টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

মনিটরিং কমিটি নামে আছে কাজে নেই:টেকনাফে ব্যবসায়ীর কাছে ভোক্তারা জিম্মি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩
  • ১০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

imagesনুর হাকিম আনোয়ার,টেকনাফ টেকনাফ সীমান্ত পৌরসভার বাজার মনিটরিং কমিটি নামে আছে কাজে নেই। মাহে রমজানের পবিত্রতা রা এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি সমূন্নত রাখার লে বাজার মনিটরিং কমিটি থাকলে ও ইহা শুধু কাগজে কলমে থাকলে ও বাস্তবে এর প্রতিকলন নেই। এতে ভোক্তারা উপকৃত হচ্ছেনা। এ ফাঁকে ফায়দা লুটছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার ছোট বড় ১৩টি বাজার রয়েছে। তার মধ্যে হ্নীলা, টেকনাফ, সাবরাং, সিকদার পাড়া, নয়াপাড়া ও বাহারছড়া শামলাপুর বাজার সর্ববৃহৎ বাজার। এসব বাজার প্রতি বছর নীলাম দিয়ে প্রায় কোটি টাকার চেয়ে বেশী রাজস্ব আয় করে থাকে। তার পরও বাজার সমূহে আশাতীত উন্নয় নেই। এসব বাজার সমূহ নীলাম আহবানকারীর কাছে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা জিম্মি ছোলা কেজি ৭০ টাকা, চিনি ৫০ টাকা, পিয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ১শত টাকা সোয়াবিন প্রতি লিটার ১৩০ টাকা, ভোজ্য তৈল ৯০ টাকা। তৎমধ্যে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের প্রান কেন্দ্রের টেকনাফ পৌর সভার সর্ববৃহৎ বাজার অন্যান্য বাজার সমূহে একটি দৃষ্ঠান্ত। কিন্তু পৌরসভার বাজারের অবস্থা এবং উন্নয়ন দেখলেই অন্যান্য বাজার সমূহে তার প্রভাব পড়ছেনা। প্রতিবছর মুসলমানের ২টি ঈদ উৎসব রমজান ও ঈদুল আজহা আসলই এর পবিত্রতা রা ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার ল্েয প্রশাসন বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করেন। মনিটরিং কমিটির কাজের মহ্নর গতি করে ব্যবসায়ীরা নিত্যপণ্য সামগ্রী গোদামজাত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে রাখে। বাজার পদির্শন করে জনো যায়, ওজনে কারচুপি ভেজাল পন্য দোকানে মূল্য তালিকা ঝুলানো হয়না, গষামাজা শীল দিয়ে ওজন, পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য বাজারের সড়ক পথে খোলা ইফতার সামগ্রী বিক্রি, খাদ্যপণ্যে ক্যমিকেল ব্যবহার, মিটার ছাড়া পণ্যবিক্রি, অতিরিক্তমূল্যর গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির কারনে ভোক্তারা আর্থিকভাবে তিগ্রস্থ হচ্ছে। ভোক্তাদিকা থাকলে ও এখানে তাহা মোটেই মানা হচ্ছেনা। টেকনাফ সীমান্তের অধিকাংশ ভোক্তারা অশিতি এবং অসেচেতন। এ সুযোগকে ব্যবসায়ীরা অবৈধ ব্যবস্থাকে কাজে লাগাচেছ। ভোক্তারা এক পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। ব্যবসায়ীদের এসব অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে সচেতন ভোক্তারা প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা। পৌরসভার লামার বাজার ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকানের মালামাল বিক্রি করতে গিয়ে বাজার নীলাম ডাককারীব হয়রানীর শিকার হচ্ছে। দোকানের পণ্য ভোক্তাদের বিক্রির মালামাল থেকে জোরপূর্বক ইজারা নিচ্ছে নীলামকারীরা।  এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা এ প্রতিকার চেয়ে পৌর মেয়রের কাছে শরাপন্ন হয়েছেন। বিষয়টি পৌর মেয়র সম্পূর্ন অবৈধ বলে জানাল। তিনি এব্যাপার শিশিু ব্যবস্থা নিবেন বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বাস দেন। ভোক্তাদের আরো অভিযোগ, বাজার নীলাম ডাককারীরা কোন নীতির প্রতি তোয়াক্কা ব্যতিরোখ ঢালাওভাবে ব্যবসায়ী ও ক্রেত দের ছাড়াই। এ নিয়ে ব্যবসায়ী ভোক্তারা বাজার নীলাম ডাককারীর প্রতি আসস্থা হারাতে বসেছে। এ নিয়ে এদের মধ্যে চাপা ােভ দিনদিন বিরাজ করছে। ##

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT