হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

আর্ন্তজাতিকপ্রচ্ছদ

মিয়ানমারে ২৮টি গ্রাম বা ঐতিহাসিক স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে

টেকনাফনিউজ ডেস্ক:: ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ভিটেমাটি ছাড়া, হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ; মিয়ানমারের রাখাইনে বর্বরতার সবকিছুই চালানো হয়েছিলো রোহিঙ্গাদের উপর। তাদের উপর চালানো এসব অমানবিক কর্মকাণ্ডের শেষ চিহ্নটুকু মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে এখন বুলডোজার চালাচ্ছে মিয়ানমার সরকার।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ সংক্রান্ত ছবি প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এপি’র কলোরাডোভিত্তিক ‘ডিজিটালগ্লোব’ জানিয়েছে, জনমানবহীন কয়েকডজন ঘরবাড়ি ও ঐতিহাসিক স্থাপনা সম্প্রতি বুলডোজার দিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যা ধারণারও বাইরে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতার শিকার ঘরবাড়ি হারানো এক নারী তার এলাকায় গিয়ে এ চিত্র দেখতে পান, যা তাকে ব্যাপকভাবে মর্মাহত করেছে। রাখাইনের মিয়া হাট এলাকার জুবারিয়া নামে ওই নারী টোলিফোনে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সবকিছুই শেষ, গাছপালাগুলোও আর অবশিষ্ট নেই। তারা বুলডোজার দিয়ে সবকিছু গুঁড়িয়ে দিয়েছে…এখানে আমার ঘরবাড়ি ছিলো বুঝতেও কষ্ট হয়েছে।

১৮ বছর বয়সী ওই নারী আরো বলেন, আমাদের এলাকার অবশিষ্ট পরিত্যক্ত ঘরগুলোও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ‘ওইখানে আমার সব স্মৃতিই মুছে দেওয়া হয়েছে’।

মিয়ানমারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান স্মিটের টুইটার অ্যাকাউন্টে গত ৯ ফেব্রুয়ারি পোস্ট করা ছবিতে বিস্তৃত এলাকা মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার দৃশ্য প্রথমবার বিশ্ববাসীর সামনে উঠে আসে। যা রাখাইনে নতুন করে আতঙ্কজনক পরিস্থিতির চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে।

ডিজিটালগ্লোব’র প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রে দেখা যায়, অন্তত ২৮টি গ্রাম বা ঐতিহাসিক স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মংডু ও আর পার্শ্ববর্তী ৫০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.