টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ প্রশাসনে তিন লাখ ৮০ হাজার পদ শূন্য গোদারবিলের জামালিদা ও নাইট্যংপাড়ার ফয়েজ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার পরীমনির কান্না অথবা নিখোঁজ ইসলামি বক্তা এসএসসি-এইচএসসির পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি দেখে : শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফে পাহাড় ধ্বসে ৩৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ট্রাজেডি আজ পড়ে আছে বিলাসবহুল বাড়ি,নেই দাবিদার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লম্বাবিলে বাস—সিএনজির মুখোমুখী সংঘর্ষে রোহিঙ্গাসহ ২ জন নিহত

সরকার দলীয় এমপি বদির বিরল দৃষ্টান্ত গত সাড়ে চার বছরে উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৮ শত কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

01 (2)মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফঃ মহাজোট (আ:লীগ) সরকারের আমলে গত চার বছরে কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ (সীমান্ত) নির্বাচনী এলাকায় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদী প্রায় ৮ শত কোটি টাকার চেয়ে বেশী বিভিন্ন্ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।  প্রকল্প গুলোর মধ্যে রয়েছে, সড়ক, ব্রীজ, গ্রামীন, অবকাঠামো, স্কুলবভন, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন ভবন, বেড়ীবাঁধ, কার্পেটিং রাস্তা কর্মসৃজনের বিভিন্ন প্রকল্প কালভাট, বাউন্ডারী, মন্দির, কিয়াং, ফেউডা, কবরস্থান বাউন্ডারী গাইডওয়াল, জেটি, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় প্রশংসিত হয়েছেন। সাংসদ এর এপিএস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়াও এমপি সাহেবের ব্যত্তিগত তহবীল থেকে দুস্থ পরিবারের মধ্যে চাউল, কম্বল, পোসাক, জায় নামাজ, চিনি, চনা, তৈল, ঢাল ছাড়া ও নগদ অর্থ বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। বাকি কাজ অসমাপ্ত উনয়ন প্রকল্প এ সরকারের শেষ সময়ে করবেন বলে তিনি জানান, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদী বলেন, নির্বাচনোত্তর আমার প্রতিশ্র“তি গুলো পুরনে আমি যথাসাদ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। বাকী আল্লাহর মর্জি। তার মতে বিগত সাড়ে চার বছরে আসার নির্বাচনী এলাকা উখিয়া-টেকনাফে আমার সরকার আমলে হরতাল আওতামুক্ত ছিল এবং এ সময়ে রাজনৈতিকভাবে কোন ধরনের সহিংস গঠনা ঘটেনি। উন্নয়নে বাঁধ্যগস্থ হয়নি। এ দুই নির্বাচনী এলাকা উখিয়া-টেকনাফ সাম্প্রতিক জরীপ চালিয়ে জানা গেছে, এ দুই উপজেলার প্রত্যান্ত এলাকার তৃনমূল পর্যায়ে অসহায় গরীব এবং দুস্থ পরিবারের মধ্যে এমপি বদীর সাহায্য পৌছে গেছে সাহায্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য চাউল, কম্বল, লুঙ্গি, শাড়ি, থামি, নগদ অর্থ রমজানের নিত্য পণ্য সামগ্রী ছাড়া ও মসজিদ, মাদ্রাসা, মকতব ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান (কাবে) তার পৃষ্ঠপোষকতা এত্র সীমান্ত এলাকায় একটি বিরল দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছে। জরীপে সর্বশেষ রিপোট এবং পর্যালোচনা করে জানা যায়, এ ২ নির্বাচনী এলাকার ৭০ % শতাংশ গরীব মানুষ এমপি আব্দুর রহমান বদীর জন্য পাগল। বাকি ৩০% শতাংশ লোকের মধ্যে এর একাংশ শিতি লোক শেষ পর্যন্ত তার পে থাকবেন। তার উন্নয়ন এবং উদার হস্তে সাহায্য দেখে অনেকেই এই কথা বলতে শুনা যাচ্ছে এ ২টি কারনে ভবিষ্যতে এমপি বদীকে নির্বাচনে ঠেকানো যাবেনা। এ ২টি উপজেলার জনগণ দেশের অন্যান্য উপজেলার চেয়ে শিাদীায় সাংকৃতিক এবং রাজনৈতিক  সচেতনতার দিক থেকে অনেক পেছনে ছিল। এ সুযোগকে পুঁজি করে একশ্রেণীর রাজনৈতিক স্বার্থলোভী প্রভাব শালী মহল বার বার মতায় এসে নিজের ভাগ্যে পরিবর্তন করেছিল। কিন্তু দেশ ও জাতীর ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি তেমন। বার বার সংসদ সদস্য পদে অধিষ্ঠিত হবার পর সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ ছিল উন্নয়নের েেএ সিমতামূলব আচারন। তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার উন্নয়নের ছোয়া লাগলেও পরবর্তী সরকারের আমলে উন্নয়ন হয়েছে নামে মাত্র। শাহপরীরদ্বীপ রার্থে তৎকালীন সরকার বেড়ি বাধ নির্মানের জন্য শত শত কোটি টাকা বরাদ্ধ দিলেও এসব অর্থ ব্যপক হরিলুটের শিকার হয়েছিল। বর্তমান সরকার শাহপরীরদ্বীপ রার্থে টেকসই মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তৎকালীন জোট সরকারের আমলে শাহপরীরদ্বীপে যে পরিমাণ বেড়িবাধ নির্মাণ হয়েছে তাহা বাস্তবতার সাথে মিল নেই। যার জন্য বর্তমান সরকারকে তার খেশারত দিতে হচ্ছে।  কক্সবাজার জেলার শিা দীায় টেকনাফ উপজেলা একটি পিছিয়ে পড়া জনপদ। শিা এবং সাংকৃতিক ব্যবস্থাকে উন্নয়ন না করে শুধু মাত্র ভবন নির্মান কাজকে অগ্রাধিকার ধিয়েছিল। ফলে শিায় মৌলিক অধিকার থেকে টেকনাফ উপজেলা একেবারে বঞ্চিত ছিল। টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা থেকে সত্যিকার রাজনৈতিক নেতা সৃষ্টি হতে না পারে সে জন্য দলের মধ্যে বিভক্তি এবং মামলা দিয়ে প্রতিপরে দলের লোকজনকে কোনটাসা করে রাখছিল। প্রবাদ আছে উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকা থেকে যে দলের সংসদ সদস্য প্রার্থী বিজয় হয সে দল মতায় অধিষ্ঠিত হয়। তেমনি ভাবে এ নির্বাচনী এলাকায় মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানী একটি ফ্যাকটর হিসাবে পরিচিত। তিনি যে দলকে সমর্থন করতো সে দল মতায় যেতো। মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানী টেকনাফ সদর ইউনিয়নের একাদারে ৪ বার ইউপি চেয়ারম্যান এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। তার গোটা জীবনে ছিল জনগণের খেদমতের জন্য নিয়োজিত করে রাখছিল। টেকনাফ অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা হিসাবে এর উন্নয়ন অগ্রধিকার দাবী করে তৎকালীন সংসদ সদস্যদের প্রতি চাপ প্রয়োগ করেছিল। ফলে তাদের মধ্যে চলে আসে ফাটল এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ। এসব দ্বন্দ পরিহার করে মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানী তার সুযোগ্য পুত্র আব্দুর রহমান বদীর সাথে উখিয়া উপজেলা এক প্রভাবশালী এক সম্ভান্ত্র পরিবারের মরহুম ঠান্ডা মিয়ার মেয়ের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক হয়। এ বিবাহ ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। পরবর্তী আব্দুর রহমান বদী আওয়ামীলীগের হালধরেন এবং পরে তিনি টেকনাফ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি প্রতিপরে ১৯টি মিথ্যা মামলার শিকার হন। বিগত চারদলীয় এক্যজোট সরকারের সময় উপজেলা আইন শৃংখলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিঠির সভা শেষে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার প্রতি নির্যাতন ও একাধিক মিথ্যা মামলা এবং টেকনাফ পৌরসভার মেয়র পদ এবং চেয়ারে বসতে না পারা ইত্যাদি নিয়ে সীমান্ত এলাকার জনগনের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছিল। জনগন এর প্রতিশোধ নিতে ২০০৮ সালে উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আলহাজ্ব শাহাজাহান চৌধুরীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদী নির্বাচনের দেয়া প্রতিশুতি গুলো অরে অরে পালন করে যাচ্ছেন। এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমান বদী বলেন উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকা মূলত প্রধান সমস্যা শিা রোহিঙ্গা, চোরাচালান ও পর্যটন সমূহ। তিনি বলেন আমি মতায় থাকবো এসব সমস্যা সমূহ বাস্তবায়নে আমার প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে। মনে রাখতে হবে এসব সমস্যাগুলো আমার দেহ ও আতœার সমূতুল্য। বিশেষ করে শিার প্রতি আমার প্রচেষ্ঠা অগ্রধিকার থাকবে। কারন শিার উন্নয়ন ছাড়া অন্যান্য উন্নয়ন বৃথা। উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকার বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী করন চেষ্টা চালিয়ে যাবো। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যহত থাকার কারনে আমার নির্বাচনী এলাকার পরিবেশ মারাতœকভাবে ব্যহত হচ্ছে, পাশাপাশি চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা যুব সমাজকে ধংস করে দিচ্ছে তাই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যহত থাকার কারনে আমার নির্বাচিনী এলাকার পরিবেশ মারাতœকভাবে ব্যবহ হচ্ছে, পাশাপাশি চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা যুব সমাজকে ধংস করে দিচ্ছে। তাই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে না পারলে আমাদের যাবতীয় উন্নয়ন ব্যর্থ হিসাবে বিবেচিত হবে। তাই এ কারনে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি এবং প্রাকৃতিক বনজ সম্পদ ধংস হয়ে যাচ্ছে। তাই এ দুটো সীমান্ত এলাকাকে আধুনিক পর্যটনে রুপ নিতে হলে এর আগে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। এ কাজ শুধু সরকারের একার পে সম্ভবপর নয় এবং সবার সম্মিলত সাহায্য প্রয়োজন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি গত সাড়ে ৪ বছরে উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৮ শত কোটি টাকার চেয়ে বেশি বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করেছি। কাজ গুলো হচ্ছে রাস্তাঘাট, বেড়িবাধ নির্মাণ কাজ, ব্রীজ, শিা প্রতিষ্ঠান, ইউপি ভবন, ইত্যাদি আইন শৃংখলা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার নির্বাচনী এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি বিগত জোট সরকারের আমলের চেয়ে অনেক ভাল। বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য একটি পরাজিত দল চক্রান্ত চালিয়ে ঘোলাও পানিতে মাছ শিকার করছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির জন্য মূলতঃ রোহিঙ্গা অন্যতম কারণ। রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে মাঝে মধ্যে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটওে ইহা নিকের জন্য এবং এর প্রভাব যাতে এলাকায় না পড়ে সে জন্য আইন প্রয়োগ কারী সংস্থাকে বিশেষ ভাবে বলা হয়েছে। রোহিঙ্গা নাগরিক যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে এবং ভূমিতে তাদের বসতি স্থাপন এবং বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ এবং জমি ক্রয় করতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপকে কড়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সর্বোপরি উখিয়া-টেকনাফ আমার নির্বাচনী এলাকাকে একটি অত্যাধুনিক পর্যটন এবং মডেল উপজেলা সাজাতে তিনি জাতি ধর্ম এবং দলমত নির্বিশেষে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এদিকে গত  ২৭ জুলাই রমজান ও ঈদ উপলে হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার ও ঈদ সমাগ্রী বিতরণ অব্যহত রেখেছে। অনেকেই এ সাহায্য পেয়ে আতœাহারা হয়েছে। #####

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT