সেন্টমার্টিনদ্বীপের ডাক্তার শুণ্য হাসপাতালে প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু

প্রকাশ: ৮ জুলাই, ২০১২ ৯:৫৩ : অপরাহ্ণ

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফঃ…ডাক্তার শুন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপে হাসপাতালে অসহায় এক প্রসুতি বিনা চিকিৎসায় মারা গিয়েছেন বলে জানা গেছে। গতকাল ৮ জুলাই বিকালে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টামার্টিনে ঘটেছে এঘটনা। একই কারণে নবজাতককেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। সেন্টমার্টিনদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়- গতকাল ৮ জুলাই সেন্টমার্টিনদ্বীপ পশ্চিমপাড়া বদিউল আলমের স্ত্রী নজুমা বেগমের(৩০) প্রসব বেদনা শুরু হলে প্রথমে দ্বীপের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ধাত্রী দিয়ে প্রসব করানোর চেষ্টা করা হয়। ধাত্রীরা ব্যর্থ হলে নজুমা বেগমকে সেন্টমার্টিনদ্বীপস্থ ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে কোন ডাক্তার বা কর্মচারী কেউ ছিলেন না। এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় সেই মূমূর্ষ রোগীকে সেন্টমার্টিনদ্বীপ থেকে টেকনাফে আনাও সম্ভব হয়নি। অবশেষে বিকেলে অসহায় হতভাগ্য গৃহবধু প্রসুতি নজুমা বেগম(৩০)নিজ বসত ঘরেই চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেন। অবশ্য তার আগে একটি মৃত সন্তান প্রসব করে। দ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নুরুল আমিন এবং সেন্টমার্টিনদ্বীপ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুর আহমদ জানান- গত বেশ কিছুদিন থেকে সেন্টমার্টিনদ্বীপস্থ ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কোন ডাক্তার-কর্মচারী কেউ নেই। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: শামসুজ্জাহান রকিবুন্নেছা চৌধুরী বর্তমানে সরকারী প্রশিক্ষণে দেশের বাইরে থাকায় বর্তমান দায়িত্বে আছেন- আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও) ডা: আব্দুল মান্নান। গতরাতে এব্যাপারে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- ডা: টিটু চন্দ্র শীল নামে একজন মেডিকেল অফিসার সেন্টমার্টিনদ্বীপস্থ ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। তবে বর্তমানে তিনি সেন্টমার্টিনদ্বীপ হাসপাতালে অবস্থান করছেন কিনা আমার জানা নেই।


সর্বশেষ সংবাদ