টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে ব্যাংকে লেনদেন এখন সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ল মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ

ভোট দিন, সাক্ষরতা শতভাগে নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১৫৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
Pm-Toiday-1আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজকে সরকারি করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীতে ফের ক্ষমতায় আসতে পারলে সাক্ষরতার হার শতভাগে নিয়ে যাবেন। শনিবার এক জনসভায় তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনে আমি আপনাদের কাছ থেকে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। নৌকা শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি দেবে। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আর আসবে না। সরকার গঠন করতে পারলে সাক্ষরতার হার শতভাগে নিয়ে যাবো।”

লালবাগ ও কোতয়ালি থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিকালে আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজ মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশস্থলে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী লালবাগ থানার এলাকার আজিমপুর বিদ্যুৎ সাবস্টেশন ও কোতয়ালি থানা এলাকার মিটফোর্ড বিদ্যুৎ সাবস্টেশন উদ্বোধন এবং লালবাগের শহীদ নগরে একটি মাতৃসদন, ইসলামবাগে একটি কমিউনিটি সেন্টারের এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন।

এরআগে প্রধানমন্ত্রী ইডেন মহিলা কলেজের এক হাজার আসন বিশিষ্ট ১১ তলা হোস্টেল ভবনের উদ্বোধন।

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট চাওয়ার পাশাপাশি তার স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। এ সময় সমাবেশের একেবারে সামনের দিকে উপস্থিত ওই বিদ্যালয়ের শতশত ছাত্রী হর্ষধ্বনি দিতে থাকে।

বক্তব্যের শুরুতেই ‘উপস্থিত ছাত্রী বোনেরা’ কথাটি বলেই শেখ হাসিনা বলেন, “এখানে তো সবাই আমরা নাতির বয়সী।”

 

আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজের সরকারিকরণের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই স্কুলকে ঢাকার এক নম্বর স্কুল হতে হবে।”
নিজের ছাত্র রাজনীতির হাতেখড়ি এই স্কুল থেকেই উল্লেখ করে ছাত্র জীবনের স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, “৬২ সালে ছাত্র আন্দোলনের সময় আমরা শিক্ষকদের এড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় গিয়ে বক্তব্য শুনতাম। বার্ষিক স্পোটর্সে যেমন-খুশি তেমন-সাজোতে প্রথমও হয়েছিলাম। স্কুল শেষে কদবেল কিনে কাঠি দিয়ে খেতে খেতে বাড়ি যাওয়া ছিলো সবচেয়ে আনন্দের।”

৩২ মিনিটের বক্তব্যের শেষ দিকে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে ওই এলাকার বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গত নির্বাচনে লালবাগবাসী নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিকে নির্বাচিত করে বঞ্চিত হন নাই। আর তারা ধানের শীষে ভোট চেয়ে দেশকে খাদ্য ঘাটতির দেশে পরিণত করেছিলো।”

তিনি বলেন, “আমি মা-বাবা, ভাইদের হারিয়েছি। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। আমি চাই বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াক।”
আন্দোলনের কর্মসূচির নামে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করায় বিএনপি’র সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “বিরোধীদল গণতন্ত্রের ভাষা বোঝে না। তারা মানুষের শিক্ষা আর চিকিৎসা বোঝে না।”

“আন্দোলনের নামে যানবাহন থেকে মানুষ বের করে গায়ে আগুন দিয়ে মারছে। পুলিশ, বিজিবি আর সেনাসদস্য মারছে।”

নির্বাচনের আগে বিএনপি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “মিথ্যা অপপ্রচার চালায়। তারা বলেছিলো, শাপলা চত্বরে হাজার হাজার লোক মরেছে। আমরা যখন তালিকা চাইলাম, তখন হাজার হাজার লোক ৬১ জন হয়ে গেলো। তারমধ্যে আবার ২৫ জনের ঠিকানা নেই। আর, তিনজন জীবিত ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “হুমকি-ধমকিতে কাজ হয়নি। হেফাজতের হুজুররা শাপলা চত্বরে বসেছিলো। তাদের খাওয়াবেন বলে দু’শো গরু জাবাই দেওয়ার কথা বলেও তাদের খাওয়ান নাই।”

লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মতিয়া চৌধুরী, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, কামরুল ইসলাম, শেখ ফজলে নূর তাপস, আশরাফুন্নেসা মোশাররফ, পংকজ দেবনাথ, এ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।
বিরোধী দল গণতন্ত্রের ভাষা বোঝে না দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিরোধী দল আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও করছে এবং মানুষ হত্যা করছে।’
শনিবার বিকেলে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে আওয়ামী লীগের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর আগে আপনারা আন্দোলন করেছেন এবং আল্টিমেটাম দিয়েছেন। কিন্তু এতে কোনো কাজ হয়নি। ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানালেও তারা সাড়া দেয়নি।’
হেফাজতের সমাবেশ নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘মতিঝিলে নাকি হেফাজতের সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ মারা হয়েছিল। আমরা তালিকা চাইলে তা দিতে পারেনি। প্রথমে আড়াই হাজার নিহতের কথা বললেও পরে ৬১ জনে নেমে এসেছে। এই তালিকাও ভুয়া।’
বিরোধী দলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা ১৯৯৬ সালে অপপ্রচার চালিয়েছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে নাকি মসজিদে আজান হবে না। এখন তো সব মসজিদে আজান হচ্ছে, নামাজ হচ্ছে।’
তিনি দাবি করে বলেন, ‘মতিঝিলে হেফাজতে সমাবেশের দিন বিএনপি-জামায়াত ক্যাডাররা হাজার হাজার কোরআন শরীফে আগুন দিয়েছে, মসজিদে আগুন দিয়েছে। কোরআন পুড়িয়ে তারা ইসলাম রক্ষা করতে চায়।’
নৌকায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকা হচ্ছে উন্নয়নের প্রতীক। নৌকা মার্কায় ভোট দিলে দেশের মানুষ কিছু পায়, দেশের উন্নয়ন হয়। নৌকায় ভোট দিলে কেউ বঞ্চিত হয় না। সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতায় তার শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি আজিমপুর গার্লস স্কুলকে সরকারি করার ঘোষণা দেন। এই স্কুলকে নিজের স্কুল হিসেবেও তিনি অভিহিত করেন।
নির্বাচিত হলে শতভাগ সাক্ষরতার হার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমরা এমন বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে কেউ অশিক্ষিত থাকবে না। প্রত্যেকে সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত হবে।’
স্কুল জীবনে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘স্কুলের ওই দোলনায় অনেক দোল খেয়েছি। এই মাঠে হাডুডু খেলেছি। স্কুলজীবন সবচেয়ে সুন্দর জীবন। মনে পড়ে একবার যেমন খুশি তেমন সাজোতে আমি প্রথম হয়েছিলাম।’

 

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT