টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

সম্ভাবনা ও সম্পদে ভরপুর উখিয়ার কুতুপালং গ্রাম

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সম্ভাবনা ও সম্পদে ভরপুর উখিয়ার কুতুপালং গ্রাম এম বশর চৌধুরী, উখিয়া ::::ক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং গ্রামের ঐতিহ্য এখন কালের স্বাী হয়ে আছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে স্বাধীনতার ৪২ বছরেও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। উখিয়া থানা পরিষদ থেকে ৫ কিলোমিটার দেিণ কুতুপালং গ্রামের অবস্থান। লোক সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। ৬ হাজার   বড়–য়া, ৫ শতাধিক হিন্দু এবং অন্যান্ন ধর্মাবলম্বী, বাকীরা মুসলিম। জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ কৃষক, বাকীরা ব্যবসা বাণিজ্য ও বিদেশ প্রবাসী। কক্সবাজার টেকনাফ আরাকান সড়ক এ গ্রামকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। পশ্চিম পাড়া, দণি পাড়া, বাজার পাড়া, উত্তর পাড়া, ঘোনার পাড়া, স্বর্ণা পাহাড়, বড়–য়া পাড়া, হাঙ্গর ঘোনা, নাপিত পাড়া, চাকবনিয়া, কচু বনিয়া সহ ১৩টি মহল্লা নিয়ে এ গ্রামের অবস্থান। আয়তন প্রায় ৩ কিলোমিটার। এর উত্তরে ওয়ালাপালং, দরগাহবিল গ্রাম, পূর্বে নাই্যংছড়ি উপজেলার আজু খাইয়া গ্রাম, পশ্চিমে পাহাড়, শিা দীায় এ গ্রামের মানুষ পিছিয়ে নেই। শতকরা ৭০ ভাগ নারী-পুরুষ অরজ্ঞান সম্পন্ন। ধর্মীয় প্রতিষ্টান মসজিদ, মন্দির, ক্যাং সহ ২০ টি শিা প্রতিষ্টান রয়েছে। তৎমধ্যে ১টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি হাফেজিয়া মাদ্রাসা, ১টি হেফজ খানা, ৩টি মসজিদ, ৩টি বৌদ্ধ মন্দির, এনজিও পরিচালিত ১০টি শিশু শিা স্কুল রয়েছে। শিা দীায় যেমন এ গ্রামের মানুষ অগ্রগামী তেমনি সংস্কৃতির দিক দিয়ে এতদঞ্চলের মানুষ আরও বেশি অগ্রসর, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টানে এখানকার মুসলিম ও বড়–য়ারা যৌথ ভাবে আয়োজন করে থাকে। জাতিগত দিক দিয়ে ভেদাভেদ থাকলেও এরা একে অপরের সুখ দুঃখের চির সাথী। তাদের    আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিবছর এখানে চলে নাটক, পালাগান, যাত্রাগান, জারিগান, কবিতা পাঠ ও পুতি পাঠের আসর। যার কারণে সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে জেলায় কুতুপালং গ্রামের সুখ্যাতি আছে। পৌরানীক কাহিনী থেকে জানা যায়, ১৬ শ সালের দিকে কুতুপালং গ্রামে প্রথমে বসতী গড়ে উঠে। তৎকালীন মগ সম্প্রদায় আরাকান থেকে এসে কুতুপালং আবাদ করে বসতী স্থাপন করেন। ১৭‘শ সালের দিকে কুমিল্লা জেলা থেকে ধনাঢ্য পরিবারের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের ৫ জন ভাই এসে কুতুপালংয়ে বসতী স্থাপন করেন। এর পর থেকে বৌদ্ধদের বংশ পরস্পরায় বিস্তার লাভ করে। কুতুপালং এলাকার স্থানীয় সাংবাদিক নুরুল হক খান জানান, ১৮‘শ সালের ১ম দিকে অজ্ঞাত এলাকা থেকে জনৈক আধ্যাত্বিক সুফি সাধক কুতুপালংয়ের বর্তমান উত্তর জামে মসজিদের দেিণর বেতবন এলাকায় এসে ধ্যানে মগ্ন হন। তার নাম ছিল কতুব আওলিয়া। তিনি যে বেতবনে অবস্থান করতেন সে বেতবনে একটি অলৌকিক পালংয়ে (খাটে) ধ্যানে মগ্ন হতেন। এর পর থেকে স্থানীয় লোকজন কুতুব অঅওলিয়ার কুতু এবং অলৌকিক পালং থেকে পালং সংযোজন করে গ্রামের নাম কুতুপালং নাম করণ করেন। স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, এ এলাকায় যুগে যুগে যারা নেতৃত্ব দিয়ে সমাজ আলোক বর্তিকা প্রজ্বলন করে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন, প্রয়াত মোনন্দ বড়–য়া। তিনি দণি কক্সবাজার অঞ্চল থেকে ১ম কলকাতা থেকে গোল্ড মেডেল নিয়ে গ্রেজুয়েশন প্রাপ্ত। প্রয়াত মাষ্টার যোগেন্দ্র বড়–য়া, তিনি তৎকালিন ব্রিটিশ পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও মরহুম সেকান্দর আলী ফকির, মরহুম হাকিম আলী চৌধুরী, মরহুম আব্দুল মজিদ সিকদার, মরহুম হাজী নুর আহম্মদ, মরহুম জাফর আলম চৌধুরী, মরহুম দেলোয়ার মাষ্টার, মরহুম হিমাংশু বড়–য়া, এডভোকেট ছমি উদ্দিন, ডা.  আলী হোছাইন সুমন, মাষ্টার অরবিন্দ বড়–য়া, অমিয় বড়–য়া, বাদশা মিয়া চৌধুরী, বখতেয়ার মেম্বার, আব্দুল হক মেম্বার, আবুল হোছন মেম্বার,  সাংবাদিক ওবাইদুল হক চৌধুরী আবু, এখানকার উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি।অনুসন্ধানে দেখা গেছে,  রাজাপালং ইউনিয়নের প্রকৃতিক সম্পদ ও সম্ভাবনাময় স্থানের মধ্যে কুতুপালং অন্যতম। পাহাড়, খাল, বনভুমি সমৃদ্ধ এ গ্রামটি দণি কক্সবাজারের একটি প্রসিদ্ধ গ্রাম। এখানে রয়েছে, জেলার বৃহত্তম জলাশয় মাছকারিয়া ডেবা, এটি জেলার অন্যতম ধান উৎপাদনকারী স্থান হিসাবে প্রসিদ্ধ।

 

এম বশর চৌধুরী, উখিয়া ::::ক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং গ্রামের ঐতিহ্য এখন কালের স্বাী হয়ে আছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে স্বাধীনতার ৪২ বছরেও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। উখিয়া থানা পরিষদ থেকে ৫ কিলোমিটার দেিণ কুতুপালং গ্রামের অবস্থান। লোক সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। ৬ হাজার   বড়–য়া, ৫ শতাধিক হিন্দু এবং অন্যান্ন ধর্মাবলম্বী, বাকীরা মুসলিম। জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ কৃষক, বাকীরা ব্যবসা বাণিজ্য ও বিদেশ প্রবাসী। কক্সবাজার টেকনাফ আরাকান সড়ক এ গ্রামকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। পশ্চিম পাড়া, দণি পাড়া, বাজার পাড়া, উত্তর পাড়া, ঘোনার পাড়া, স্বর্ণা পাহাড়, বড়–য়া পাড়া, হাঙ্গর ঘোনা, নাপিত পাড়া, চাকবনিয়া, কচু বনিয়া সহ ১৩টি মহল্লা নিয়ে এ গ্রামের অবস্থান। আয়তন প্রায় ৩ কিলোমিটার। এর উত্তরে ওয়ালাপালং, দরগাহবিল গ্রাম, পূর্বে নাই্যংছড়ি উপজেলার আজু খাইয়া গ্রাম, পশ্চিমে পাহাড়, শিা দীায় এ গ্রামের মানুষ পিছিয়ে নেই। শতকরা ৭০ ভাগ নারী-পুরুষ অরজ্ঞান সম্পন্ন। ধর্মীয় প্রতিষ্টান মসজিদ, মন্দির, ক্যাং সহ ২০ টি শিা প্রতিষ্টান রয়েছে। তৎমধ্যে ১টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি হাফেজিয়া মাদ্রাসা, ১টি হেফজ খানা, ৩টি মসজিদ, ৩টি বৌদ্ধ মন্দির, এনজিও পরিচালিত ১০টি শিশু শিা স্কুল রয়েছে। শিা দীায় যেমন এ গ্রামের মানুষ অগ্রগামী তেমনি সংস্কৃতির দিক দিয়ে এতদঞ্চলের মানুষ আরও বেশি অগ্রসর, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টানে এখানকার মুসলিম ও বড়–য়ারা যৌথ ভাবে আয়োজন করে থাকে। জাতিগত দিক দিয়ে ভেদাভেদ থাকলেও এরা একে অপরের সুখ দুঃখের চির সাথী। তাদের    আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিবছর এখানে চলে নাটক, পালাগান, যাত্রাগান, জারিগান, কবিতা পাঠ ও পুতি পাঠের আসর। যার কারণে সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে জেলায় কুতুপালং গ্রামের সুখ্যাতি আছে। পৌরানীক কাহিনী থেকে জানা যায়, ১৬ শ সালের দিকে কুতুপালং গ্রামে প্রথমে বসতী গড়ে উঠে। তৎকালীন মগ সম্প্রদায় আরাকান থেকে এসে কুতুপালং আবাদ করে বসতী স্থাপন করেন। ১৭‘শ সালের দিকে কুমিল্লা জেলা থেকে ধনাঢ্য পরিবারের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের ৫ জন ভাই এসে কুতুপালংয়ে বসতী স্থাপন করেন। এর পর থেকে বৌদ্ধদের বংশ পরস্পরায় বিস্তার লাভ করে। কুতুপালং এলাকার স্থানীয় সাংবাদিক নুরুল হক খান জানান, ১৮‘শ সালের ১ম দিকে অজ্ঞাত এলাকা থেকে জনৈক আধ্যাত্বিক সুফি সাধক কুতুপালংয়ের বর্তমান উত্তর জামে মসজিদের দেিণর বেতবন এলাকায় এসে ধ্যানে মগ্ন হন। তার নাম ছিল কতুব আওলিয়া। তিনি যে বেতবনে অবস্থান করতেন সে বেতবনে একটি অলৌকিক পালংয়ে (খাটে) ধ্যানে মগ্ন হতেন। এর পর থেকে স্থানীয় লোকজন কুতুব অঅওলিয়ার কুতু এবং অলৌকিক পালং থেকে পালং সংযোজন করে গ্রামের নাম কুতুপালং নাম করণ করেন। স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, এ এলাকায় যুগে যুগে যারা নেতৃত্ব দিয়ে সমাজ আলোক বর্তিকা প্রজ্বলন করে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন, প্রয়াত মোনন্দ বড়–য়া। তিনি দণি কক্সবাজার অঞ্চল থেকে ১ম কলকাতা থেকে গোল্ড মেডেল নিয়ে গ্রেজুয়েশন প্রাপ্ত। প্রয়াত মাষ্টার যোগেন্দ্র বড়–য়া, তিনি তৎকালিন ব্রিটিশ পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও মরহুম সেকান্দর আলী ফকির, মরহুম হাকিম আলী চৌধুরী, মরহুম আব্দুল মজিদ সিকদার, মরহুম হাজী নুর আহম্মদ, মরহুম জাফর আলম চৌধুরী, মরহুম দেলোয়ার মাষ্টার, মরহুম হিমাংশু বড়–য়া, এডভোকেট ছমি উদ্দিন, ডা.  আলী হোছাইন সুমন, মাষ্টার অরবিন্দ বড়–য়া, অমিয় বড়–য়া, বাদশা মিয়া চৌধুরী, বখতেয়ার মেম্বার, আব্দুল হক মেম্বার, আবুল হোছন মেম্বার,  সাংবাদিক ওবাইদুল হক চৌধুরী আবু, এখানকার উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি।অনুসন্ধানে দেখা গেছে,  রাজাপালং ইউনিয়নের প্রকৃতিক সম্পদ ও সম্ভাবনাময় স্থানের মধ্যে কুতুপালং অন্যতম। পাহাড়, খাল, বনভুমি সমৃদ্ধ এ গ্রামটি দণি কক্সবাজারের একটি প্রসিদ্ধ গ্রাম। এখানে রয়েছে, জেলার বৃহত্তম জলাশয় মাছকারিয়া ডেবা, এটি জেলার অন্যতম ধান উৎপাদনকারী স্থান হিসাবে প্রসিদ্ধ।

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT