টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচন : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই :প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ১৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক…সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি যা বললেন-
00 বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন
00 সময় মতো নির্বাচনের জন্য আমি রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবো
00 নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা কত সদস্যের রাষ্ট্রপতি তা ঠিক করবেন
00 তত্ত্বাবধায়ক দাবি করা গণতান্ত্রিক অধিকার
নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সর-কারের দাবি আবারও নাকচ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোনো প্রয়োজন নেই। একইসঙ্গে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হবে না বলেও জানিয়েছেন। নিজে প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল থেকে এবং বর্তমান দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, যখন সময় আসবে তখন আমি রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করে বলবো-আমরা এই সময়ে নির্বাচন করতে চাই। রাষ্ট্রপতি যে নির্দেশ দেবেন সে অনুযায়ী নির্বাচন হবে। নির্বাচনের সময় কতজনের মন্ত্রিসভা থাকবে সেটিও রাষ্ট্রপতিই বলবেন এবং তিনিই সময়মতো সংসদ ভেঙ্গে দেবেন। এটি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। রাষ্ট্রপতির নির্দেশ মোতাবেক একটি তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তার জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।
এরশাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র ওয়েস্ট মিনিস্টার গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী সাধারণ সরকার প্রধান নির্বাচন করতে হবে বলে রাষ্ট্রপতিকে প্রস্তাব দেন। রাষ্ট্রপতি নির্দেশ দেন এবং সে অনুযায়ীই নির্বাচন হয় আওয়ামী লীগের ইমাজউদ্দিন প্রামাণিকের এ সম্পর্কিত সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলেই যে নির্বাচন হবে, এর গ্যারান্টি কোথায়? আবার যদি ১/১১’র মতো সরকার আসে তাহলে সংবিধান কার্যকর থাকবে না, ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দীন-ইয়াজউদ্দিনের মতো সরকার চলতেই থাকবে। এর ফলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে। অতীতে যারা ঐ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল তাদের কথা আলাদা। যারা ১/১১’র সরকারের সময়ে নির্যাতিত হয়েছেন তারা ভুলে যাননি-সে সময় কি দম বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়েছিল।
একই প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় যে কেউ যেকোনো দাবি বা কথা বলতেই পারে। দাবি করার স্বাধীনতা যেকোনো মানুষেরই রয়েছে। বিরোধী দলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যারা এখন তত্ত্বাবধায়কের দাবি করছেন তারা যদি অতীতের অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যান তাহলে বলার কিছু নেই। যারা এ দাবি করছেন সেটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তাদের মনে রাখা দরকার, ’৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে তারা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সংসদে এনে বসিয়েছিল।
জাপার চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যারা এখন তত্ত্বাবধায়কের দাবি করছেন এবং টিভি টকশো করে যারা টিভি ফাটিয়ে ফেলছেন তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আমরা এবার ক্ষমতায় আসার পর ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপ-নির্বাচনসহ প্রায় ছয় হাজারের মতো নির্বাচন হয়েছে। এসব নির্বাচন সম্পর্কে কেউ একটি অভিযোগও করতে পারেনি। একটি দলীয় সরকারের অধীনে এরকম শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ’৭৫ এর পর বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো হয়নি। আগামীতেও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইসিকে আরও শক্তিশালী করার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
ইমাজউদ্দিন প্রামাণিকের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাজোট সরকারের অধীনে যেকোনো ধরনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেশে ফিরে এসেছে। এজন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোনো প্রয়োজন নেই। ’৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকারের ভোটচুরি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার যে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে, সে অভিজ্ঞতা দেশের জনগণের মনে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। আবার যদি এ ব্যবস্থা আসে, আর যদি ক্ষমতা না ছাড়ে তাহলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে। সে সাথে এ কথাও বলতে চাই যে, বিশ্বের কোনো গণতান্ত্রিক দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু আছে মর্মে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য আমাদের জানা নেই।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের মালিক দেশের জনগণ। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র কখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে না। অনেক জেল, জুলুম, অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করে জনগণের ভোটের যে অধিকার ফিরিয়ে এনেছি তা আর ব্যাহত হতে দিতে পারি না। জনগণ চাইলে আমরা আবারও ক্ষমতায় আসবো, না চাইলে আসবো না-আমরা এই নীতিতে বিশ্বাসী।
ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের জানামতে বিশ্বের কোনো গণতান্ত্রিক দেশে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সকল সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার বিধান রয়েছে বিধায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার একটি বিতর্কিত নির্বাচন করে। যে নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের মানুষ বর্জন করেছিল। সারাদেশে সেনা মোতায়েন করে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় ‘সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬’ সুপ্রিম কোর্ট ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন। জাতীয় সংসদে সর্বদলীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশ মোতাবেক গত বছরের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিভক্তি ভোটে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে বিধায় এ ব্যবস্থা চালু নেই। সংবিধান সংশোধন করে সংসদীয় গণতন্ত্র এবং ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
সংসদ নেতা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চালু থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের পূর্বে ২০ মে সেনা অভ্যুত্থান হয়েছিলো, যা সফল হয়নি বলে গণতন্ত্র রক্ষা পায়। ২০০১ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম দিনই ১৩ জন সচিবকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করে এবং প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন করে। বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা সারাদেশে হত্যা, খুন ও নির্যাতন চালায়। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালে ইয়াজউদ্দীন রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায়ই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার ভোটারলিস্টে থাকা অবস্থায় নির্বাচনের প্রচেষ্টা নেন। ফলে সরকারের উপদেষ্টারা পদত্যাগ করেন। আবার তিনি নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেন। কয়েক দফা এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে ১/১১’র ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করেন। সেনা সমর্থনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়ে তিন মাস অর্থাত্ ৯০ দিনের স্থলে প্রায় দুই বছর ক্ষমতায় থেকে যায়। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের উপর নির্যাতন চালাতে থাকে। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সকল স্তরের মানুষ গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা হয়রানির শিকার হয়। দেশব্যাপী যুদ্ধাবস্থা না থাকা সত্ত্বেও দুই বছর ধরে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকে। দল ভাঙ্গা ও নতুন দল গড়ার খেলাও শুরু হয়। এ অবস্থায় জনগণ দেশে ও বিদেশে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দেশের ভিতর ও আন্তর্জাতিক চাপে ফখরুদ্দীন সরকার নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।
এদিকে অ্যাডভোকেট সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে প্রকাশ্য দিবালোকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা করা হয়। আমি কোনভাবে বেঁচে গেলেও আমরা হারিয়েছি আমাদের নেত্রী আইভি রহমানসহ আরো অনেক নেতা-কর্মীকে। শত শত নেতা-কর্মী এখনো শরীরে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার নিয়ে যন্ত্রণাকাতর দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার মানসেই জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটিয়েছে। দেশটাকে একটি জঙ্গি ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এ ধরনের সন্ত্রাসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলো। তিনি আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাস করে না তাদের পক্ষেই এসব জঘন্য কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিলীন করার উদ্দেশ্যেই গ্রেনেড হামলা করেছিলো। তারপর তারা ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা করেছিলো। দেশের বিভিন্ন জেলায় গ্রেনেড হামলাসহ যে সকল হামলা সংঘটিত হয়েছে সে সকল ঘটনায় দায়ের করা মামলার মধ্যে কিছু মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট মামলার বিচার কাজ অব্যাহত আছে।
তানভীরের উত্থান হাওয়া ভবন থেকে, জিয়া
পরিষদের নেতা ছিলেন হুমায়ুন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির হোতার (তানভীর মাহমুদ) উত্থান ‘হাওয়া ভবন’ থেকে। তত্ত্বাবধায়ক সকারের সময় যেখানে অন্য ব্যবসায়ীরা পালিয়েছেন সেখানে এই হোতা আরও ফুলেছে। আর সোনালী ব্যাংকের যে এমডি (হুমায়ুন কবির) ছিলেন, তিনি ছিলেন জিয়া পরিষদের নেতা। তারপরও আমরা এই কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি, সে যেই হোক বিচার করব, দুদক মামলা করবে, সে ব্যবস্থা হচ্ছে। গতকাল বুধবার সংসদ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হলমার্ক কেলেঙ্কারি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ব্যাংক লুট কে শিখিয়েছে? যারা ক্ষমতায় এসে দল ভেঙেছে, অন্য দল থেকে লোক ভাগিয়ে এনেছে তারাই প্রথম ব্যাংক লুটপাট ও ঋণ খেলাপী সংস্কৃতি শুরু করে। মানি লন্ডারিং কারা করেছে? বিরোধী দলীয় নেতার পুত্রের মানি লন্ডারিংয়ের ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে ধরা পড়েছে। বিদেশিরা এতে সাক্ষ্য দিয়েছেন, টাকা জব্দ করা হয়েছে। এরপর লুটপাট নিয়ে কথা বলার তাদের (বিরোধী দলের) আর কি সুযোগ আছে!
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আদালতে হাজির না হয়ে বারবার সময় নেয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইন-আদালতের প্রতি তার কোনো সমীহ নেই। আদালত বারবার সমন দিলেও অসুস্থতার কথা বলে তিনি হাজির হন না। অথচ পরবর্তিতে দেখা যায় তিনি সুস্থ এবং আমাদের বিরুদ্ধে যা খুশি বলছেন। যদি দুর্নীতি না-ই করেন তাহলে আদালতে যেতে ভয় কিসের? বিরোধী দলীয় নেতা নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত, তার দুই পুত্রও দুর্নীতিগ্রস্ত। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মাসে মাসে তাকে টাকা দেয়া হয়েছে পুত্রদের লেখাপড়া করানোর জন্য। কি ডিগ্রি পেয়েছেন তার পুত্ররা? মানি লন্ডারিং ডিগ্রি?

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

One response to “সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচন : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই :প্রধানমন্ত্রী”

  1. Mv Habib says:

    shomossha kisher? Precident er shathe chukti kore rekhechi r taar gharh ta akto muta dhoroner to tar upor paa rekhe ak lafe paar hoe jabo.
    Tobe chinta hosche ei lafe bikkupdho jonotar majamaji porbonaa to?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT