হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন

ভালোবাসা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

প্রেম ভালোবাসাকে একটু বাঁকা চোখে অনেকেই দেখেন।ভালোবাসা নিয়ে রয়েছে নানা ধরনের বির্তক। ভালোবাসা নিয়ে হয়েছে অনেক বৃহৎ বৃহৎ সৃষ্টি তেমনি ভালোবাসার জন্য ট্রয়ের মতো যুদ্ধ হয়েছে। আর ভালোবাসা নিয়ে হয়েছে বিভিন্ন গবেষণা। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে ভালোবাসা মানুষের স্বাস্থের জন্য বেশ উপকারী। দেখা যাক ভালোবাসা কিভাবে শরীরের জন্য উপকারী:
১. প্রেমে পড়লে মানুষের মন এবং শরীর শান্ত হয়। আর এটা হয় এক ধরনের হরমোন নিসৃত হওয়ার
কারণে। এই হরমোন মানুষের নার্ভাস সিস্টেমকে পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। এতে নতুন
ব্রেইন সেল তৈরি হয়। ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

২. ভালো না বাসলে মানুষের মনে অধিকাংশ সময়ই ক্রোধ থাকে। যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কিন্তু ভালোবাসলে শরীর সেই ক্ষতি থেকে বেঁচে যায়। কারণ ভালোবাসা মানুষের মনে রোমাঞ্চকর অনুভূতির সৃষ্টি করে। ফলে ইমিউন, এন্ডোক্রাইন এবং কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম উপকৃত হয়।

৩. কেউ যদি তার কাঙ্খিত মানুষটির সঙ্গে কথা বলে তাহলে তার হার্টবিট তিনগুণ বেড়ে যায়। যার ফলে সারা শরীরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় রক্ত চলাচল করে। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

৪. নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, যে প্রেমিক-প্রেমিকারা খুব
কাছাকাছি সময় কাটায় এবং পাশাপাশি বসে ভালোবাসার কথা বলে তাদের শরীর থেকে অক্সিটোসিন নামক এক প্রকার লাভ হরমোন উচ্চমাত্রায় নিঃসৃত হয়। এর ফলে মেয়েদের ব্লাড প্রেসার কমে যায়।

৫. যারা ভালো না বাসে তারা একাকিত্বে ভোগে। ফলে তাদের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা পাঁচগুণ বেড়ে যায়। তাই ভালোবাসা দীর্ঘায়ুর জন্য অত্যন্ত জরুরি।

৬. দি ইন্সটিটিউট ফর রিসার্চ অন আনলিমিটেড লাভ- এর একটি গবেষণায় জানা যায়, যারা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়, দুঃশ্চিন্তা কমে যায়, আয়ু বেড়ে যায়, মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং হতাশা দূর হয়।

৭. ভালোবাসলে কোলেস্টেরল কমে যায়। হিউম্যান কমিউনিকেশন-এর এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া যায়। যারা ভালোবাসার কথা লেখে বা শোনে তাদের শরীরেও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকে। যারা ভালোবাসে না, তারা এই উপকারিতা পায় না।

৮. ভালোবাসা সব রোগের মহৌষধ। ভালোবাসলে এন্ডোরফিন নামক এক প্রকার হরমোন তৈরি হয়। যার ফলে শরীরের চামড়া বেশি রক্ত পা এবং এর ফলে শরীরের চামড়া নরম ও মসৃণ থাকে। এতে সহজে চামড়া কুচকে যায়না। মুখে আভার সৃষ্টি হয়। সূত্র: ওয়েবসাইট।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.