টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সরকারি দপ্তরে চলছে ঈদের ঘুষ বাণিজ্য

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৩
  • ১০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

images5সামনে ঈদ তাই বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা কর্মচারীদের উৎকোচ বা ঘুষের হারও বেড়ে গেছে। জেলার বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে ঈদ বোনাস বা ঘুষের জন্য সরকারি কর্মচারীদের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কারণে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আবার অনেক দপ্তরে বড় কর্মকর্তারাই ঈদের বকশিস দিতে উপকার ভোগীদের বাধ্য করছেন। জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের আওতাধীন রেকর্ড রুমে খতিয়ান তুলতে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন খুরুশকুলের আহসান উল্লাহ। তিনি বলেন আগে একটি খতিয়ান তুলতে ১০০/১৫০ টাকা দিতে হতো এখন গত ২ দিন ধরে ঈদ বোনাস হিসাবে আরো বাড়তি ১০০ টাকা অর্থাৎ ২৫০ টাকা দাবি করছে। আর তা না দেওয়ায় ২ দিন ধরে ঘুরাচ্ছে। এদিকে বিআরটিসি অফিসের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ অনেক দিন আগে থেকে। তবে ঈদ হিসাবে তা আরো বেড়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। রামুর জাফর আলম বলেন সিএনজি লাইসেন্স করতে ব্যাংকে প্রায় ২৪ হাজার টাকা জমা দিয়েছি। টাকা জমা দেওয়ার পর গাড়ি ফিটনেস দেখতে আসার পর বিআরটিসির কর্মচারীরা ৪ হাজার টাকা দাবি করছে এবং বলছে ঈদ হিসাবে একটু বেশি দিতে হবে। এছাড়া ট্রেজারী অফিস, ভূমি অফিস, শিক্ষা অফিস, ঔষধ প্রশাসন অফিস, কোর্ট পুলিশ ঈদ বোনাসের নামে সাধারণ মানুষকে চরম নাজেহাল করছে। হাজতি আসামীদের ্আত্মীয়স্বজনদের দেখা বা কথা বলার জন্য বা কোর্ট দিয়ে জামিন হলে জামিনের কাগজ দিতে কোর্ট পুলিশের যে গণহারে চাঁদাবাজি তা গত কয়েকদিন ধরে ঈদের দোহাই দিয়ে বেড়েছে বলে পুলিশের সামনে অভিযোগ করেন ২ জন আইনজীবী। এদিকে টিকাদার আবদুল হক, মনজুর আলম সহ কয়েকজন বলেন ঈদ বোনাসের কথা বলে ফাইল থেকে আগেই টাকা কেটে রাখছে বিভিন্ন প্রকৌশল দপ্তর। আবার শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশে বিল থেকে পারসেন্টটিজ হিসাবে কেটে রাখছে। অনেক ঠিকাদারের দাবি সারা বছর কাজের পেছনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পারসেন্টিজ দিয়ে আসি। আবার ঈদের সময় বাড়তি চাপ দেয় মনে হয় যেন ঈদ শুধু উনাদের জন্য এসেছে। ভুক্তভুগিরা বলেন- ঈদ বোনাসের নামে সরকারি দপ্তরগুলোতে ঘুষের হার বেড়ে গেছে। তবে কেউ কোন প্রতিবাদ করতে পারছে না। কারণ সবার অনেক টাকার কাজ সেখানে জমা আছে। এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মচারী বলেন মাসিক বিল ছাড় করতেও ঈদ হিসাবে অফিসে টাকা কেটে রাখছে। রেজিস্ট্রার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বলেন ৪ মাস পর বেতন পাচ্ছি তাও ঈদের আগে। তাই সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো তাদের ঈদ বোনাস হিসাবে টাকা কেটে বেতন দিয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ট্রাফিক পুলিশ গণপরিবহণ থেকে গণহারে চাঁদাবাজির অভিযোগ লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT