টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

রাজঘাটে পাহাড় কাটা ও বন জমি দখলের মহোৎসব

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৩
  • ১১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Image-Eidgah-1মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫। উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের অধিন রাজঘাট বিটের পাহাড় ও থলি জমি দখল করে চাষাবাদ অব্যাহত রাখলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা নেই। এতে করে পাহাড় কর্তন, বন উজাড় ও পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয়ের পাশাপাশি দখলবাজ ভূমিদস্যূরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সরেজমিন পরিদর্শনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইসলামাবাদ গজালিয়া মৌজার ২নং সিটের ১২০৮ দাগের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ প্রায় ৪ একর বন ও থলি জমিতে ভূমিদস্যুরা ব্যক্তিগত চাষাবাদে মেতে উঠেছে। বন বিভাগের উক্ত জমিতে ১৯৯৮ সালে সৃজিত বাগানের প্রায় ২ হাজার আকাশ মণি গাছ কেটে শশা চাষ এবং পতিত জমিতে রূপান্তরিত করে ধান রোপন করা হচ্ছে। পাহাড় কাটার মাঠি দ্বারা ভরাট করা হচ্ছে খতিয়ানি জমি। অথচ ২০০৯ সালে উক্ত জমি স্থানীয় মধ্যম ভোমরিয়াঘোনার আব্দুল আজিজের পুত্র মো. আনোয়ার হোসাইনের নামে নামজারি খতিয়ান সৃজিত হয়েছে। যার নং- ২৬৫। গজালিয়া ১ নং খাস খতিয়ান সহ দু’খতিয়ানের প্রায় ৪০ একর বন জমি গত ৩ মাস পূর্বে বনদস্যুরা পতিত জমিতে পরিণতকরণ ও নানা চাষাবাদের উপযোগি করেছে। রাজঘাটের মৃত আমির হোসেনের পুত্র সৌদি প্রবাসী আমির হামজা এবং মধ্যম গজালিয়ার মৃত কেরামত আলীর পুত্র গোলাম কুদ্দুসের সহায়তায় স্থানীয় কতিপয় ভূমিদস্যু প্রভাব খাটিয়ে বন জমি দখল করে তাতে ধানসহ নানা চাষাবাদ অব্যাহত রেখেছে। এতে বন বিভাগের অপূরণীয় ক্ষতির পাশাপাশি লাখ লাখ টাকার জমি ভরাট হয়ে গেছে স্থানীয় কৃষকদের। এহেনতর কর্মকান্ডের প্রতিকার দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. আনোয়ার হোসাইন, ছৈয়দ আকবর, মোস্তাক আহমদ, আব্দুচ ছালাম প্রমুখ। নিজস্ব জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন তারা। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বন বিভাগকে অবহিত করা হলে ও তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া থেকে এযাবৎ বিরত রয়েছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষা, সরকারী বন জমি দখলমুক্ত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ কল্পে বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে অভিযোগ দেয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT