টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

মহেশখালী ওয়াপদার বেড়ীবাধের করুন হালচাল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৩
  • ১০৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Moheshkhali Pic- 19-07-2013মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ, মহেশখালী ::::মহেশখালী ওয়াপদার বেড়ীবাধের করুন হালচাল সরজমিনে পর্যবেক্ষণে গেলে দেখা যায় যে, মহেশখালীর চারিদিকে বঙ্গোপ সাগর আর চারিদিকে জানমান, ধন সম্পদ জীবন রক্ষাকারী বেড়ীবাধটি। মহেশখালীর পৌরসভাধীন গোরকঘাটা জেটির দক্ষিণে রাখাইন পাড়া ও সিকদার পাড়ার পূর্ব দিকে গা ঘেষেই কিছুদুর দক্ষিণ দিকে যাইয়া পশ্চিম দিকে চলে যায় জীবন রক্ষা বেড়ীবাধটি। বেড়ীবাধের এই অংশেই দেখা যায় প্রায় ভেঙ্গে গেছে ও বড় বড় গর্তে পরিনত হয়েছে। গোরকঘাটা চরপাড়া হয়ে বিজয়রাম সর্দারপাড়ার গা ঘেষেই সুজাসুজি পশ্চিম দিকে বেড়ী বাধটি চলে যায়। এই বেড়ীবাধটির ৬৯ নং পোল্ডারের বেড়ীবাধটি পশ্চিম দিকে গা ঘেষেই খোন্দকারপাড়া অর্থাৎ কুতুবজোম ইউনিয়নে পৌছে। সেই খোন্দকারপাড়ার দক্ষিণ দিকে বেড়ীবাধটি পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে কামিতার পাড়া হয়ে আবার সেখান থেকে কুতবজোমের শেষ প্রান্ত তাজিয়াকাটা হয়ে ঘটিভাঙ্গা গিয়া পৌছায় জীবন রক্ষা এই ওয়াপদার বেড়ীবাধটি। কিন্তু প্রত্যেক জায়গায় বড় বড় গর্ত ও দুই ধারেই সরু হয়ে এবং স্লুইচ গেটের পাহারাদার কেউ নাই এবং দুই ধারের রোপিত গাছগুলি প্রায় কাটিয়া বিক্রি করেছে এক শ্রেণীর চোরের দলগুলি। ঘটিভাঙ্গা হলো মহেশখালীর দক্ষিণ পূর্বের শেষ প্রান্ত সেই ঘটিভাঙ্গা হয়ে ওয়াপদার জীবন রক্ষা বেড়ীবাধটি দক্ষিণ দিক থেকে সামান্য বাকা হয়ে পশ্চিম-উত্তর দিকে বড় মহেশখালীর পশ্চিমে ফকিরাকাটার পশ্চিমে বড়দিয়া ও চরছিরার পশ্চিমে এবং কালাপাইন্যার বুক বেয়েই সোজা উত্তর পশ্চিম দিকে হোয়ানকের ভাঙ্গাখালী পাড়ের হয়ে কালারমারছড়া যায় ওয়াপদার এই বেড়ীবাধটি। এই বেড়ীবাধটি ঘটিভাঙ্গা হয়ে কালারমারছড়ার দূরত্ব ১৮ মাইল। এই বেড়ীবাধের প্রত্যেক স্লুইচ গেইট অকেজো ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম। বেড়ী বাধের মাটি সরে গিয়ে সরু হয়ে গেছে ও বিশাল বিশাল বড় বড় গর্ত হয়ে চলাচলের বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। সব চাইতে বড় করুণ ও দুঃখ জনক জঘন্যতম ঘটনাটি হল দুই ধারে রোপিত সমস্ত গাছগুলি কেটে সাবাড় করেছে এক শ্রেণীর শিক্ষিত জ্ঞান পাপী ভন্ড রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে। এমনকি বেড়ীবাধের সঙ্গে লাগানো পশ্চিমের বিশাল হাজার হাজার একর প্যারা বন কেটে মূল্যবান গাছগুলি বিক্রি করে চিংড়ীঘের করেছে ঐ জ্ঞানপাপী ভন্ড রাজনীতি ওয়ালারা। তাদের সঙ্গে রূপান্তরিত হয়েছে বন বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। মহেশখালীর ধলঘাটা ইউনিয়নের বেড়ীবাধটি লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে তৈরি করে কিন্তু স্থায়ীভাবে বেড়ীবাধটি করেনা। এদিকে সরকার রোপিত বিভিন্ন প্রজাতির গাছগুলি কাটিয়া সাবাড় করে বেড়ীবাধ সাগরের করাল গ্রাস থেকে টিকতে পারে না মূল কারণ। ধলঘাটা সংলগ্ন হাসের দিয়ার বিশাল বিশাল ঝাউগাছ গুলি নির্বিচারে নিধন করে যাচ্ছে ঐ নিষ্টুর ভূমিগ্রাসীর দলেরা। মাতারবাড়ীর বেড়ীবাধটিতে তেমন কোন গর্ত না থাকলেও ফাটলের দৃশ্য প্রকট হচ্ছে ও চারিদিকে গাছ রোপন করার প্রয়োজন, ধলঘাটাতেও প্রচুর সাইকোন সেন্টার ও বেড়ীবাধ স্থায়ীভাবে সরকারী কোন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে বেড়ীবাধটি সংস্থার কার্যক্রম করার প্রয়োজন বলে অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে বলে দাবী করেছেন মহেশখালীর ৪ লক্ষ নরনারী।
আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুকে খুনের মিথ্যা মামলাতে আসামী দেওয়াতে এলাকায় ও মহেশখালীতে নিন্দা জানিয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, মহেশখালী (কক্সবাজার)- ১৯ জুলাই ২০১৩ ইং
আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুকে খুনের মিথ্যা মামলাতে আসামী দেওয়াতে এলাকায় ও মহেশখালীতে নিন্দা জানিয়েছে। গত ১৪ জুলাই ধলঘাটার উত্তর মহুরীঘোনা আবুল কাসেম খুন হওয়ার ঘটনাতে মিথ্যা হিংসাতœক রাজনীতি পরায়ন হয়ে অনর্থক ইচ্ছাকৃতভাবে চেয়ারম্যন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ বাচ্চুকে আসামী করাতে ধলঘাটার উত্তর মহুরীঘোনা ও সুতরিয়া এলাকাতে ও মাতারবাড়ীতে মহেশখালীর প্রতিটি স্বাধীনতা পক্ষের লোকজন বলেন এইভাবে মিথ্যা অহেতুক একজন রাজনৈতিক নেতাকে বর্তমান চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদককে খুনের মামলায় আসামী করায় এলাকাবাসী ও মহেশখালী বাসী ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে। এলাকাবাসী ও মহেশখালী বাসী তারা বলেছেন গত ১৪ জুলাই উত্তর মহুরীঘোনা ধলঘাটা নুরুল ইসলামের বাড়ীতে ২০/২৫ জনের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী ডাকাত দল হানা দিয়া মারধর করে স্বর্ণ, টাকা, বাড়ীর সমস্ত মূল্যবান মালামাল ডাকাতি করে লইয়া যাওয়ার সময় পাড়ালিয়া লোকজন ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিলে আবুল কাসেম একনালী বন্দুক সহ লবণের গর্তে পড়ে। সেখানে এলাকাবাসী ও পাড়ালিয়ারা গণপিটুনীতে আহত অবস্থায় আবুল কাসেম মৃত বরণ করে বলে পাড়ালিয়ারা জানান। এদিকে আহসান উল্লাহ বাচ্চুকে প্রাণে হত্যার জন্য তার বাড়ীতে বারবার হানা দিত, সেকারণে চেয়ারম্যান বাচ্চু কক্সবাজারে বসবাস করত। সেখানে সে শত শত মানুষের সামনে উপস্থিত ছিল। কি উদ্দেশ্যে হিংসাতœক রাজনীতির কারণে তাকে মৃত আবুল কাসেমের ভাই আবুল শমা বাদী হয়ে তাকে আসামী করা হয়েছে। অথচ নুরুল ইসলামের স্ত্রী রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে ডাকাতি মামলা মহেশখালী থানায় করেছে। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে একজন প্রতিভাবান রাজনৈতিক নেতাকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলাতে আসামী করায় ধলঘাটা বাসী ও মহেশখালী স্বাধীনতা পক্ষের সমস্ত নরনারী ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT