টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে কোস্টগার্ড স্টেশনের প্রশাসনিক ভবন অফিসার্স মেস ও নাবিক নিবাস উদ্বোধন টেকনাফে সার্জিক্যাল ডটকম এর পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রাজারবাগের পীরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার নির্দেশ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ১০ হাজার ৮৪০ প্যাকেট চাইনিজ সিগারেটসহ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ হাইকোর্টের সেকশন থেকে রাজারবাগ পীরের বিরুদ্ধে করা মামলার নথি গায়েব জাওয়াদে উত্তাল সমুদ্র: সেন্টমার্টিনে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : প্রভাব বাংলাদেশে, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রবালদ্বীপের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালম ইন্তেকাল আজ সোমবার সূর্যগ্রহণ বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা ৭ মিনিট পর্যন্ত

মুফতি ইজাহার জামিনে মুক্ত

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::: গ্রেফতারের প্রায় দেড় বছর পর নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত হেফাজত নেতা মুফতি ইজাহারুল ইসলাম জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে মুফতি ইজাহারকে মুক্তি দেয়া হয়েছে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার জাহিদুল ইসলাম।

ইজাহারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, ইজাহারের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা ছিল।  সব মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।

জানতে চাইলে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার (উত্তর) পরিতোষ ঘোষ বাংলানিউজকে বলেন, মুফতি ইজাহার মুক্তি পেলেও তাকে নজরদারিতে রাখা হবে।  এছাড়া ফখরুল আবেদিন নামে এক হিযবুত তাহরীর কর্মীও মুক্তি পেয়েছে।  বাকলিয়া থানার মামলার আসামি ফখরুলকে মুক্তির পর আবারও আটক করা হয়েছে।  তাকে পিতার জিম্মায় মুক্তি দেয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের ৭ আগস্ট দুপুরে নগরীর লালখানবাজার জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা থেকে হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।  তিনি খুনসহ পৃথক তিনটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি।  এর আগে প্রায় দুই বছর ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।

২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর নগরীর লালখানবাজারে মুফতি ইজাহারুল ইসলাম পরিচালিত জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় হ্যান্ড গ্রেনেড বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে তিনজন মারা যায়।  পরে পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালিয়ে চারটি তাজা গ্রেনেড, ১৮ বোতল এসিড এবং বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে নগরীর খুলশী থানায় বিস্ফোরক আইনে, এসিড নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং খুনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।  তিনটি মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের পর আদালত অভিযোগ গঠন করেছেন।  মামলাগুলো এখন বিচারের পর্যায়ে আছে।

গ্রেফতারের পর মুফতি ইজাহারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এক দশক আগে ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি মাসে প্রয়াত কবি শামসুর রাহমানের প্রাণনাশের অভিযোগে আটক হওয়া কয়েক জঙ্গি জানিয়েছিল, তারা মুফতি ইজাহারুল ইসলামের লালখান বাজার মাদ্রাসায় ট্রেনিং নিয়েছিল।

২০০৯ সালে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতে ডাউকি এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া লস্কর ই তৈয়বার দু’জঙ্গি টি নাজের ওরফে নাজের পারবন এবং শফিক ওরফে সাহাফাজ শামসুদ্দিন সেদেশের পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, দু’জঙ্গির সঙ্গে ২০০৯ সালের নভেম্বরে মুফতি হারুনের বাংলাদেশে কয়েক দফা বৈঠক হয়। এমনকি তারা মার্কিন ও ভারত দূতাবাসে হামলারও পরিকল্পনা নিয়েছিল।

হেফাজতে ইসলামের ভেতরে কট্টর সরকারবিরোধী অংশের নেতৃত্বদাতা দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলাম ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর নগরীর লালখানবাজারে তার পরিচালিত মাদ্রাসায় গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর থেকে ‘আত্মগোপনে’ চলে যান।

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের প্রায় ছয় ঘণ্টা পর কৌশলে পালিয়ে যান ইজাহার।  সেখান থেকে রাউজান, হাটহাজারী হয়ে পটিয়ায় অবস্থান করেন কিছুদিন।  সেখান থেকে গিয়ে কক্সবাজারে অবস্থান করেন কিছুদিন।  ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি লালখানবাজার মাদ্রাসায় ফিরে আসেন। এরপর থেকে মাদ্রাসায় অনিয়মিতভাবে আসা-যাওয়া করেন তিনি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT