিদার নির্ণয়, দাবিহীন অর্থসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো অধিক যাচাই-বাছাই করে বিস্তারিত কাগজপত্র বিটিআরসির পরবর্তী কমিশন বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটর অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বিটিআরসির এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

নতুন সিরিজ নয়

কোনো অপারেটরকে আপাতত নতুন নম্বরের সিরিজ না দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে বিটিআরসি।গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোন ০১৭’ সিরিজের প্রায় ১০ কোটি নম্বর শেষ হয়ে আসছে জানিয়ে ২০১৫ সালে নতুন সিরিজের আবেদন জানিয়েছিল।‘০১৭’ এর পাশাপাশি নতুন করে ‘০১৩’ নম্বরের সিরিজ গ্রামীণফোনকে দিতে বিটিআরসি প্রাথমিক সম্মতি দিলেও সে বিষয়ে আর অগ্রগতি হয়নি।জাতীয় নম্বর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশে মোবাইল ফোন অপারেটরদের নম্বর সিরিজ ০১ দিয়ে শুরু হয়। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ‘০১৭’, সিটিসেল ‘০১১’, টেলিটক ‘০১৫’, এয়ারটেল ‘০১৬’, রবি ‘০১৮’ ও বাংলালিংক ‘০১৯’ নম্বর সিরিজ ব্যবহার করে।বর্তমানে ০১০, ০১২, ০১৩ ও ০১৪ নম্বর সিরিজ অব্যবহৃত আছে।বিটিআরসির এক ঊর্ধবতন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, একেকটি সিরিজ দিয়ে ১১ অঙ্কবিশিষ্ট ১০ কোটি নম্বর অপারেটররা ব্যবহার করতে পারে।বিটিআরসির হিসাবে গত অক্টোবর মাস নাগাদ দেশে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা সিম রয়েছে ১২ কোটির বেশি। তার মধ‌্যে ৫ কোটি ৭৬ লাখটি গ্রামীণফোনের।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT