টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

রহস্যময়ী সুন্দরী নারী কূটনীতিকের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর রগরগে কাহিনী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৩
  • ৫১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Scandal-11_1অল ক্রাইমস : রহস্যময়ী সুন্দরী নারী কূটনীতিক শাহনাজ গাজীকে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণার জেরে দারুণ ভেঙে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী( মিডিয়া) মাহববুল হক শাকিল। প্রধানমন্ত্রীর তৎকালীন ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি ওই ঘটনায় এতটাই সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছিলেন যে এক পর্যায়ে আত্মহত্যারও চেষ্টা চালিয়েছিলেন বলে ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা শাহনাজ গাজীকে মাহবুবুল হক শাকিল ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন বলে প্রচার করা হয়। ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পরে নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফিরে আসেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারির পদটিও ছাড়তে হয় তাকে। তবে শাহনাজ গাজী ছিলেন বহাল তবিয়তে। ওই ঘটনার পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলসে বাংলাদেশ মিশনে ডেপুটি কনসাল জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে এবছরের শুরুতে চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের নতুন মিশন খোলা হলে শাহনাজ গাজীকে কনসাল জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

ধারণা করা হয় মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে সরকারের আরও প্রভাবশালীদের সঙ্গে দ্রুত সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন শাহনাজ গাজী। অবশ্য সরকারের একজন মন্ত্রী মর্যাদার গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে শাহনাজ গাজীর আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই না, শাকিলের সাথে বিশেষ সম্পর্ক থাকার সুবাদে এই রহস্যময়ী সুন্দরী শাহানাজ গাজী শাকিল ছাড়াও সরকারের অনেক ক্ষমতাশালী মহলের সাথেও গভীর সু সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।

রহস্যময়ী সুন্দরী নারী কূটনীতিক শাহনাজ গাজীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহববুল হক শাকিলের রগরগে কাহিনী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগে ফাঁসীর দণ্ডপ্রাপ্ত খুনির সাথে আত্মীয়তা! রহস্যময়ী সুন্দরী নারী কূটনীতিক শাহনাজ গাজীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহববুল হক শাকিলের রগরগে কাহিনী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগে ফাঁসীর দণ্ডপ্রাপ্ত খুনির সাথে আত্মীয়তা! একাধিক সূত্র জানায়, ওই ঘটনায় শাকিলের কোনো দায় ছিল না এ ব্যাপারে আশ্বস্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে ২০১২ সালের ১২ জানুয়ারি আরও উচ্চতর পদে (বিশেষ সহকারী, মিডিয়া) নিয়োগ দেন। কিন্তু এর মধ্যে শাকিলের কর্মজীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে যায়।

জানা গেছে, নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে আইএমএফের সাবেক প্রধান স্ত্রস কানের বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাকে প্লেনে উঠিয়ে দেয়। নিউইয়র্কের ওই হোটেলেই মাহবুবুল হক শাকিলের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নারী কর্মকর্তাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অথচ তিনি ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে স্বেচ্ছায় নিউইয়র্ক ছাড়েন। তাই তার বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ যদি সত্যি হতো তাহলে তাকেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশে ফিরতে বাধ্য করা হতো বলে তার ঘনিষ্ঠরা মনে করেন।

বিস্ময়কর হল নিউইয়র্কে শাকিল ধর্ষণ চেষ্টা চালিয়েছেন এমন অভিযোগের পর নিশ্চুপ ছিলেন শাহনাজ গাজী। কিন্তু ওই ঘটনায় পর গুলশানের অভিজাত সামদাদো রেস্টুরেন্টে শাহনাজ গাজীকে মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে। সামদাদো রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক বরকতুল্লাহ ফারাজী বাবুল অল ক্রাইমস টিভিকে জানান, শাকিল স্যার ও শাহনাজ ম্যাডাম বহুবার আমাদের রেস্টুরেন্টে এসেছেন। পত্র-পত্রিকায় তাদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরও বেশ কয়েকবার তারা ওই রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে গিয়েছেন এবং সময় কাটিয়েছেন বলে জানান তিনি। ওই রেস্টুরেন্টের কর্মচারী আলবার্ড অল ক্রাইমস টিভিকে বলেন, ‘ বিভিন্ন সময় আমি শাকিল স্যার ও শাহনাজ ম্যাডামের হাস্যজ্জ্বল দৃশ্যের ছবি তুলে দিয়েছি।’

অল ক্রাইমস টিভির সাথে টেলিফোন সাক্ষাতকারে বলেন তাঁরা দুই জনেই নিউ ইয়র্ক কেলেঙ্কারির পরেও একাধিক বার ‘বিশেষ কক্ষে’ শাকিল এবং এই রহস্যময়ী সুন্দরী শাহানাজ গাজী ঘণ্টার পর ঘণ্টা খাওয়া দাওয়ার ছলে ‘একান্তে’ থেকেছেন।

তাঁরা দুই জনেই স্বীকার করেন যে, তাঁরা যখন গভীর একান্তে সময় কাটাতো,তখন সেখানে কারোই প্রবেশাধিকার ছিল না।

অন্যদিকে রহস্যময়ী সুন্দরী শাহানাজ গাজীর সাবেক এই স্মার্ট বয় ফ্রেন্ড শাকিলের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র অল ক্রাইমস টিভিকে জানিয়েছে যে, এই নারী সরকারী কর্মকর্তার সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগে ফাঁসীর দণ্ড প্রাপ্ত এক খুনির আত্মীয়তা নিয়ে সরকারের উপর মহলে ভীষণ অস্বস্তি রয়েছে। কিন্তু এই রহস্যময়ী সুন্দরী শাহানাজ গাজীই আবার সরকারে মন্ত্রি পদ মর্যাদার এক প্রভাশালি নারী নেত্রির সাথে বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়তা থাকার সুবাধে বর্তমান সরকারের আমলেই সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন। এই বিষয়ে কথা বলার জন্য শাহানাজ গাজীর সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

অন্যদিকে যোগাযোগ করা হলে মাহবুবুল হক শাকিল বলেন, ‘নিউ ইয়র্কের ঘটনায় আমি পুরোপুরি নির্দোষ ছিলাম। এটা সত্য যে ওই কূটনীতিকের সঙ্গে আমার ভাল বন্ধুত্ব ছিল।’

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT