টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

মোবাইলফোনে নারী উত্ত্যাক্তকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি …ইভটিজিংকারীদের দৌরাত্ম

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ১১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এইচ.এন.আলম ও মোঃ রেজাউল করিম…ঈদগাঁওতে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে মোবাইলফোনে নারী উত্ত্যাক্তকারীর সংখ্যা। কিশোর যুবতী থেকে বুড়োরা পর্যন্ত এর থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। স্কুল, মাদ্রাসা,কলেজগামী ছাত্রী ও প্রবাসীদের স্ত্রীরা নিকট এ সমস্যায় বেশী জর্জরিত। বিব্রতকর এ পরিস্থিতি থেকে যেন নিস্তার পাওয়ার কোন পথ খোলা নেই। আর সে থেকে শুরু হয়ে যায় উত্ত্যাক্ততা। এক শ্রেনীর বখাটে যুবকেরাই এসব অপকর্মের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠান ছুটির সময় ছাত্রীদেরকে অশুভ আচরণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চলছে। কোন কোন ক্ষেত্রে রিজার্চ সেন্টারের মালিকেরা ওইসব বখাটেদেরকে ফোন নাম্বার সরবরাহ করার মত গুরুতর অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সচেতন অভিভাবক এ প্রতিনিধির কাছে অভিযোগ করে বলেন তার বাড়ী হতে কলেজের দূরত্ব অনেক বেশী হওয়ায় যাতে মেয়ের খোঁজ খবর রাখা যায় সেজন্য তিনি মেয়ে রোজিনা (ছন্মনাম) একটি মোবাইল ফোন কিনে দেন। এর কিছুদিন পর অপরিচিত নাম্বার থেকে ঘন ঘন ফোন আসতে থাকে মেয়ের মোবাইলে। কৌতুহল বসত একদিন তিনি ফোন রিসিভ করলে ও প্রাপ্ত থেকে কুরুচিপূর্ণ সব কথাবার্তা শুনে ফোনের লাইন কেটে দেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন এই যদি হয় অবস্থা বলুন কি ভাবে মেয়েকে কলেজে পাঠাব। তিনি আরও বলেন মেয়ে কলেজ থেকে না ফেরা পর্যন্ত তিনি খুব উদ্বিগ্ন থাকেন। ফোন রিসিভ করলে ও প্রান্ত থেকে বিশ্রী সব মন্তব্য ছোঁেড় দেয়া হয়। উত্ত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে আপনারা আইনগত পদক্ষেপ নেন না কেন জানতে চাইলে লোক লজ্জার ভয়ে তারা এরকম বাধ্য হয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য আইনী সহায়তা নেন না বলে জানায়। এত মাত্র হাতে গোনা দু’ এক জনের কথা,অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এরকম আরও হাজার হাজার নারী একই রকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এমনকি এসব অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করার কারণে নিরপরাধ অনেক নারীর সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার মত নজিরও রয়েছে বৃহত্তর ঈদগাওর বিভিন্ন মফশ্বলে। সরকার এ ব্যাপারে আইন প্রণয়ন করলেও তার সুফল মিলছে না। এখন থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে বখাটেদের সাহস দিন দিন আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। বখাটের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকল মহলের
সারা দেশে চলছে ইভটিজিং নিয়ে চলছে হৈচৈ। ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে সরকারের নানা ব্যবস্থা গ্রহণের পরও থামছে না ইভটিজিংকারীদের দৌরাত্ম। কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা শিকার হচ্ছে ইভটিজিংয়ের ভয়াবহতায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা কেজি স্কুল, গার্লস স্কুল, হাইস্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা ছুটির সময় মাস্তান প্রকৃতির অনেক যুবক আশে পাশে ঘুরাফেরা করে। তাদের অনেকের মাথায় থাকে লম্বা চুল, হাতে চুড়ি, আরো কতো কি? ইভটিজিংকারীদের বেশির ভাগই মটর সাইকেল নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশে পাশে ঘুরাফেরা করে। ইভটিজিংয়ের শিকার কয়েকজন ছাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এ সমস্ত যুবকরা প্রতিদিন স্কুলের আশে পাশে জড়ো হয়। স্কুলে আসা যাওয়ার সময় তারা তাদের উদ্দেশ্যে করে অনেক অশ্লীল কথাবার্তা বলে । এমনকি পথিমধ্যে নানা রকম কু-প্রস্তাব ও দিয়ে থাকে। ফলে ছাত্রীরা স্কুল কলেজে আসা যাওয়াতে আতংকগ্রস্ত থাকে। ইভটিজিংকারীদের ব্যাপক দৌরাত্মে অভিভাবকরা ও শংকিত। শিক্ষকরা জানান,কোন ছাত্রী বা অভিভাবক যদি ইভটিজিংকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আসেন তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু ভূক্তভোগী অনেক ছাত্রী সাধারণত অভিযোগ করেনা। কারণ ইভিজিংকারীরা যে কোন সময় বড় ঘটনা ঘটাতে দ্বিধাবোধ করবেনা। তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও কয়েকদিনের মধ্যে জামিনে এসে আরোও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। এ ভয়ে অভিভাবকেরা

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT