টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফ সমিতি ইউএই’র নতুন কমিটি গঠিতঃ ড. সালাম সভাপতি -শাহ জাহান সম্পাদক বৌ পেটানো ঠিক মনে করেন এখানকার ৮৩ শতাংশ নারী ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু টেকনাফে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ পরিবারের আর্তনাদ: সওতুলহেরা সোসাইটির ত্রান বিতরণ করোনা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর বিধি, জনসমাবেশ সীমিত করার সুপারিশ হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে জাদিমোরার রফিক ৫ কোটি টাকার আইসসহ গ্রেপ্তার মিয়ানমার থেকে দীর্ঘদিন ধরে গবাদিপশু আমদানি বন্ধ: বিপাকে করিডোর ব্যবসায়ীরা টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন যাঁরা বাহারছরা ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন যাঁরা

সুস্বাগতম ২০১৭

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৭
  • ১২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেক্স **

শীতের হিমেল পরশ বুলিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি। কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে পূর্বাকাশে উদিত হয়েছে সূূর্য। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আলো আর আলো। আজকের সকালের সূর্য নিয়ে এসেছে নতুন বারতা। ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন আজ। সুস্বাগতম ২০১৭।শনিবার রাত ১২টায় ঘড়ির কাঁটা শূন্যের ঘর ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচনা হয় নতুন বছরের। শুরু হল নতুন বছরের পথচলা। মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আরেকটি বছর ২০১৬। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের ভুল, হতাশা, দুঃখ, গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক নানা ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাবে- এমন প্রত্যাশা দেশের সব মানুষের। গত বছর যে আশা-আকাক্সক্ষা নিয়ে পথচলা শুরু হয়েছিল তার অনেকখানি হয়তো পূরণ হয়নি। কিন্তু তাতে কি? নতুন উদ্যম নিয়ে এগিয়ে গেলে সাফল্য ধরা দেবেই।নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও বাণী দিয়েছেন।২০১৬ সালে বাংলাদেশ তথা বিশ্বের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেয় জঙ্গিবাদ। বাংলাদেশে এটি মোকাবেলায় অনেকটাই সফল। তবে নতুন বছরেও এ চ্যালেঞ্জ থাকবে বলে মনে করেন অনেকেই। গত বছর যেভাবে সফলতার সঙ্গে জঙ্গি নির্মূল করেছে দেশের আইনশৃংখলা বাহিনী সেই তৎপরতা এ বছর আরও জোরদার হবে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ সরকার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে।তবে রাজনীতির মাঠে তেমন কোনো সহিংস কর্মকাণ্ড না থাকায় দেশের মানুষ অনেকটাই স্বস্তিতে ছিলেন। এ বছরও মানুষের প্রত্যাশা এই স্বস্তি বিরাজমান থাকবে। যদিও ইতিমধ্যে ৫ জানুয়ারি ঘিরে প্রধান দু’দলের মধ্যে রেষারেষি শুরু হয়েছে। কী হতে যাচ্ছে রাজনীতির মাঠে- তা নিয়ে সাধারণ মানুষও সংশয়ে রয়েছেন। তাদের দৃষ্টি এখন রাষ্ট্রপতির দিকে। আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপ দেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- এমন প্রত্যাশা সবার।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭.১১ শতাংশ হয়। সেই ধারাবাহিকতা এ বছরও ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো দাতাগোষ্ঠীর অর্থায়ন ছাড়াই নির্মিত হচ্ছে বহুল কাক্সিক্ষত পদ্মা সেতু। ইতিমধ্যে তার কিছু অংশ দৃশ্যমান হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনা ২০১৬ সালে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা। এ ঘটনার মূল হোতাদের দ্রুত বের করে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে, এটা জাতির প্রত্যাশা। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সে জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। দেশে শিল্পায়নের জন্য বিনিয়োগবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি। গত বছরের শেষদিকে এসে গ্যাসের সমস্যায় শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পড়েছে শিল্প খাতও। এসব বিষয়ে সরকারের আরও তৎপর ভূমিকা প্রয়োজন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দুপল্লীতে হামলা এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল পল্লীতে আগুন দেয়ার মতো ঘটনা ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। সাঁওতাল পল্লীতে আগুন দেয়ার ঘটনায় খোদ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আশা করে, এসব হীন কাজের সঙ্গে যারা জড়িত, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের শাস্তি দেয়া হোক। তাহলেই একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আরও এগিয়ে যার আমরা।

নতুন বছরের শুরুতেই গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কথা শোনা যাচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবীদের আয় বাড়লেও সাধারণ মানুষের আয় সেভাবে বাড়েনি। এ অবস্থায় যদি আবার গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ে তাহলে সাধারণ জনগণের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা হবে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য করতে গিয়ে আরও হিমশিম খেতে হবে তাদের।

এর বাইরে নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, অগণতান্ত্রিক আচরণের করাল গ্রাস আগ্রাসী হয়ে বসে আছে। রাতারাতি অবস্থা পাল্টে ফেলা না গেলেও দেশের উন্নতির স্বার্থে এসব প্রতিরোধ জরুরি হয়ে পড়েছে।

নতুন বছর ২০১৭ বাংলাদেশের মানুষের জন্য নতুন স্বপ্ন বয়ে নিয়ে এসেছে। সবাই আশা করছেন, প্রার্থনা করছেন, যেন বছরটি সবার ভালো যায়। পেছনে ফেলে আসা দুঃখ-কষ্ট ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণী-পেশার মানুষ। চান সাফল্য, স্বস্তি। শুভ নববর্ষ

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT