হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফবিশেষ সংবাদভ্রমন

সর্তক সংকেত থাকায় সেন্টমার্টিনে কয়েক’শত পর্যটক আটকা পড়েছেন : জাহাজ চলাচল বন্ধ

নুর হাকিম আনোয়ার,টেকনাফ ### tertertert দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সর্তক সংকেত থাকায় সেন্টমার্টিনদ্বীপে আটকা  পড়েছে কয়েকশ’ পর্যটক। এসব পর্যটকরা এখন গন্তব্যে ফিরতে পারছেননা। মঙ্গলবার টেকনাফ সেন্টমার্টিনদ্বীপ নৌ-রুটে জাহাজ চালাচল না করায়  এ পর্যন্ত  দুই শতাধিক পর্যটক আটকা  পড়েছে সেন্টমার্টিনদ্বীপে। এদিকে সেন্টমার্টনে অবস্থানরত পর্যটকরা মোবাইল ফোনে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান- আমাদের যে কোনো ভাবেই ঢাকায় যেতে হবে। ঘুরতে গিয়ে পকেটের সব টাকা শেষ। এখন এখানে খুব কষ্টে আছি। টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারী সিন্দাবাদ বিরুপ আবহাওয়ার কারণে সাময়িক ভাবে যাতায়ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেয়ারী সিন্দাবাদের টেকনাফ ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম জানান- সুষ্ঠু আবহাওয়া পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত কেয়ারী সিন্দাবাদ সেন্টমার্টিন যাতায়াত বন্ধ থাকবে। সেন্টমার্টিনে যে সব পর্যটক আটকা  পড়েছে তাদের খোজখবর নেওয়া হয়েছে এবং আশারাখি সবাই নিরাপদে ফিরে আসবে।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল আমিন জানান, আটকে পড়া শতাধিক পর্যটক দ্বীপের বিভিন্ন হোটেল ও কটেজে রয়েছেন। গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত নানা চেষ্টা করেও আটকে পড়া পর্যটকদের টেকনাফ আনা সম্ভব হয়নি।

 সেন্টমার্টিনদ্বীপের বাসিন্দা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী ছিদ্দিকুর রহমান জানান- দ্বীপের মানুষ পর্যটকদের বরণ করতে  প্রস্তুত। সার্বিক পরিস্থিতি অনুকুলে থাকলে দেশী বিদেশী পর্যটকরা নিরাপদে দ্বীপ ভ্রমণ করতে পারবে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মো. শহীদুল ইসলাম জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে। কক্সবাজারকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এদিকে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন অপরুপ সাজে সাজছে। দ্বীপের ছোট বড় শতাধিক হোটেল এবং সৈকতকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক হোটেল ঈদের দিন থেকেই অগ্রিম বুকিং হয়ে গিয়েছিল। খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে। সেন্টমার্টিনদ্বীপে আবাসিক অনাবাসিক ছোট বড় হোটেল মোটেল কটেজ আছে শতাধিক। গত বছর এসব হোটেল ও কটেজের সংখ্যা ছিল তার অর্ধেক। সেন্টমার্টিনদ্বীপ আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সেক্রেটারী খোন্দকার আল মাসুম জানান- পর্যটকবাহী জাহাজ চালু হওয়া মাত্র বঙ্গোপসাগরে সর্তক সংকেত থাকায় সেন্টমার্টিদ্বীপে পর্যটকের ঢল নেমেছিল। দ্বীপের আবাসিক ও খাবার হোটেল এবং সমুদ্র সৈকতকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান- সেন্টমার্টিনদ্বীপে নতুন পুরাতন মিলে শতাধিক হোটেল এবং কটেজ রয়েছে। এসব হোটেল এবং কটেজ ঈদের দিন থেকেই  অগ্রিম বুকিং হয়ে গিয়েছিল। তম্মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হোটেল এবং কটেজ হচ্ছে- প্রিন্স হেভেন আল বাহার, প্রাসাদ প্যারাডাইজ, কক্স বাংলা, রোজ মেরী, বু মেরীন, ডলফিন, সী আইল্যান্ড, সী  বু সী,  ব্লু মুন, সীমানা পেরিয়ে, অবকাশ, ড্রীমনাইট, সিটিবি, ডায়মন্ড, আইল্যান্ড প্রাসাদ, প্রিন্স আলবাহার, ঊশান ভিউ, সমুদ্র বিলাস, স্বপ্নপুরী, স্বপ্ন বিলাশ, সাগর বিলাম, জলপরী, নীল দিগন্ত, নাবিবা বিলাস, পান্না রিসোর্ট, কোরাল ভিউ ব্লু, সেন্ট রিসোর্ট, রেহানা কর্টেজ, ময়নামতি, দেওয়ান কটেজ, গ্রীন ল্যান্ড, মুজিব কটেজ, শাহজালাল কটেজ, রেজা কটেজ, রিয়াদ রেস্ট হাউস, বে অব বেঙ্গল।  সেন্টমার্টিনদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল আমিন জানান- দ্বীপের মানুষ সবসময় পর্যটকবান্ধব। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও পর্যটন মৌসুমে যাতে দেশী বিদেশী পর্যটক শিার্থীরা নিরাপদে দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য আইন শৃংখলাসহ সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।