টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

রোহিঙ্গা বিষয়ে টেকনাফের সুশীল সমাজ,জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের প্রতিক্রিয়া

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২
  • ২৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আমিনুল ইসলাম,নীলা..সম্প্রতি রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কক্সবাজার জেলাসহ দেশব্যাপী আলোচনা -সমালোচনা চলছে। রোহিঙ্গা বাংলাদেশী নাগরিকদের জীবনে কি প্রভাব ফেলছে তা নিয়ে টেকনাফের সুশীল সমাজ, জনপ্রতিনিধি ও সচেতনমহলে যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে তা পাঠকদের জন্য তুলে। ( অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী,
সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র-সহ-সভাপতি) (ছবি আছে) অতীত সরকারের ব্যর্থতায় রোহিঙ্গা আজ অভিশাপ

সরকারকে ধন্যবাদ ঃ তাদের আর না।

মিয়ানমারে রাখাইন যুবতী ধর্ষনের জেরধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সুত্রপাত হয়। এরই জেরধরে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। অনেক স্থান দিয়ে চুরি করে ঢুকছে। এদের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুগোপযোগী সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটে ১৯৭৭/৭৮ সাল  এবং ১৯৯১সাল হতে। তাদের অনুপ্রবেশ নতুন কিছুই না। বর্তমানে টেকনাফের নয়াপাড়া ও কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে ২৫হাজারের অধিক রোহিঙ্গা রয়েছে। এ ছাড়াও অসংখ্য রোহিঙ্গা কক্সবাজার জেলাসহ সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। অতীত সরকার সমুহের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিগত ৭বছর ধরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন  না থাকায় বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। যার নির্দশন লেদা রোহিঙ্গা বস্তি । এসব রোহিঙ্গাদের কারণে এতদাঞ্চলে নানা অপরাধ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সৃষ্টি হচেছ। বনভূমি বিনষ্ট ও পাহাড় দখল করছে। শ্রমবাজার দখল ,চুরি-ডাকাতিতে জড়িত হচেছ। স্থানীয় জনসাধারণ বার্মাইয়া রোহিঙ্গারা থাকুক তা চাইনা। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমুহ জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী দল সমুহের আয়ত্বে থাকায় রোহিঙ্গাদের স্বশস্ত্র রাজনৈতিক ট্রেনিং দেয়। ১৯৭৬সালে উখিয়ার  কুতুপালং ও সোনার পাড়া  থেকে ৪১রোহিঙ্গা জঙ্গিকে আটক করা হয়েছিল। পরে যাদের শাস্থিও হয়েছিল।

আমি ১৯৯১সালে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালে দেখেছি -আরএসও নামের একটি সংস্থার ব্যানার বেঁধে সরকারী পৃষ্টপোষকতায় আহলান-সাহলান বলে শ্লোগানে রোহিঙ্গাদের স্বাগতম জানানো হয়েছিল। তৎকালীন জেলা প্রশাসক ছিলেন দাউদউজ্জামান,কমিশনার উমর ফারুক সাহেব সরকার রোহিঙ্গাদের ঢুকতে না দিয়ে বাস্তব ভিত্তিক পদক্ষেপ নেয়।

বর্তমানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়া সময়ের দাবী বলে আমি মনে করি। ######################

(এইচ এম ইউনুচ বাঙ্গালী-ভাইস চেয়ারম্যান-টেকনাফ উপজেলা।) (ছবি আছে)

যেজাতি নিজদেশের স্বীকৃতি আদায় করতে পারেনা ঃতাদের জন্য এত কান্না কেন

রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। রোহিঙ্গাদের কারণে এতদাঞ্চলের খাদ্য সংকট চলছে। আইন-শৃংখলার মারাতœক অবনতি ঘটছে। রোহিঙ্গা প্রতিরোধ সকলের নৈতিক দায়িত্ব । কিছু কুচক্রীমহল জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে বিভ্রান্ত করতে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা চালাচেছ্ এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তবে মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মুসলিমদের উপর যে নির্যাতন চালাচেছ  তা মানবাধিকার লংঘনের শামিল । জাতি সংঘের মাধ্যমে সেদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

রোহিঙ্গা আর নয় ; মানবিক কারণে আর্ন্তজাতিক মহলকে সহায়তার হাত বাড়াতে হবে।

(মীর কাশেম-চেয়ারম্যান,হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ । )   (ছবি আছে)

উখিয়া-টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিয়ে আমরা যে বিব্রতকর অবস্থায় আছি ;তাতে দেশের জাতীয় স্বার্থে তাদের অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া ঠিক হবেনা। কিন্তু মানবিক দিক দিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্যাতন,তাদের মানবিক বিপর্যয়রোধে আর্ন্তজাতিক মহলকে এসব দমনে সোচচার হয়ে  সহায়তার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসতে হবে। অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা লোজনের জন্য পর্যাপ্ত  পরিমাণ আর্ন্তজাতিকভাবে ত্রাণ দেওয়া দরকার। #####

(মোহাম্মদ হোছন মেম্বার-৩নং ওয়ার্ড, হ্নীলা ইউপি) (ছবি আছে)

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের বোঝা ঃ আর্ন্তজাতিক হস্তক্ষেপ দরকার ।

বর্তমানে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বোঝা স্বরূপ। তাদের কর্মকান্ড দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তাদের অনুপ্রবেশ যেকোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় পঙ্গুত্বদের সর্বাতœক সহায়তা প্রদানের জন্য আর্ন্তজাতিক মহলের নিকট আহবান জানাই।

(মমতাজুল ইসলাম মনু,আহবায়ক-টেকনাফ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি ) (ছবি আছে)

আন্তরিকতা থাকলে অনুপ্রবেশ রোধ সম্ভব ।

কড়া নজরদারী থাকলে সীমান্ত কতটা রক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তার জ্বলন্ত প্রমান সীমান্তের মানুষ নিজ চোখে দেখেছে এ কদিন ধরে। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবির আন্তরিকতা না থাকলে শুধুমাত্র দায়িত্ববোধ থেকেই এর নিয়ন্ত্রণ হয়তো সম্ভব হতোনা। আমি মনে করি আন্তরিকতা,দায়িত্বানুভুতি জাগ্রত থাকলে সীমান্তে চোরাচালান থেকে শুরু করে যাবতীয় অপরাধ পুরোপুরি রোধ করতে না পারলেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ####################

বাঙ্গালীরা দেশপ্রেম ছেড়ে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হইওনা

রোহিঙ্গারা বাণিজ্যের স্বীকার হওয়ায় স্বাধিকার বঞ্চিত

(হুমায়ুন রশিদ- মানবাধিকার ও সংবাদকর্মী,টেকনাফ ।)       (ছবি আছে)

বাংলাদেশের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে ২১শতকের শূরু থেকে রোহিঙ্গা নাগরিকেরা বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হয়েছে। অনুপ্রবেশকাল হতে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাণিজ্য শুরু হয়। সীমান্তের দালালেরা মাথাপিছু টাকা নেয়। যার অংশীদার বিজিবির,থানা পুলিশসহ বিভিন্ন স্থরের লোকজন। বিদেশ থেকে চাঁদা উত্তোলনের জন্য রোহিঙ্গাদের দাওয়াত দিয়ে বিভিন্ন মক্তব – এতিম খানায় ৫০/১০০টাকা হাদিয়ার বিনিময়ে ভিডিও করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে গিয়ে ভিক্ষার নামে মোটাংকের চাঁদা আদায় করে। আদায়কৃত এসব টাকা এতিম ও হেফজখানায় না দিয়ে নিজেদের জন্য রম্যপ্রসাদ,ভাড়াবাসা-বাড়ি তৈরী করে। ছেলে-মেয়েদের নামে সম্পত্তি ও গাড়ি কিনে রাস্তায় নামিয়ে দেন। রোহিঙ্গাদের পণ্য বাণিয়ে হঠাৎ কোটিপতি হওয়া যায় বিধায় তাদের নিয়ে এ বাণিজ্য । তাদের সেবার নামে কিছু এনজিও কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। স্থানীয়ভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য রোহিঙ্গা নারীদের দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দিয়ে সস্থায় মানুষ খুন করা হয় এবং চুরি-ডাকাতি কাজে ব্যবহার করা হয়। রোহিঙ্গা শিশুদের দিয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলা দিয়ে স্থানীয় লোকজনকে হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। তারা সরকারী বনভুমি ও পাহাড় দখলে রেখেছে। রোহিঙ্গাদের ভেতর নেতৃত্বদানকারী নেতারা জঙ্গি তৎপরতাকে সমর্থন করে । দেশীয় শ্রমিকদের স্থান দখল করে নিয়েছে রোহিঙ্গা শ্রমিকেরা । যাদের কারণে বাংলাদেশের উক্ত সীমান্ত পয়েন্ট সমুহে মরার উপর খড়ার ঘার মতো রোহিঙ্গারা বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে । তাদের নিয়ে দেশে রাজনৈতিকদল,মিডিয়াকর্মী,প্রশাসন ও জনতা দুধারে বিভক্ত হয়ে উঠছে। অনেক বাঙ্গালী দেশপ্রেম ছেড়ে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হইওনা । সুতরাং নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করা আমি মেনে নিতে পারিনা । রোহিঙ্গা নিয়ে বাণিজ্যকারী  সকলকে চিহ্নিত করে শাস্তিমুলক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। ###############

(মফিজুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা ) (ছবি আছে)

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ আর নই ঃ  স্বাধিকার ফিরিয়ে দিতে আর্ন্তজাতিক দ্রুত হস্তক্ষেপ চাই

মিয়ানমারে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে আর্ন্তজাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা প্রদানের জন্য আর্ন্তজাতিক সংস্থার দ্রুত সহায়তা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু আশ্রয়ের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশে অবস্থান নিয়ে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করুক তা দেশ-প্রেমিক কেউ মেনে নিতে পারিনা। সুতরাং রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কঠোর হস্তে দমন করা দরকার।

(নুরুল হোছাইন আজাদ , ব্যবসায়ী) (ছবি আছে)

রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ নয় ;নিজ দেশেই জনমত গড়তে হবে।

আমরা অতীতে রোহিঙ্গাদের ধার্মিক ভাই হিসেবে আশ্রয় দিয়ে এখন পস্থাচিছ। তাদের কারণে রক্ত দিয়ে কেনা দেশ বর্হিবিশ্বে হেয়প্রতিপন্ন হচেছ। জাতি ভাই হিসেবে তাদের উপর হামলা ও নির্যাতন বন্ধ করতে বিশ্ব জনমত গঠনের আহবান জানাচিছ। তবে তাদের এদেশে আর অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া ঠিক হবেনা। #

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

৩ responses to “রোহিঙ্গা বিষয়ে টেকনাফের সুশীল সমাজ,জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের প্রতিক্রিয়া”

  1. Younus Azgary says:

    যুগান্তকারী মতামতের জন্য সকলকে ধন্যবাদ।রোহিঙ্গাদেরকে ফিলিস্তিনের জনগণের মতো দৃঢ় মনোবল নিয়ে নিজ ভূখন্ডে থেকে জালিমের সম্মুখে এগিয়ে যাওয়াই একমাত্র পথ।বারবার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে তাদের ভাগ্য যে কোনদিন পরিবর্তন হবেনা তা অতীথ থেকেই শিক্কা নেওয়া উচিৎ।রোহিঙ্গাদের নিয়ে যারা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্চেন তাদের চিহ্নিত করে দৃস্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচি্‌ছ।

  2. jahangir says:

    assalamu alaikum shokol ke , dhanna bad, kintu ROHINGYA kara ?
    is it before 1947 ? or before 1971 ? or 1978 ? or modern rohingya , mone kichu anben na please, amar dharona jara money less tara yi , rohingya
    allah hafez

  3. abu taher says:

    I am completely agree to solve the rohingya issue ASAP. above mentioned people who have expressed their opinion about rohingya with very much patriotic attitude, i appreciate on their statement, but reality is that some of them wife is from rohingya, some of them fostering rohingya around their village, some of them doing business with rohingya in different side etc. and also encouraging rohingya to come in bd and helping them to do free movement.
    so, readers you can guess how contradictory statement we are delivering to people. So be honest, try to come to the point with realistic manner campaigning to the global world through different media to solve this inhumane and injustice situation on this vulnerable ethnic minority of rakhaine state where identity crisis issue becoming challenge as a human being in terms of basic human right

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT