যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের আমলসমূহ

প্রকাশ: ২২ জুলাই, ২০২০ ৮:২৫ : অপরাহ্ণ

.
১) নখ-চুল না কাটা। যিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা যাবার পর হতে কোরবানির পশু জবাই না করা পযর্ন্ত নখ-চুল/লোম এসব কাটা যাবেনা।[ইবনে মাজাহ-৩১৪৯]

২) জিলহজ্ব মাসের প্রথম নয় দিন সিয়াম পালন করা। [তিরমিযী-৭৫৮]

৩) জিলহজ্ব মাসের ১হতে-১০ তারিখ বেশি বেশি ইবাদত করা, বিশেষ করে রাতগুলোতে। [বোখারী-৯২৬]

৪) বিশেষ করে আরাফার দিন অর্থাৎ ৯ যিলহজ্ব সিয়াম পালন করা।(এটার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এসেছে হাদিসে, রাসুল সঃ বলেছেন যারা হজ্ব করতে পারেনা তারা আরাফার দিন রোযা রাখবে)
[সহীহ মুসলিম-৭৪০]

৫) তাকবিরে তাশরীক পড়া। ০৯ই জিলহজ্ব ফযর হতে ১৩ই জিলহজ্ব আসর পযর্ন্ত প্রত্যেক নামাযের পর একবার তাশরিক পড়া ওয়াজিব। তাশরিক: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর ওয়ালিল্লাহিল হামদ। পুরুষরা বড় আওয়াজে এবং নারীরা ছোট আওয়াজে পড়বে। [ফাতওয়া সামী-৬১, ইলাউস সুনান-১৪৮]

৬) কোরবানির ঈদের রাতে ইবাদাত করা। [ইবনে মাজাহ-১৭৮২]
[যদিও হাদিসটি দুর্বল]

৭) ১০ই জিলহজ্ব কোরবানি করা,১০ তারিখ সম্ভব না হলে ১১,ও ১২ই জিলহজ্ব করা।
[সুনানে নাসাঈ-১০৫১২,তিরমিযী-১৪৯৩]

৮) ঈদের দিন ঈদুল আযহার সালাত আদায় করা।[ইবনে মাজাহ-১২৭৭]

৯) ঈদ ও আইয়্যামে তাশরীকে সিয়াম পালন না করা।মানে ১০,১১,১২,ও ১৩ই জিলহজ্ব রোযা রাখা হারাম। [বোখারী-১৯৯৭]
উল্লেখ্য, আরবি মাসের প্রতি ১৩,১৪,১৫ তারিখ আইয়্যামে বীজের রোযা রাখার নির্দেশ আছে, কিন্তু জিলহজ্ব মাসে সেটা ১৪,১৫,১৬ তারিখ রাখতে হবে, কারণ জিলহজ্ব মাসের ১৩ তারিখ রোযা রাখা যাবে না।


সর্বশেষ সংবাদ