টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে কোস্টগার্ড স্টেশনের প্রশাসনিক ভবন অফিসার্স মেস ও নাবিক নিবাস উদ্বোধন টেকনাফে সার্জিক্যাল ডটকম এর পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রাজারবাগের পীরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার নির্দেশ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ১০ হাজার ৮৪০ প্যাকেট চাইনিজ সিগারেটসহ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ হাইকোর্টের সেকশন থেকে রাজারবাগ পীরের বিরুদ্ধে করা মামলার নথি গায়েব জাওয়াদে উত্তাল সমুদ্র: সেন্টমার্টিনে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : প্রভাব বাংলাদেশে, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রবালদ্বীপের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালম ইন্তেকাল আজ সোমবার সূর্যগ্রহণ বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা ৭ মিনিট পর্যন্ত

ভারত ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্য রোহিঙ্গা ইস্যু নতুন চ্যালেঞ্জ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

বিদায়ী ২০১৬ সালে দুই বড় প্রতিবেশী ভারত ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলায় বাংলাদেশ সফল হয়েছে। তবে বছরের শেষদিকে রোহিঙ্গা ইস্যু বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভারত ছাড়া বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিদায়ী বছরের মাঝামাঝি গুলশানে হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নাজুক হয়েছিল। বছরের শেষে পরিস্থিতি অনেকটা স্থিতিশীল হলেও ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। ফলে অনেক দেশে বাংলাদেশীদের ভিসা পেতে এখনও সমস্যা হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিবেশী ভারত খুবই গুরুত্বপূর্ণ দেশ। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এই দেশটি বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে। ভারতের সৈন্যরা বাংলাদেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তারপরও এই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈরী সম্পর্ক চলেছে অনেক বছর। ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে গিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বৈরিতা কাটিয়ে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ওই সময়ে ৫০ দফার যৌথ ইশতেহার নতুন সম্পর্কের পথ দেখায়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক পশ্চিমা দেশ শেখ হাসিনার সরকারের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও ভারত পাশে দাঁড়ায়। শেখ হাসিনা রাজনীতিতে অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন। তবে অর্থনৈতিক উন্নতি, বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। বিদায়ী ২০১৬ সালে কিছুটা দূরের প্রতিবেশী চীন সেই প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ায়। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশ সফর করেন। দুই দেশের মধ্যে ২২টি চুক্তি সই হয়, যা অর্থনৈতিক উন্নতির নতুন মাইলফলক। এসব চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য চীন হয়ে উঠেছে নতুন ফ্রন্ট। ২০১৬ সাল তাই কূটনীতিতে নতুন দুয়ার খোলার বছর হিসেবে বিবেচিত হবে। রাজনীতিতে ভারতের সহায়তার সম্পূরক হিসেবে অর্থনৈতিক উন্নতির সোপান রচনায় চীনের এগিয়ে আসা বিদায়ী বছরের নতুন প্রাপ্তি। ২০১৭ সালকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বছর ঘোষণা করা হয়েছে। যুগপৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আর অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ভারসাম্যের এই সম্পর্ক রক্ষা করা সরকারের কূটনীতির সাফল্য।
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত সম্পর্কে উন্নীত করা হয়েছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে বিদায়ী বছরে বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে দুটি সাবমেরিন কেনায় এই সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিবেশী ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর বছরের শেষদিকে বাংলাদেশ সফর করেছেন। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পর্কের সঙ্গে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় এই সফরকে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সামরিক চুক্তি করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সামরিক সম্পর্কে নতুন কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। এসবের মধ্যে সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রশিক্ষণ জোরদার করা, নিয়মিত যৌথ মহড়া পরিচালনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে মানবিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সমুদ্রসম্পদ আহরণে ব্ল– ইকোনমিতে সহযোগিতার প্রস্তাব করা হয়। বাংলাদেশ এসব প্রস্তাব এখন পর্যালোচনা করে দেখছে। বিদায়ী বছরের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাবেন বলে কথা থাকলেও তা পিছিয়ে গেছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বড় কোনো মতপার্থক্যের কারণে নয়; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরসূচি মেলাতে সমস্যার কারণে সফরটি স্থগিত হয়। বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত অভিবাসন সংক্রান্ত ‘গ্লোবাল ফোরাম ফর মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (জিএফএমডি) সম্মেলনে যোগদান করতে এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। তিনি সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তখন ঘোষণা করা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেব্র“য়ারিতে ভারত সফরে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফরকালে প্রায় দুই ডজন চুক্তি সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভালো। পশ্চিমা দুনিয়া যখন একদলীয় সরকার হওয়ার কারণে শেখ হাসিনা সরকারের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল; তখনই জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বাংলাদেশ সফর করে বিশ্বকে শেখ হাসিনার প্রতি তার ইতিবাচক বার্তা দেন। ফলে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য পদ থেকে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে। জাপানও এই পদে প্রার্থী। এতে জাপানের অস্থায়ী সদস্য হওয়ার পথ উš§ুক্ত হয়। এ জন্য জাপান বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় জাপানের নাগরিকরা নিহত হলে সেই সম্পর্কে ছায়া পড়ে। তবুও বাংলাদেশের ওপর থেকে জাপান মুখ ফিরিয়ে নেয়নি। মেট্রোরেলসহ অন্যান্য প্রকল্পে জাপানি সহায়তা অব্যাহত থাকে। তবে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কারণে প্রকল্পগুলোর গতি কিছুটা কমে যায়।
বিদায়ী বছরের শেষদিকে আরেক প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশ টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ৯ অক্টোবর সীমান্ত চৌকিতে সমন্বিত হামলায় মিয়ানমারের নয়জন ‘বর্ডার গার্ড পুলিশ’ (বিজিপি) নিহত হয়। বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার নিন্দা জানায়। হামলায় জড়িতরা যাতে বাংলাদেশে পালাতে না পারে সেজন্য সীমান্ত সিল করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সেখানে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্বিচারে নিষ্ঠুরতা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযানে শতাধিক রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু মুসলমান নিহত হন বলে জানা যায়। রাখাইন রাজ্যে কোনো সাংবাদিক কিংবা ত্রাণকর্মীর প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করে মিয়ানমার। ফলে সেখানে কী ঘটেছে তা পুরোপুরি জানা যায়নি। এই অভিযানের পর বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। তারা অভিযোগ করেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে। নারীদের ধর্ষণ করেছে। এমনকি জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগও করেছেন। এ কারণে তারা নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর মানবাধিকারের এমন চরম লংঘন বিস্ময়কর। ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) নেত্রী অং সান সুচির ভূমিকাও রহস্যজনক। তিনি এই হামলার নিন্দা করেননি। মিয়ানমারের শক্তিশালী সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুচির সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। তাই সেনাবাহিনীর ওপর নোবেল বিজয়ী এই নেত্রীর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আবার এটাও হতে পারে যে, সুচি নিজেই মুসলিম বিদ্বেষী। তাই এই অভিযানে তার সায় আছে। ঘটনা যাই হোক, মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এই ঘটনায় থমকে গেছে। মিয়ানমারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বৈঠক স্থগিত করেছে বাংলাদেশ। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হল, রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রায় নির্বিকার। রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশের পূর্বমুখী কূটনীতি বেশ ধাক্কা খাবে বলে মনে হচ্ছে।
বিদায়ী বছরে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ জোরদার হয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের পর পশ্চিমের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এক রকমের বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। পহেলা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার কারণে নিরাপত্তা নিয়েও পশ্চিমাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তারও আগে থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার ব্যাপারে নিরাপত্তা সতর্কবার্তা দিয়েছিল। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে কয়েকটি দেশ। পোশাক কারখানায় কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকের অধিকার নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মান-অভিমান চলেছে। সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমের সম্পর্ক এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। তবে পশ্চিমা দুনিয়া বাংলাদেশে আগামী সাধারণ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে। আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হলে বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমা দুনিয়ার আস্থার অভাব কেটে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে ভালো। তবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঘিরে পাকিস্তান ও তুরস্কসহ কোনো কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন চলছিল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমর্থন দেয়ায় টানাপোড়েনের অবসান হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক এখনও খারাপ আছে। মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ জোরদার হয়েছে। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটে সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর সম্পর্কের এই উন্নতি হয়। বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির জন্য সৌদি আরবের দুয়ার খুলে যায়। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরব সফর করেন। ফলে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে সৌদি আরব কোনো মন্তব্য করেনি। বর্তমানে ঢাকা-রিয়াদ সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি জোরদার আছে।
বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। শেখ হাসিনার সরকার রাশিয়া থেকে সমরাস্ত্র কেনা ও রুশ সহযোগিতায় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে জোরালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। রুশ প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ নতুন বছরে বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

fil pic

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT