টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ;;;;ককসবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে দূর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্চাচারিতার গুরুতর অভিযোগ উঠছে। এতে দিন দিন ভেঙ্গে পড়ছে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। জিম্মি হয়ে পড়ছে উপজেলার প্রায় ৫শতাধিক শিক্ষক কর্মচারী। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ফেনী জেলার সাবেক শিবির ক্যাডার গোলামুর রহমান চৌধুরী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে প্রায় বছর দেড়েক পূর্বে যোগদান করে। এরপর থেকে অফিস সহকারী মিলন বড়–য়া দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারই যোগসাজশে শুরু হয় নানা দূর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্চাচারিতা। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান- টাইমস্কেল, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, প্রশিক্ষনোত্তর বেতন, বার্ষিক বর্ধিত বেতন, চিকিৎসা ছুটি, উচ্চ শিক্ষার অনুমতি, মাতৃত্ব ছুটি, বকেয়া বেতনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে শিক্ষা অফিসে টাকা না দিলে দিনের পর দিন ধর্না দিয়েও সুরাহা মিলেনা। অফিস সহকারী মিলন প্রাকাশ্যে শিক্ষা অফিসারের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতি কার্যক্রমে নির্দিষ্ট অংকের উৎকোচ আদায় করেই ছাড়ে, নয়ত ফাইল নড়ে না। বদল হয় না টেবিল। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্লিপ্ততার কারণে এসব শিক্ষকদের নাজেহাল ও হয়রানী হতে হয় উক্ত কর্মচারীর নিকট। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হয়রানির শিকার শিক্ষকরা জানান, সরকারী নীতিমালা মোতাবেক চলতি সনের শুরুতে শিক্ষক বদলিকে কেন্দ্র করে টার্গেট ভিত্তিক বড় ধরনের বাণিজ্য করে উক্ত দুইজন। এ বাণিজ্যে তাদের চাহিদা পুরণ না করায় প্রাপ্য বদলি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে স্ব-স্ব এলাকার শিক্ষকদের। অপরদিকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নীতিমালা বর্হিভুত ভাবে বহিরাগত উপজেলা থেকে শিক্ষক আমদানী বাণিজ্য করে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এভাবে উক্ত চক্র ককসবাজার সদরের ঈদগাঁও মাছুয়াখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী সহকারী শিক্ষক অধির দে কে বাড়ির পার্শ্ববর্তী স্কুল ঈদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবেদন করার পরও দরিদ্র শিক্ষক অধির তাদের দাবীকৃত উৎকোচ পুরণে ব্যর্থ হওয়ায় তার বদলি হয়নি। নীতিমালা অনুসারে শুন্য পদ সমুহ পুরণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিধি থাকলেও তা না করে গোপনে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বহিরাগতদের বদলির সুযোগ করে দেয়। তাদের এ অনিয়ম ও দূর্নীতিতে সহযোগিতা করে কিছু সুবিধাভোগী শিক্ষক নেতা নামধারী দালাল চক্র। তারা এভাবে বিধিমালার তোয়াক্কা না করে দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সদরের অসংখ্য বিদ্যালয়ে বহিরাগত শিক্ষকদের বদলি করে । বিভিন্ন উপজেলা থেকে ককসবাজার সদরের ঈদগাঁও কালির ছড়া সপ্রাবি, ঈদগাঁও দক্ষিণ মাইজপাড়া সপ্রাবি, চৌফলদন্ডী খোনকারখীল সপ্রাবি, ঈদগাঁও সপ্রাবি ও ইসলামপুর ধর্মের ছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদেরকে বদলি করে। দুরদুরান্ত থেকে বদলি হয়ে আসা এসব শিক্ষকরা যথা সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়াতে দিন দিন শিক্ষা দীক্ষায় পিছিয়ে থাকা উপজেলার গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা নাজুক পর্যায়ে পৌঁছছে। বিধি মোতাবেক স্থানীয় শিক্ষকেরা বদলির অগ্রাধিকার পেলে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার মানোন্নয়ন হত বলে সচেতন মহল মত প্রকাশ করেন।
এ দূর্নীতিতে জড়িত কর্মকতা, কর্মচারী ও শিক্ষক নামধারী দালাল চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। এ ব্যাপারে অভিযোগ উঠা কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তারা শনিবার ছুটির দিন বলে অফিস সময়ে যোগাযোগের জন্য বলেন।
সূত্র ঃ সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT