টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

রামুতে ভন্ড বৈদ্য হাশিমের প্রতারণা শিকার সাধারণ মানুষ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর, ২০১২
  • ১১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক…রামুর রশিদ নগর পূর্ব হামির পাড়া এলাকায় এক ভন্ড বৈদ্যের প্রতারণায় সাধারণ মানুষ অতীষ্ট হয়ে পড়েছে। তার বিরুদ্ধে মাটির নিচ থেকে গুপ্তধন তুলে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতারণা পূর্বক মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ভন্ড বৈদ্য রোহিঙ্গা আবুল হাশিম সহ একটি প্রতারক চক্র রশিদ নগর পূর্ব হামির পাড়া এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে গুপ্তধন তুলে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কথিত আছে রোহিঙ্গা আবুল হাশিম পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র মিয়ানমার থেকে দেশে আসার পর থেকে একের পর এক বিয়ে করেই যাচ্ছে এবং সুযোগ বুঝে তার সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। রোহিঙ্গা আবুল হাশিম বর্তমানে রশিদ নগর হামির পাড়া এলাকায় তার ৪ স্ত্রী সহ বসবাস করছে বলে এলাকাবাসী জানায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত মাস খানেক আগে আবুল হাশিম বৈদ্য একই এলাকার মকতুল হোছনের স্ত্রী জাহানারা বেগমকে গুপ্তধন তুলে দেওয়ার লোভ দেখায়। জাহানারা বেগমের কাছ থেকে বৈদ্য আবুল হাশিম ৮৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে বৈদ্য হাশিম ও তার স্ত্রী মবিনা বেগম (২৫) এবং মনোয়ারা বেগম (২০) প্রতারণার পূর্বক জাহানারা বেগমকে স্বর্ণের রং মিশানো একটি ডেক্সি, একটি মুর্তি ও দশটি লোহার পাত তুলে দেয়। এতে রোহিঙ্গা আবুল হাশিমের প্রতারণা বুঝতে পারে জাহানারা। এদিকে ওই প্রতারক চক্র একই এলাকার হাফেজ মোঃ আবদুল¬াহ এর স্ত্রীকে ফুসলিয়ে গুপ্তধন তুলে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ফরিদা বেগমের কাছ থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোহিঙ্গা আবুল হাশিমের বিরুদ্ধে এলাকায় এই রকম অহরহ প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গত ৬ অক্টোবর প্রতারণার শিকার ফরিদা বেগম ৩ জনকে অভিযুক্ত করে রামু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। ফরিদা বেগম বলেন, রোহিঙ্গা আবুল হাশিম আমার বাড়ীতে গুপ্তধন আছে বলে আমাকে জানায় এবং গুপ্তধন তুলে দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। আর এক প্রতারণার শিকার জাহানারা বেগম বলেন, রোহিঙ্গা হাশেম তার বাড়ী থেকে গুপ্তধন তুলে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে ৮৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে তাকে স্বর্ণের রং মিশানো ১০টি লোহার পাত, ১টি ডেক্সি ও মূর্তি দেয়। রোহিঙ্গা আবুল হাশিম, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। প্রতারণার শিকার এলাকাবাসী রোহিঙ্গা ভন্ড বৈদ্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT