রোহিঙ্গা শিবিরে অপরাধ থেকে বিরত থাকতে কর্মীদের প্রতি আরসার অনুরোধ

প্রকাশ: ১৪ মার্চ, ২০১৯ ১:১৯ : পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অপরাধ সংগঠন থেকে বিরত থাকতে নিজেদের অনুসারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এমন তথ্য জানিয়েছে।

আশ্রয় শিবিরে হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের দায় তাদের ওপর বর্তানোর প্রেক্ষাপটে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) এ অনুরোধ রেখেছে।

২০১৬ সালে রাখাইন রাজ্যে সীমান্ত ফাঁড়িতে হামলার মধ্য দিয়ে আরসার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের অধিকারকে সামনে রেখেই তাদের আবির্ভাব।

মিয়ানমার সরকার তাদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আরসাকে উৎখাত করতে রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন অভিযানে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

সম্প্রতি শরণার্থী শিবিরগুলোতে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডসহ সহিংসতার জন্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো আরসাকে দোষারোপ করে আসছে। সংগঠনটি এসব অপরাধের নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছে।

টুইটারে দেয়া এক ভিডিও বিবৃতিতে আরসা জানায়, এসব অপরাধী কেবল বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধেই যাচ্ছেন না, বরং তারা নিজেদের অপরাধের দায় আরসার ঘাড়ে চাপাচ্ছেন। এসব অপরাধের কারণে বিশ্বব্যাপী রোহিঙ্গাদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের অপরাধ করা থেকে বিরত থাকতে অনুসারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।

২০১৭ সালের আগস্টের শেষ দিকে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধনযজ্ঞের পর সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আসেন। জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র যেটাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

আরসা জানায়, বৈধ অধিকার আদায়ে বার্মিজ সন্ত্রাসী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। মৌলিক অধিকার ফিরে পাওয়ার আগ পর্যন্ত মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে হামলাও চলবে বলে জানায় তারা।


সর্বশেষ সংবাদ