হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজারপ্রচ্ছদ

মিয়ানমারে বন্দি কুতুবদিয়ার ১০ জেলে ৫ বছরেও মুক্তি পায়নি

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ = দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বাংলাদেশী ১০ জেলে মিয়ানমার কারাগারে ধুকে ধুকে মরছে। তারা স্বদেশ ফেরৎ আসতে চায়। তাদের পরিবার পরিজন জানেনা তারা এখনো বেঁচে আছে কিনা। নিখোঁজ জেলে পরিবারের মধ্যে এখনো চলছে কান্নার রোল। জেলে পল্লিগুলোতে আহাজারিতে আকাশ বাতাসভারী হয়ে উঠেছে। শুধু প্রশ্ন জেগেছে, ওরা কি আদৌ বেঁচে আছে না সাগরে শালিল সমাধি ঘটেছে। ওদের আশায় পরিবারের লোকেরা শুধু প্রখর ঘুনছে। ২০১৪ সালের ১১ ডিসম্বর কুতুবদিয়া উপজেলার ২নং দক্ষিণ ও উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের ১০ জেলে অন্যান্য দিনের ন্যায় সাগরের মাছ শিকার করতে যায়। হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ফিসিং বোটসহ ১০ জেলে নিখোঁজ হয়ে মিয়ানমার সাগর উপকূলে পৌছলে সে দেশের সীমান্ত রক্ষী (বিজিপি) ১০ জেলেকে আটক দেখিয়ে কারাগারে হস্তান্তর করে। বর্তমানে তারা টংগু কারাগারে রয়েছে বলে, জেলে পরিবারের লোকেরা জানায়। আটক জেলেদের স্বদেশে ফেরৎ আসতে ওদের পরিবার অতীতের টেকনাফ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও কোন সদোত্তর না পাওয়াতে জেলে পরিবারের লোকেরা অসহায় হয়ে পড়ে। এদিকে কক্সবাজার জেলার বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত ১২৭৫ স্মারক মূলে মিয়ানমার কারাগারে আটক বাংলাদেশী নাগরিক ১০ জেলের স্বদেশে ফেরৎ আনতে যাচাই বাচাই সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে চিটি চালাচালি চলছে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর এ তথ্য চেয়ে জেলা পুলিশের কাছে চিটি দিয়েছে। যার স্মারক নং এসবি ঢাকার স্মারক নং ৭৩৫/এসসি ও (টিম-১২) নিখোঁজ আটক জেলেরা হচ্ছে, জোনাব আলীর পুত্র মোঃ আরফাত, শফিউল আলমের পুত্র মোঃ ফারুক, মোকতার আহমদের পুত্র আবু বকর, আব্দুল মোনাফের পুত্র ছরওয়ার আলম, মোঃ ইউনুছের পুত্র মোঃ শাহেদ, মৃত নুরুল আলমের পুত্র মোঃ মিরাজ, আকতার আলমের পুত্র রবিউল হোসেন, মৃত সুলতান আহমদের পুত্র নুরুল হক ও আবুল কাসেমের পুত্র সাইফুল ইসলাম। সর্ব সাং দক্ষিণ ধূরুং কুতুবদিয়া। আটক জেলে পরিবারের পক্ষে দক্ষিণ ধরুং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছৈয়দ আহমদ চৌং আটক জেলেদের ফেরৎ চেয়ে ১ এপ্রিল/১৯ টেকনাফ ২ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের বরাবরে আবেদন করেন। এ প্রসঙ্গে টেকনাফ ২ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়নক শরিফুল ইসলাম জমাদ্ধার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিয়ানমার কারাগারে কি পরিমাণ বাংলাদেশী জেলে আছে, তার সঠিক তথ্য এ মুহুর্তে জানা নেই। তবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিক সে দেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার দায়ে সাজা ভোগের পর স্বদেশে বিজিবির মাধ্যমে চলে এসেছে।

 

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.