টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

বৃহত্তর চট্রগ্রামের ৩ শতাধিক ওমরাহ যাত্রীর এবার সৌদিআরব যাওয়া হয়নি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০১৩
  • ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

998885_504509486294740_187315827_nহাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফঃ কতিপয় অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সীর অনিয়ম,দুর্নীতি ও “নো-ব্যাক” বাণিজ্য কক্সবাজারের উখিয়া, টেকনাফ, রামু, চকরিয়া, চট্রগ্রামের সাতকানিয়া আমিরাবাদ সহ বৃহত্তর চট্রগ্রামের প্রায় ৩ শতাধিক ওমরাহ যাত্রীর এবার সৌদিআরবে পবিত্র ওমরায় যাওয়া হয়নি। রাজধানীর কতিপয় অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সীর অনিয়ম, দুর্নীতি ও “নো-ব্যাক” বানিজ্যের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে।
জানা যায়, প্রতি বছর পবিত্র মাহে রমজানের পূর্বে আরবী মাস রজব ও শা‘বানে পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরব যেতে বিত্তশালী ও মধ্যবিত্তের লোকজন  রাজধানী ঢাকা, চট্রগ্রাম  সহ বিভাগীয় শহর সমূহের সরকারী সনদ প্রাপ্ত নানা রিক্রুটিং এজেন্ট তথা হজ্ব ওমরাহ এজেন্সী সমুহের সাথে টাকা, পাসপোর্ট জমা দিতে যোগাযোগ শুরু করে। পবিত্র ওমরাহ পালন উপল্েয সৌদিএ্যম্বেসী  মাহে রমজান, আরবী মাস রজব ও শা‘বানে অনেক েেত্র শিথীলতা ও দেখায়। এ সুযোগে ওমরাহর লাইসেন্সধারী কতিপয় এজেন্সীর মালিক সিন্ডিকেট করে  যারা ওমরাহ করতে গিয়ে ফেরত আসবে, এমন জেনুইন ওমরাহ যাত্রীর পাশা পাশি ওমরাহ করে ফেরত আসবে না, এমন যাত্রীর জন্য এজেন্সী সমূহ অতি উৎসাহী ও ব্যস্ত  হয়ে পড়ে। যারা ফেরত আসবেনা তাদের ভিসা টিকেটের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সকল  কাজ ও দ্রুত হয়। ফেরত না আসা যাত্রীদের কে দালাল ,এজেন্সী ও ইমেগ্রেশানের  ভাষায় “নো-ব্যাক” যাত্রী বলা হয়। উক্ত “নো-বেক” যাত্রীদের  নিকট থেকে টাকা ও নেয় প্রায় ৪গুন বেশী। জেনুইন ওমরাহ যাত্রীদের ভিসা, টিকেট ইত্যাদি প্রসেসিং এ ৭০/৭৫/৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হলে ও “নো-ব্যাক” ওমরাহ যাত্রীদের নিকট  থেকে নেয়া হয় ৩লাখ ৫০ হাজার থেকে ৪লাখ টাকা মত। ফলে নো-ব্যাক ব্যবসা জমাতে জেনুইন (গো-ব্যাক)যাত্রীদের কোন গুরুত্ব দেয়া হয়না। টিকেট ক্রাইসিস, মো‘ফা (ভিসার অনুমতিপত্র) আসে নাই। ওয়েটিং এ আছে, আসবে, ভিসা হবে ইত্যাদি নানা প্রতারনার জাল, ফন্দি আবিস্কার করে। এমন কি এতো তারিখ অমুক দিন ফাইট, মানসিক ভাবে তৈরী থাকবেন, সব কিছু ঠিক আছে, অমুক দিন চলে আসেন বলে সংকেত ও দেয়া হয়। এভাবে রাজধানী তে ফাইট হবে আশায় অনেকে এহরামের কাপড় পরে ও আসে। অনেকে সৌদিআরব নিতে হাদিয়ার চালান,চয়েজ মতে কেনা কাটা ও আত্বিয় স্বজন কে বিদায় এবং দোয়া নিয়ে চলে আসে।যেহেতু তার যাত্রা নিশ্চিত! রাজধানী তে এসে দেখা যায় তার ভিন্ন চিত্র। ভিসা-টিকেট তো দূরের কথা।অসাধু এজেন্সীর লোকজন,দালালরা মোবাইল ফোন ও রিসিভ করেনা । “নো-বেক” বাণিজ্য নিয়ে তারা ব্যস্ত থাকে সর্বদা। বেশীর ভাগ বাণিজ্য হয় রোহিঙ্গাদের সাথে। তারা অপারগ বিধায় মোটা অংকের টাকা দিয়ে হলে ও বিদেশ (সৌদিআরব) পাড়ি জমাবেই।এ সমস্ত বাণিজ্য ও প্রতারণার  ফলে চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় জেনুইন ওমরাহ যাত্রীদের। এ সমুহ প্রতারণা ও “নো-ব্যাক” বাণিজ্যের ফলে এ বছর কক্সবাজার সহ বৃহত্তর চট্রগ্রামের প্রায় ৩ শতাধিক ওমরাহ যাত্রীর এবার সৌদিআরবে পবিত্র ওমরায় যাওয়া হয়নি। এদিকে অসংখ্য ওমরাহ যাত্রী ওমরায় যেতে না পারার নেপথ্যে রয়েছে সওদি আরব সরকারের কড়াকড়ি, কতিপয় রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিকের অনিয়ম,ও নানা দুর্নীতি।একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে,প্রতিবছর রমজানের এ মৌসুমে পাচারে উদ্দেশ্যে অসাধু এজেন্সী মালিকগন যে কোন একটি নড়বড়ে এজেন্সীর ব্যানারে সারা দেশের প্রায় ১০/১২হাজার নো-ব্যাক ওমরাহর যাত্রীও হজ্ব যাত্রী সংগ্রহ করে।প্রতি যাত্রী সাড়ে তিন,চার লাখ টাকা করে নিয়ে “নো-ব্যাক” হিসেবে পাচার করে।বিনিময়ে কয়েক‘শ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। উক্ত টাকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ও ভাগবণ্টন হয় বলে জনশ্র“তি রয়েছে।সূত্রে জানা যায়,লাইসেন্স বাতিল হলে ও এতে সমস্যা নেই।একাংশ টাকা ব্যায় করে ও আরেকটি লাইসেন্স নেয়া যায়।এভাবে এই অসাধু চক্রটি সরকারের রাজস্বে ফাকি দিয়ে বিদেশে বাংলাদেশের শ্রম বাজার ধবংশ করছে।বিদেশী কূটনীতিকরা ও বাংলাদেশী পেশাজীবি মানুষ কে সন্দেহের চোখে দেখে।###

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT