টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব উখিয়ায় মিয়ানমার থেকে আসছে চোরাই গবাদি পশু

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দীপন বিশ্বাস ###  কোরবানের ঈদকে সামনে রেখে কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের ডেইলপাড়া, আমতলী ও করইবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু, ছাগল আসছে। এসব গবাদি পশু গোপন লেনদেনের মাধ্যমে সরাসরি কক্সবাজার সদর, রামু সহ বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে চলে যাওয়ার কারণে স্থানীয় ইজারাদার এ খাতে টোল বা রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। স্থানীয় বেশ ক’টি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চোরাই পথে আসা গরু, ছাগল নিয়ন্ত্রণ করায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা শত চেষ্টা করেও তা প্রতিরোধ করতে পারছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, চোরাই পথে গবাদি পশু পাচার হয়ে আসা প্রতিরোধে ২০০৪ সালে উখিয়া উপজেলা সংলগ্ন নাই্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের উখিয়ার ঘাট, বালুখালী, কাস্টমস্ কর্তৃপরে নিয়ন্ত্রণে একটি করিডোর স্থাপন করা হয়। এ সময় মিয়ানমার থেকে করিডোরটি দিয়ে শত শত গরু, ছাগল আমদানি হয়ে আসছিল। এ খাতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে সম হয়। করিডোর কর্তৃপ তৎকালীন বালুখালী, কাস্টমস্ কর্তৃপ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় মিয়ানমার থেকে গবাদি পশু আমদানি খাত থেকে প্রায় তিন লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়। এভাবে পরবর্তী তিন মাসের তিন দফা গবাদি পশু আমদানি করে বালুখালী কাস্টমস প্রায় এগার লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করে। এভাবে কয়েক মাস করিডোর সচল থাকলেও করিডোরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও অসহযোগিতার কারণে করিডোরটি আলোর মুখ দেখেনি। সূত্র জানায়, স্থানীয় চোরাকারবারিরা অসাধু উপায়ে গবাদি পশুর ব্যবসায় বেশি লাভজনক মনে করে ওইসব ব্যবসায়ীরা করিডোর দিয়ে আসা গরু ক্রয় করতে অনমনীয়তা প্রকাশ করলে করিডোরে আসা গরু, ছাগল অবিক্রিত থেকে যায়। বার বার লোকসান দেওয়ার কারণে সরকার ৫ মাসের মাথায় বালুখালী করিডোরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। সেই থেকে চোরাচালানীরা চোরাই পথে মিয়ানমার থেকে গরু ছাগল পাচার করে নিয়ে আসা অব্যাহত রাখে। প্রতিবছরই কোরবানের ঈদকে সামনে রেখে এসব পাচারকারী চক্র তৎপর হয়ে উঠে। নাম প্রকাশ না করার স্বত্তে আমতলী গ্রামের জনৈক বেশ’কজ জানালেন,   প্রতি রাতে সীমান্তের ডেইলপাড়া, আমতলী, করইবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে গরু-ছাগল আসছে। স্থানীয় সোর্স নামধারী এক চাঁদাবাজ  সহ আরো কয়েকজন, বিজিবি, পুলিশ, আনসার বিডিপি সহ বিভিন্ন সংস্থার নাম ভাঙ্গিয়ে পাচার হয়ে আসা প্রতি গরু থেকে এক হাজার ও ছাগল থেকে ৫’শ টাকা করে চাঁদা আদায় করে ওই সব গবাদি পশু  রাতারাতি রামু, কক্সবাজার সহ বিভিন্নস্থানে পৌঁছে দিচ্ছে। আমতলী বিজিবির সুবেদার সোহরাব হোসেন চোরাই পথে গরু-ছাগল আসার কথা অস্বীকার করেন।

উখিয়ায় শ্রম বাজার রোহিঙ্গা শিশুদের দখলে  দীপন বিশ্বাস              ২৯ আগষ্ট কক্সবাজারের উখিয়ার কতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গার বসবাস প্রায় দু’লাধিক। নিবন্ধিত ২৬ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা রেশন সামগ্রী পেলেও অনিবন্ধিত লাধিক রোহিঙ্গা দিন কাটাচ্ছে খেয়ে-না খেয়ে। ওই সব রোহিঙ্গাদের জন্ম নেওয়া প্রায় ১০ হাজারের অধিক শিশু কক্সবাজার সহ পার্বত্য জেলা বান্দরবানের গ্রামীণ জনপদ ও শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে হোটেল, রেস্তোরা, শিল্প-কলকারখানা ও ইট ভাটা সহ নানা স্থানে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এসব শিশুরা জানে না তাদের জীবনের ল্য উদ্দেশ্য কি! গন্তব্য কোথায়? এসব শিশুদের বয়স ৮-১৭ বছর। প্রায় ৩০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে দু’ক্যাম্পে। উক্ত  শরণার্থী শিবিরের ৮ হাজারের অধিক শিশু ক্যাম্পের অভ্যন্তরে এনজিওদের পরিচালিত ২২টি বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করলেও অনিবন্ধিত অধিকাংশ শিশু ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে জীবন বাচাঁতে শ্রমিকের কাজ করে বেড়াচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের শেষের দিকে  আড়াই লাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমার সামরিক জান্তার অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নের কথা বলে কক্সবাজার জেলার উখিয়া-টেকনাফের ২২টি রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নেয়। তাদের বিভিন্ন দেশের এনজিও সংস্থা সাহায্য, সহযোগিতা দিয়ে আসছিল। দু’ দেশের কুটনৈতিক পর্যায়ের সিদ্ধান্তে  ২লাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত গেলেও কুতুপালং ও নয়াপাড়া শিবিরে অবস্থান করছে নিবন্ধিত প্রায় ২৬ হাজার রোহিঙ্গা। সাড়ে ৭ হাজারের মত রোহিঙ্গার ছাড়পত্র থাকলেও মিয়ানমার সরকারের গড়িমসির কারনে গত ২০০৫ সালের মে মাসে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বন্ধ হয়ে যায়। ৯শতাধিক রোহিঙ্গা ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে চলে  যায়। আর পুরুষ রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগ মালয়েশিয়া সহ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে এবং কিছু রোহিঙ্গা সমুদ্রে মাছ শিকার করছে। শিশুদের অধিকাংশই গ্রামীণ জনপদে ভিাবৃত্তি, হোটেল রেস্তোরায়, কাঠ মিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, কলকারখানা, ইট ভাটা সহ নানা স্থানে স্বল্প মূল্যে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। যার ফলে শ্রমের বাজার চলে গেছে রোহিঙ্গা শিশুদের দখলে। উখিয়ার চায়ের দোকানে শ্রমিকের কাজ করে কুতুপালং ক্যাম্পে বসবাসকারী মৃত নুরুল আলমের ১০ বছরের শিশু জিয়াউর রহমান জানালেন, তার পরিবারে রয়েছে ভাই বোন মিলে ৪জন। তার পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে পরিবারে সবকিছু তার আয়ের উপর নির্ভর করে। একই ক্যাম্পের ছৈয়দ আহমদের ১৩ বছরের খালেক হোসেন জানালেন, তার পরিবারেও রয়েছে ভাই-বোন ৫ জন, তারই একই পরিণতি হওয়ায় চায়ের দোকানে কম বেতনে শ্রমের ঘানি টানতে হচ্ছে। উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ জালাল উদ্দিন জানান, ক্যাম্পের চারপাশে ঘেরা-বেড়া না থাকায় কোন রোহিঙ্গা কোন দিকে যাচ্ছে আর আসছে তা আমার জানা নেই। তবে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিশুরা পেটের দায়ে বাইরে গিয়ে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার কথা শুনেছেন বলে তিনি জানান।

দীপন বিশ্বাস ০১৮১৮৫৪০০৫৮

সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব উখিয়ায় মিয়ানমার থেকে আসছে চোরাই গবাদি পশু দীপন বিশ্বাস              ২৯ আগষ্ট কোরবানের ঈদকে সামনে রেখে কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের ডেইলপাড়া, আমতলী ও করইবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু, ছাগল আসছে। এসব গবাদি পশু গোপন লেনদেনের মাধ্যমে সরাসরি কক্সবাজার সদর, রামু সহ বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে চলে যাওয়ার কারণে স্থানীয় ইজারাদার এ খাতে টোল বা রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। স্থানীয় বেশ ক’টি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চোরাই পথে আসা গরু, ছাগল নিয়ন্ত্রণ করায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা শত চেষ্টা করেও তা প্রতিরোধ করতে পারছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, চোরাই পথে গবাদি পশু পাচার হয়ে আসা প্রতিরোধে ২০০৪ সালে উখিয়া উপজেলা সংলগ্ন নাই্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের উখিয়ার ঘাট, বালুখালী, কাস্টমস্ কর্তৃপরে নিয়ন্ত্রণে একটি করিডোর স্থাপন করা হয়। এ সময় মিয়ানমার থেকে করিডোরটি দিয়ে শত শত গরু, ছাগল আমদানি হয়ে আসছিল। এ খাতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে সম হয়। করিডোর কর্তৃপ তৎকালীন বালুখালী, কাস্টমস্ কর্তৃপ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় মিয়ানমার থেকে গবাদি পশু আমদানি খাত থেকে প্রায় তিন লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়। এভাবে পরবর্তী তিন মাসের তিন দফা গবাদি পশু আমদানি করে বালুখালী কাস্টমস প্রায় এগার লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করে। এভাবে কয়েক মাস করিডোর সচল থাকলেও করিডোরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও অসহযোগিতার কারণে করিডোরটি আলোর মুখ দেখেনি। সূত্র জানায়, স্থানীয় চোরাকারবারিরা অসাধু উপায়ে গবাদি পশুর ব্যবসায় বেশি লাভজনক মনে করে ওইসব ব্যবসায়ীরা করিডোর দিয়ে আসা গরু ক্রয় করতে অনমনীয়তা প্রকাশ করলে করিডোরে আসা গরু, ছাগল অবিক্রিত থেকে যায়। বার বার লোকসান দেওয়ার কারণে সরকার ৫ মাসের মাথায় বালুখালী করিডোরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। সেই থেকে চোরাচালানীরা চোরাই পথে মিয়ানমার থেকে গরু ছাগল পাচার করে নিয়ে আসা অব্যাহত রাখে। প্রতিবছরই কোরবানের ঈদকে সামনে রেখে এসব পাচারকারী চক্র তৎপর হয়ে উঠে। নাম প্রকাশ না করার স্বত্তে আমতলী গ্রামের জনৈক বেশ’কজ জানালেন,   প্রতি রাতে সীমান্তের ডেইলপাড়া, আমতলী, করইবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে গরু-ছাগল আসছে। স্থানীয় সোর্স নামধারী এক চাঁদাবাজ  সহ আরো কয়েকজন, বিজিবি, পুলিশ, আনসার বিডিপি সহ বিভিন্ন সংস্থার নাম ভাঙ্গিয়ে পাচার হয়ে আসা প্রতি গরু থেকে এক হাজার ও ছাগল থেকে ৫’শ টাকা করে চাঁদা আদায় করে ওই সব গবাদি পশু  রাতারাতি রামু, কক্সবাজার সহ বিভিন্নস্থানে পৌঁছে দিচ্ছে। আমতলী বিজিবির সুবেদার সোহরাব হোসেন চোরাই পথে গরু-ছাগল আসার কথা অস্বীকার করেন।

উখিয়ায় শ্রম বাজার রোহিঙ্গা শিশুদের দখলে  দীপন বিশ্বাস              ২৯ আগষ্ট কক্সবাজারের উখিয়ার কতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গার বসবাস প্রায় দু’লাধিক। নিবন্ধিত ২৬ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা রেশন সামগ্রী পেলেও অনিবন্ধিত লাধিক রোহিঙ্গা দিন কাটাচ্ছে খেয়ে-না খেয়ে। ওই সব রোহিঙ্গাদের জন্ম নেওয়া প্রায় ১০ হাজারের অধিক শিশু কক্সবাজার সহ পার্বত্য জেলা বান্দরবানের গ্রামীণ জনপদ ও শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে হোটেল, রেস্তোরা, শিল্প-কলকারখানা ও ইট ভাটা সহ নানা স্থানে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এসব শিশুরা জানে না তাদের জীবনের ল্য উদ্দেশ্য কি! গন্তব্য কোথায়? এসব শিশুদের বয়স ৮-১৭ বছর। প্রায় ৩০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে দু’ক্যাম্পে। উক্ত  শরণার্থী শিবিরের ৮ হাজারের অধিক শিশু ক্যাম্পের অভ্যন্তরে এনজিওদের পরিচালিত ২২টি বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করলেও অনিবন্ধিত অধিকাংশ শিশু ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে জীবন বাচাঁতে শ্রমিকের কাজ করে বেড়াচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের শেষের দিকে  আড়াই লাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমার সামরিক জান্তার অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নের কথা বলে কক্সবাজার জেলার উখিয়া-টেকনাফের ২২টি রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নেয়। তাদের বিভিন্ন দেশের এনজিও সংস্থা সাহায্য, সহযোগিতা দিয়ে আসছিল। দু’ দেশের কুটনৈতিক পর্যায়ের সিদ্ধান্তে  ২লাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত গেলেও কুতুপালং ও নয়াপাড়া শিবিরে অবস্থান করছে নিবন্ধিত প্রায় ২৬ হাজার রোহিঙ্গা। সাড়ে ৭ হাজারের মত রোহিঙ্গার ছাড়পত্র থাকলেও মিয়ানমার সরকারের গড়িমসির কারনে গত ২০০৫ সালের মে মাসে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বন্ধ হয়ে যায়। ৯শতাধিক রোহিঙ্গা ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে চলে  যায়। আর পুরুষ রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগ মালয়েশিয়া সহ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে এবং কিছু রোহিঙ্গা সমুদ্রে মাছ শিকার করছে। শিশুদের অধিকাংশই গ্রামীণ জনপদে ভিাবৃত্তি, হোটেল রেস্তোরায়, কাঠ মিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, কলকারখানা, ইট ভাটা সহ নানা স্থানে স্বল্প মূল্যে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। যার ফলে শ্রমের বাজার চলে গেছে রোহিঙ্গা শিশুদের দখলে। উখিয়ার চায়ের দোকানে শ্রমিকের কাজ করে কুতুপালং ক্যাম্পে বসবাসকারী মৃত নুরুল আলমের ১০ বছরের শিশু জিয়াউর রহমান জানালেন, তার পরিবারে রয়েছে ভাই বোন মিলে ৪জন। তার পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে পরিবারে সবকিছু তার আয়ের উপর নির্ভর করে। একই ক্যাম্পের ছৈয়দ আহমদের ১৩ বছরের খালেক হোসেন জানালেন, তার পরিবারেও রয়েছে ভাই-বোন ৫ জন, তারই একই পরিণতি হওয়ায় চায়ের দোকানে কম বেতনে শ্রমের ঘানি টানতে হচ্ছে। উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ জালাল উদ্দিন জানান, ক্যাম্পের চারপাশে ঘেরা-বেড়া না থাকায় কোন রোহিঙ্গা কোন দিকে যাচ্ছে আর আসছে তা আমার জানা নেই। তবে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিশুরা পেটের দায়ে বাইরে গিয়ে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার কথা শুনেছেন বলে তিনি জানান।

দীপন বিশ্বাস ০১৮১৮৫৪০০৫৮

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT