হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপর্যটনপ্রচ্ছদ

সেন্টমার্টিনদ্বীপে পর্যটকরা ‘হতাশ’ : দেখা মিলেনি শেষ সুর্যাস্ত ও চাঁদনী রাত

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ … হঠাৎ করে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিনদ্বীপে থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন করতে যাওয়া দেশী-বিদেশী পর্যটকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ৩১ ডিসেম্বর রবিবার ভোর রাত থেকেই সেন্টমার্টিনদ্বীপসহ টেকনাফ উপজেলার সর্বত্র গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর শনিবার থেকেই আকাশ মেঘলা। অথচ প্রকৃতির অপরূপ মায়াবী সেন্টমার্টিনদ্বীপে এবারে ‘থার্টি ফাস্ট নাইটে’ বোনাস হিসাবে সৌভাগ্যক্রমে মিলেছিল ‘পূর্ণিমার চাঁদনী রাত’। যা সাধারণতঃ মিলেনা। রবিবার ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে সেন্টমার্টিনদ্বীপে প্রতি বছরের ন্যায় বর্ষ বরণের মিলন মেলা বসার আয়োজন ছিল। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দ্বীপের খোলা নীল আকাশে প্রত্যক্ষ করার কথা ছিল ২০১৭ খ্রীস্টাব্দের শেষ সুর্যাস্ত। কিন্ত সবই হঠাৎ করে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভেস্তে গেছে।
জানা গেছে, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপনে গত কয়েক দিন ধরে পর্যটকের ঢল নেমেছিল। এদের মধ্যে প্রেমিক জুটি, টিনএজ ও নব দম্পতির সংখ্যা বেশী। বিদেশী পর্যটকের সংখ্যাও কম নয়। প্রতিদিন ৭টি পর্যটকবাহী জাহাজ এবং কাঠের ট্রলারে ৩ হাজারেরও বেশী দেশী-বিদেশী পর্যটক সেন্টমার্টিনদ্বীপে যান। গত কয়েক দিন ধরে ফিরতি জাহাজ ছিল একেবারে ফাঁকা। সকলেই চাঁদনী রাতে সেন্টমার্টিনে থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপনের জন্য অবস্থান করছেন। সেন্টমার্টিনদ্বীপে শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেল ও কটেজ রয়েছে। সবই অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকবাহী জাহাজগুলোরও একই অবস্থা। গত কয়েক দিন ধরেই দেশী-বিদেশী পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত সেন্টমার্টিনদ্বীপ। কোথাও ঠাই নেই অবস্থা চলছে।
সেন্টমার্টিনদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর আহমদ ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টায় বলেন ‘দ্বীপে দেশী-বিদেশী পর্যটক থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন করতে অবস্থান নিয়েছেন। এবারে প্রচুর সংখ্যক দেশী-বিদেশী পর্যটক থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন ও বর্ষ বরণের আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশে দ্বীপে সমবেত হয়েছেন। হোটেণ ব্লু মেরিণ রিসোর্ট, লাবিবা বিলাসসহ কয়েকটি হোটেলে বড় বড় পার্টিরা অনুষ্টানের আয়োজন করে অবস্থান করছেন। ৩০ ডিসেম্বর রাত ১২টার পরে দ্বীপের সৈকতে বেশ কিছু ফটকা ফোটানো হয়েছে। কিন্ত বৃষ্টির কারণে সৈকতে পর্যটকদের পদচারণা তেমন একটা দেখা যাচ্ছেনা। নিরাপদে দ্বীপে ভ্রমণ করতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এখনও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় চাঁদের দেখা মিলছেনা। সব মিলে পর্যটকরা ‘হতাশ’ হয়ে পড়েছেন’।
উল্লেখ্য, ১ জানুয়ারী সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় এরিপোর্ট লেখার সময়ও সেন্টমার্টিনদ্বীপসহ টেকনাফ উপজেলার সর্বত্র আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। ##

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.