টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সেন্টমার্টিনসহ টেকনাফের পর্যটন স্পটগুলো পরিকল্পনার অভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 টেকনফের সম্ভাব্য পর্যটন পয়েন্টগুলোর সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে দিন দিন জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছে। প্রতিবছর পর্যটক বাড়ার নিয়ম থাকলেও ক্রমশঃ তা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকরা টেকনাফের নান্দনিক সৌন্দর্য্যরে রূপকাহিনীর সাথে বাস্তবতার হিসাব মিলাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি খ্যাত টেকনাফ উপজেলার প্রায় ১০টি দর্শনীয় স্থানে দর্শনার্থী নেই। পূর্ব পরিচিত ও প্রচারিত সেন্টমার্টিনদ্বীপই একমাত্র ভরসা পর্যটকদের। সেখানেও বেহালদশা। সরেজমিনে জানাযায়, সন্টমার্টিনের পূর্ব ও পশ্চিম পাশ্বের সৌচাগার গুলো ব্যবহার অনুপযোগি গয়ে পড়েছে এবং নোংরা গন্ধ ও যত্রতত্র মল মূত্র পথচারীদের বাধাঁ সৃষ্টি করে। সম্প্রতি এই বর্ষা মৌসুুমে কবর স্থানসহ বিভিন্ন দ্বীপের কূলে ভাঙ্গন ধরায় পর্যটকদের মনে ভয় বিরাজ করছে বলে জানান- সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান। আরো জানা যায়, সেন্টমার্টিনের প্রধান বঙ্গবন্ধু সড়কটি কাঁচা থাকায় দর্শকদের সড়কের শেষের দর্শনীয় স্থান মাদামবনিয়া দেখতেও চরম দোর্ভোগ পোহাতে হয়। সেন্টমার্টিনের স্থানীয় যুবনেতা মাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের কথা সবাই শুনেছে, কিন্তু নাজুক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ না ব্যাবস্থা না থাকায় পর্যটকরা বিমুখ হচ্ছে। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে জোর দাবী জানান তিনি। দেশবিদেশ থেকে পর্যটকরা এসে টেকনাফের অভ্যন্তরীণ দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে সহ¯্র বাঁধা এসে দাঁড়ায় পর্যটকদের সামনে। প্রাকৃতিক রহস্যঘেরা পর্যটন স্পটগুলোতে যেতে চাইলে দেখা যায় সড়ক যোগাযোগ, নিরাপত্তা,পর্যটকদের চাহিদা পূরণের প্রয়োজনীয় সুবিধাদী।যার কারণে টেকনাফে আসা পর্যটকরা দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে না পেরে সেন্টমার্টিন ঘুরে চলে যায়।দেশের সর্বত্রে প্রচার আছে টেকনাফের হোয়াইক্যং কুদুংগুহা,হ্নীলার আশোক বৌদ্ধ বিহার,জাদিমুরা,ন্যচার পার্ক,নাইট্যং পাহাড় চূড়া, ব্রিটিশ বাংকার,নাইট্যং পাহাড় ঝর্ণা,মাথিনের কূপ,বাহারছড়া ঘোড়া পাহাড়,হাজম পাাড়ার গর্জন বাগান,দরগাহ ছড়ার সী-বিচ,লম্বরী পর্যটন,মহেশকালিয়া পাড়া সমুদ্র সৈকত,সাবরাং ক্ষুরের মূখ,শাহপরীরদ্বীপ জেটি,পশ্চিম পাড়ার সী-বিচ।কিন্তু এসব স্থানে পর্যটকদের দেখা মিলেনা। মাঝে মধ্যে দুয়েক পর্যটক গেলেও নানান সমস্যার কারণে বিমূখ হয়ে ফিরে আসেন। এসব পর্যটনগুলোতে পর্যটকদের চাহিদা বিবেচনায় সরকারী উদ্যেগে সম্ভব না হলেও ব্যক্তিখাতে ছেড়ে দেওয়া গেলে আমূল পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল। এদিকে জাইল্লারদিয়া স্থানটি নিয়ে গনমাধ্যম ও সচেতনমহল যুগযুগ ধরে অনেক মন্তব্য করা হলেও অদ্যাবধি কোন কিছুই হয়নি। গত বছরের শুরুর দিকে জাইল্লারদিয়া টির একটি পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট উর্ধ¦তন কর্তপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মুজাহিদ উদ্দিন বলেন-স্পটগুলো নিয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে টেকনাফে পর্যটনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি উক্ত পয়েন্টগুলো রক্ষনাবেক্ষনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সেন্টমার্টিন কবরস্থানকে রক্ষা করার জন্য ইতমধ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT