টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সিলেকশনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসতে চায়

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৩
  • ১৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

zzxccস্টাফ রিপোর্টার : ইলেকশনের নামে আওয়ামী লীগ সিলেকশনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসতে চায়। জয়ের বক্তব্যে সে নীল নকশা প্রকাশ পেয়েছে। আর সরকারের তল্পিবাহক হিসেবে নির্বাচন কমিশন ভোটের সময় সেনাবাহিনীকে পুতুল বাহিনী বানিয়ে রাখতে চায়। প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন সামরিক শাসন এলে দশ বছরেও নির্বাচন দেবে না। যদি সেটা বুঝেই থাকেন তাহলে সে পথ বন্ধ করছেন না কেন। কেনই বা ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না? গতকাল এক আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন বক্তারা। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে জেএসডি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। ‘দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সভায় বক্তারা আরো বলেন, একগুঁয়েমি গোয়ার্তুমি আর দুঃশাসনের কারণে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ভয় পাচ্ছেন। তিনি সেই ভয় মানুষকে দেখাচ্ছেন। জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিকল্পধারার সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও  সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহবুবুল্লাহ, ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফি আহমেদ। দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব সম্বলিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন। বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বাতিল একটি ষড়যন্ত্র। প্রধানমন্ত্রী ও তার মনোনীত ২০ জন মন্ত্রী সরকারি সুযোগ সুবিধা নিয়ে তাদের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন অথচ নির্বাচন কমিশন তাদের প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবেন না। এর মাধ্যমে প্রমাণ হলো নির্বাচন কমিশন আগে ছিল পোষ্যপুত্র এখন ঠুটো জগন্নাথ। বর্তমান সরকার যে পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে চাচ্ছে তাতে সরকারের বাইরে থাকা দলগুলোর পাশ করা কঠিন। ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন করা প্রত্যেক সরকারের দায়িত্ব। সংবিধানে আছে বিরোধীদল থাকতে হবে। অথচ প্রথমই ষড়যন্ত্র করে সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করলেন। একই সঙ্গে নির্বাচনের পূর্বশর্ত শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে যা সরকারের চেয়েও শক্তিশালী। কিন্তু আমাদের নির্বাচন কমিশন এখন নিজে নিজেই আত্মহত্যা করছে। তারা আইন করছে, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। তাদেরকে পুতুল বাহিনী করা হবে। এই অবস্থায় বর্তমান নির্বাচন কমিশন দরকার আছে বলে মনে করি না।   তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে রাজনীতিতে আসতেই পারেন। তবে তিনি যা বললেন তার কাছে তথ্য আছে। আমাদের প্রশ্ন তা কিসের তথ্য। আরেকজন বললেন তার কাছে তথ্য নেই তবে সুগন্ধি পাচ্ছেন। কয়েকদিন ৫সিটি নির্বাচনে পরাজিত হয়েও এই সময়ে এ তথ্য কিভাবে আসলো প্রশ্ন রাখেন। তাদের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে আগামীতে ইলেকশন নয় সিলেকশন হবে।                                  সাবেক এ প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) কথায় কথায় বলেন, তারা আসলে ১০ বছরেও নির্বাচন হবে না। আমার প্রশ্ন, উনারা কারা?। আর প্রধানমন্ত্রী কি করে নির্দিষ্ট করে বলেন যে উনারা আসলে ১০ বছর থাকবে। প্রধানমন্ত্রী কি তাদের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসছেন? আসলে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে ভয় পাচ্ছেন, তিনি আমাদের ভয় দেখাতে চাচ্ছেন। বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব ভালোই। কিন্তু এর সদস্যরা কিভাবে নির্বাচিত হবেন এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধান সম্পর্কে ধারণা থাকা মানুষকে নির্বাচিত করতে হবে।   তিনি বলেন, এর জন্য বৈপ্লবিক পরিবর্তন দরকার। তেমন শক্তিশালী কিছু এখনো আসেনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর আহমেদ বলেছেন, জয়ের কাছে তথ্য নয়, রয়েছে নির্বাচনের নীলনকশা। যেখানে পাঁচটি সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে, সেখানে তার বক্তব্য অত্যন্ত ষড়যন্ত্রমূলক। কাজী জাফর বলেন, বাংলাদেশে সংকটের দানবীয় চেহারা দেখা যাচ্ছে। একদিকে দুর্নীতির মহোৎসব, ফ্যাসিবাদের উলঙ্গ চেহারা; অন্যদিকে দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষের দাবি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, আগামী দশ বছরেও নির্বাচন হবে না তখন মনে হয় তার এ বক্তব্য শুধু নির্বুদ্ধিতা নয়, এর মধ্যে গভীর চক্রান্ত আছে। তিনি বলেন, নির্বাচন হবে কি হবে না তা নিয়ে অনিশ্চয়তার পাল্লা ভারী হচ্ছে। দেশে সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে জটিল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারতের বিশাল ভূখ-জুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। জাতীয় পার্টির এ নেতা বলেন, নির্বাচনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে দেয়ালের লিখন স্পষ্ট হলে মানুষ হারু পার্টিতে যায় না তখন কে কার আগে আন্দোলনে নামতে পারে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সে পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের মধ্য থেকেও নতুন মরুকরণের আশঙ্কা করে কাজী জাফর আহমেদ বলেন, শাসক দলের মধ্যে থেকে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যা আমাদের কল্পনার বাইরে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্রের বিকাশ ঘটতে পারে। ইতিহাস বলে, শাসকশ্রেণীর মধ্য থেকে বিদ্রোহী অংশের সৃষ্টি হয়। তাই, সংকটকালে আওয়ামী লীগের মধ্যে থেকে নতুন মেরুকরণের সৃষ্টি হতে পারে। তিনি রাজনীতিবিদদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উত্থান এখনো ঘটেনি, এর উদ্ভব একদিন ঘটতে বাধ্য। ‘জগদ্দল পাথর’ আখ্যায়িত করে রোজা রেখে আল্লাহর কাছে সরকারের পতনের দোয়া করলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। তিনি বলেন, রোজা রেখে আল্লাহর কাছে দোয়া করি। আল্লাহ যেন এ জগদ্দল পাথর সরকারকে তাড়ানো ব্যবস্থা করেন। বর্তমান সরকার রাজতন্ত্রের চেয়েও ব্যর্থ। মুখের কথায় এ সরকারকে তাড়ানো যাবে না। গণপ্রতিরোধের মাধ্যমে এ সরকারকে তাড়াতে হবে। কাদের সিদ্দিকী বলেন, পাঁচটি সিটি নির্বাচনে হারার পর এদেশে গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করতেন। প্রধানমন্ত্রী না হোক অন্তত স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তো পদত্যাগ করতে পারতেন। তা করেননি। বর্তমান সরকার স্বৈরাচারী সরকারের চেয়েও অধম। তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন, দ্বিধান্বিত মন নিয়ে জয়ী হওয়া যায় না। বিকল্প শক্তির জন্য মানুষ উন্মুখ হয়ে আছে। আমরা যখন ঐক্যের কথা বলি তখন আমি অনৈক্যের ছবি  দেখতে পাই। ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে গিয়েছি। এদেশের রাজনীতি ১২ মাসে নয় মাস বিদেশ থাকলে হবে না। কমপক্ষে সাড়ে ১১ মাস দেশে থাকতে হবে। কাদের সিদ্দিকী খোলা মন নিয়ে সব দলকে তৃতীয় রাজনৈতিক ধারা শুরু করার আহ্বান জানান। অন্যথায় ‘যদি তোর ডাক শোনে কেউ না আসে তবে একলা চলো, একলা চলো রে’ গানের কলি’র উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, আমি একলাই চলবো। কাদের সিদ্দিকী বলেন, সংসদে উচ্চ কক্ষ নিশ্চয়ই দরকার আছে। সংসদ দুইটা থাকলে একটা আরেকটার সঙ্গে আলোচনা করতে পারবে। সরকারই অসাংবিধানিক শক্তিকে উৎসাহিত করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। ‘সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী করে সামরিক শাসন চিরতরে রুদ্ধ করা হয়েছে’ সরকারের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে আসম রব বলেন, সরকার অসাংবিধানিক শক্তিকে উৎসাহিত করেছে এবং দশ বছর মেয়াদ সুনিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে। সরকার থেকে এমন বক্তব্য গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। রব বলেন, সরকার প্রধানের বক্তব্য হলো সামরিক শাসন এলে দশ বছরেও তারা নির্বাচন দেবে না। তার এ কথায় স্পষ্টই বোঝা যায় উনাদের (সামরিক) সঙ্গে আওয়ামী লীগের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাজনৈতিক সংকটে নিপতিত হয়েছে। এ সংকট দিনে দিনে আরো বাড়ছে। বঙ্গবন্ধুর আমল থেকে এ সংকট উত্তরণের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা, একদলীয় শাসনব্যবস্থা সবই হয়েছে, কিন্তু এ সংকট আরো গভীর হয়ে সামরিক শাসন জারি হয়েছে। নির্বাচিত সরকার গণতান্ত্রিক ও গণমুখী হচ্ছে না দাবি করে রব বলেন, বিদুৎ ঘাটতি রেখে জনগণকে শিক্ষা দেবেন নির্বাচিত কোনো রাজনৈতিক নেতা বা সরকার প্রধান এভাবে বলতে পারেন না। জনগণকে তিনি এভাবে হুমকি দিতে পারেন না। তত্ত্বাবধায়ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এ দাবি নিয়ে আন্দোলন করে অসংখ্য জীবন সম্পদ ধ্বংস করেছে তারা আজ ওই ব্যবস্থা বাতিল করেছে। ১৭৩ দিন হরতাল দিয়ে অনেক মানুষ মেরেছে, বাসে আগুন লাগিয়ে মানুষ মেরেছে এর দায় কে নেবে? অন্যদিকে বিএনপিও জনগণের সুযোগ-সুবিধার জন্য কিছুই করতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক বলেন, রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, শাসনপদ্ধতির পরিবর্তন করে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি। তিনি বলেন, জনগণ বিকল্প শক্তি চাচ্ছে। আর তার প্রমান আজকের এই অনুষ্ঠান। ভ্রুন জন্ম হয়েছে। গণঅভ্যূত্থানও হতে পারে।   তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসির আরো রায় হলে দেশের পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মান্না বলেন, বিএনপির সঙ্গে জোট করে জামায়াতের অস্তিত্ব বিলীন হয়নি। প্রগতিশীল ধারার যে দলগুলো বড় দলের সঙ্গে জোট বেঁধেছে তারা অস্তিত্ব বিলীন করে ফেলছে, কিন্তু বড় দলের সঙ্গে মিলেও নিজেদের স্বকীয়তা ধরে রেখেছে জামায়াত। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুইটি এখন লিমিটেড কোম্পানি। তাদের ম্যানেজিং ডিরেক্টররা যা বলবেন তাই বাস্তবায়ন হবে। শেখ হাসিনা একজন জেদি ও অহংকারী মহিলা। তিনি চাচ্ছেন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে। এভাবে চলতে থাকলে বিরোধী দল ঈদের পর কঠোর আন্দোলনে যাবে,  তখন যারা তৃতীয় শক্তি চান না তারা কী করবেন? আন্দোলনে যাবেন না নির্বাচন বানচাল করবেন। আওয়ামী লীগের এই সাবেক নেতা বলেন, একজন (তারেক রহমান) লন্ডনে রয়েছেন সেখানে পড়ালেখা করেন। জ্ঞান অর্জন করছেন। তিনি একটি নির্বাচনী প্রচারনার কথাও বলেছেন। সেখানে নতুন ধারার সরকার গঠনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তার মা (খালেদা জিয়া) এই কথা বলছেন। আরেক মা (শেখ হাসিনা) সন্তানের বক্তব্য সমর্থন করে মাঠে নেমে পড়েছেন। মান্না বলেন, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ শুনতে ভালো লাগছে। বিএনপিও দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন করতে চায়। তবে আসম আব্দুর রব যে দ্বি-কক্ষের সংসদের কথা বলছেন তা নিশ্চয়ই বিএনপির মতো হবে না। তিনি বলেন, দুই দলই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে যাবে। কারণ, খালেদাকে কানের কাছে সবাই বলছেন, আপনিই ক্ষমতায় যাবেন। উভয় দলই নির্বাচনে গেলে তৃতীয় শক্তির সুযোগ কোথায়? ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, শাসক দলের সম্মতি না থাকলে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব অরণ্যে রোদন ছাড়া কিছ্ইু না। এগুলো করতে একটি বিপ্লবী দল লাগবে, সেটা এখনো তৈরি হয়নি। ড. সৈয়দ আনোয়ার বলেন, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের ব্যাপারে আমি উৎসাহী। এটি ব্রিটেন থেকে ধার করতে হবে না, আমাদের ইতিহাসেই এটি ছিল। আর বিকল্প হিসেবে তৃতীয় শক্তি এখনো তেমন শক্তিশালী হয়ে গড়ে ওঠেনি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT