হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে হবে : উখিয়ায় মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শহিদুল ইসলাম উখিয়া ::

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আশিয়ানভুক্ত দেশগুলো খুবই উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে হবে। তবে তাদের প্রত্যাবাসন হতে হবে অবশ্যই নিরাপদ এবং স্বেচ্ছামুলক। রাখাইনে তাদেরকে স্বাধীনভাবে চলাচলের সুযোগ দিতে হবে।

রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, জামতলী সহ বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফ উদ্দিন আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের নাগরিত্ব ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে আশিয়ানভুক্ত দেশ সমূহ মিয়ানমারের সাথে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মালয়েশিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা, জাতিগত নিধনসহ রোহিঙ্গা মুসলমানরা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যে কারণে ১১ লাখেরও অধিক রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে কক্সবাজার জেলার উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়। শুধু তাই নয়, একই কারণে মিয়ানমারের রাখাইনেও দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে নিজ দেশেই ক্যাম্প জীবন-যাপন করছে।

রোববার সকাল ১০ টায় মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন আবদুল্লাহ উখিয়া ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন টিএন্ডটি এলাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়া ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন সেবাকক্ষ ঘুরে দেখেন।

তিনি চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোহিঙ্গাদের দেখভাল করেন।

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়া হাসপাতালে নিয়োজিত ডাক্তারদের পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, নির্যাতিন নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের সব সময় পাশে থাকবে মালয়েশিয়া সরকার। ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের সাথে বিকেলে মালয়েশিয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বৈঠক করেন বলে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম জানান।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.