টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে ব্যাংকে লেনদেন এখন সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ল মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ

‘সমগ্র জাতি জানতে চায় ২৫ অক্টোবর কী হবে’

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৩
  • ২২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম মিয়ারফিকুল ইসলাম মিয়া আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে উত্তপ্ত দেশের রাজনীতি, মুখোমুখি সরকার ও বিরোধী দল। ২৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেই সমাবেশ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলো ডটকমের সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক মন্ত্রী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া। গতকাল মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে কথোপকথনের উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হলো:
: ২৫ অক্টোবর আপনারা সমাবেশ ডেকেছেন। একই দিন আওয়ামী লীগও সমাবেশ ডেকেছে। এবারও কি ২০০৬ সালের অক্টোবরের মতো অবস্থা হতে যাচ্ছে?
রফিকুল ইসলাম মিয়া: ২৫ অক্টোবর নিয়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপি কী ভাবছে, তার চেয়েও বড় হলো মানুষ কী ভাবছে। সাধারণ মানুষ খুব বেশি ভাবছে। আজ (গতকাল মঙ্গলবার) সকালে কারওয়ান বাজারে গেলাম। সবাই জানতে চায়, স্যার, ২৫ অক্টোবর কী হবে। তাঁদের কেউ কেউ বলেছেন, ‘২৫ অক্টোবর যদি আপনারা রাজপথে থাকতে না পারেন, তাহলে আমরা বিএনপির রাজনীতিতে আর থাকতে পারব বলে মনে হয় না। আপনারা যদি শক্ত আন্দোলন করতে না পারেন, আমরা হয়তো ঘর থেকেই বের হতে পারব না।’

সমগ্র জাতি জানতে চায় ২৫ অক্টোবর কী হবে। আমি মনে করি এর জন্য সরকার দায়ী। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ১২৩(৩) ক ধারা অনুযায়ী ২৪ অক্টোবরের পর থেকে নির্বাচনের সময় শুরু হওয়ার কথা। সে কারণে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ২৪ অক্টোবরের মধ্যে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ঘোষণা আসবে। তা না হলে আন্দোলন তীব্রতর হবে। একটি সমাবেশের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচি দেওয়া হবে। এটি স্বাভাবিক বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে আমরা হতাশ হয়েছি। তিনি বলছেন, সংসদ না থাকলে সে অবস্থায়ও স্পিকার অধিবেশন ডাকতে পারেন।

সংবিধানের ৭২-এর ৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে, শুধু যুদ্ধাবস্থায় নতুন পার্লামেন্ট হয়নি, আগের পার্লামেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, কোনো সংসদ নেই অর্থাত্ নির্বাচনকালীন সময়ে প্রয়োজন দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি ভেঙে যাওয়া সংসদ ডাকতে পারেন। যুদ্ধ মানে কিন্তু বহিঃশত্রুর আক্রমণ।

আমি শঙ্কিত আসলে সংসদ নির্বাচন হবে কি না। যদি প্রধানমন্ত্রী সংসদ নির্বাচনের কথা ভাবতেন তাহলে কেন তিনি এই বার্তা দিলেন?

সব মিলিয়ে আমার মনে কোনো দ্বিধা নেই, সম্ভবত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি যুদ্ধাবস্থা ‘ফোরসি’ করছেন।

 এর মধ্যে আপনাদের ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা বলেছেন, প্রয়োজনে দলীয় নেতা-কর্মীদের দা-কুড়াল নিয়ে প্রস্তুত থাকার জন্য। এ ধরনের বক্তব্য কতটা গণতান্ত্রিক? এ বক্তব্য উসকানি বাড়াচ্ছে কি না?

রফিকুল ইসলাম: আমরা সভা ডেকেছি। আমাদের যদি সভা করতে দেওয়া না হয়, উল্টো ফায়ার আর্মস দিয়ে আক্রমণ করা হয়, জখম করা হয়, তাহলে আমরা কী করব? সে অবস্থায় সেলফ ডিফেন্স বলে তো একটি আইনি ভাষা আছে। কেউ যদি বিশ্বাস করে সে আক্রমণের শিকার হচ্ছে, সে হত্যার শিকার হচ্ছে, তাহলে আত্মরক্ষার্থে সে প্রতি-আক্রমণ করতে পারে। আমি মনে করি, সাদেক হোসেন খোকা সাহেব ওই পয়েন্ট অব ভিউ থেকে কথা বলেছেন

ডটকম: যদি সরকারি দল ২৪ অক্টোবরের পরও সংসদ চালায় আপনাদের অবস্থান কী হবে? আপনারা কি সংসদ থেকে পদত্যাগ করবেন?

রফিকুল ইসলাম: সে বিষয়ে যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে

ডটকম: ২৫ অক্টোবর সমাবেশের অনুমতি না পেলে আপনাদের অবস্থান কী হবে?

রফিকুল ইসলাম: সমাবেশের অনুমতি না পেলে বিএনপি ঘরে বসে থাকবে না। প্রয়োজনে অনুমতি ছাড়াই বিএনপিকে রাস্তায় যেতে হবে।

ডটকম: ২৫ অক্টোবরের সমাবেশ থেকে কী ধরনের কর্মসূচি আসতে পারে?

রফিকুল ইসলাম: লাগাতার হরতাল, রাজধানী বিচ্ছিন্ন করে রাখার মতো কর্মসূচি আসার সম্ভাবনা আছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে কর্মসূচি নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর।

ডটকম: আপনাদের জোটের অন্যতম শরিক জামায়াত ও তার ছাত্রসংগঠন শিবির সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে ব্যাপক সহিংসতা দেখিয়েছে। আপনাদের জোটগত আন্দোলনে তাদের ওপর আপনারা কতটুকু নির্ভরশীল?

রফিকুল ইসলাম: আত্মরক্ষা ছাড়া আইনকে নিজের হাতে নেওয়ার কোনো অধিকার কারও আছে বলে আমি মনে করি না। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একসঙ্গে কাজ করতে যতটুকু সহযোগিতা দরকার, বিএনপি ততটুকুই নির্ভর করবে। তার বাইরে কোনো কিছু নয়, যেমনভাবে আওয়ামী লীগ তার শরিকদের ওপর নির্ভরশীল।

তবে আমরা ভুলি নাই মাওলানা আজিজুল হক সাহেবের সঙ্গে ২০০৬ সালে শেখ হাসিনা একটি সমঝোতা করেছিলেন। বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য আওয়ামী লীগ যখন জামায়াতের সঙ্গে সার্বিক আন্দোলনে যায়, তখন আপনারা অনেক সাংবাদিক নীরব থাকেন। একই কাজ বিএনপি করলে আপনারা বেশি সরব থাকেন বলে আমার মনে হয়।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT