হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

পর্যটনপ্রচ্ছদবিশেষ সংবাদ

বিলিন হয়ে যাচ্ছে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন: চলছে স্বেচ্ছাশ্রমে রক্ষার লড়াই

নুর মোহাম্মদ সেন্টমার্টিন থেকে::  বিলিন হয়ে যাচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন। চলছে স্বেচ্ছাশ্রমে রক্ষার প্রাণপন লড়াই। বঙ্গোপ সাগরের করাল গ্রাসে আশংকাজনকভাবে দিন দিন ছোট হয়ে যাচ্ছে সেন্টমার্টিনদ্বীপের মানচিত্র। স্থানীয় মেম্বার আলহাজ্ব মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান খান প্রকাশ হাবিব খান বলেন সরকারী বরাদ্ধ না পেয়ে অবশেষে ৬ জুলাই সেন্টমার্টিনের একমাত্র কবরস্থান রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমের আয়াজন করা হয়। স্বেচ্ছায় কবরস্থান রক্ষায় যারা এগিয়ে আসেন হাফেজ আল আমিন, মোহাম্মদ রহিম প্রকাশ পুতুইন্না মাঝি, মেকানিক আব্দুস শুক্কুর,পান দোকান্দার আব্দুস শুক্কুর,বাইসাইকেল ব্যবসায়ী হাফেজ আহমদ, ভ্যানগাড়ি চালক হোসাইন আহমদ, প্রবাসী মৌলভি আব্দুল্লাহ,ফিসারম্যান আব্দুল হামিদ, সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টিতে ভিজে অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন দ্বীপ রক্ষায় এগিয়ে আসুন দ্বীপ থাকলেই থাকবে আমাদের রাজনীতি, সমাজনীতি,ব্যবসা বানিজ্য সবকিছুই। সব জায়গায় স্বার্থ আর রাজনীতি না খোজে দ্বীপের উন্নয়নে সবাইকে একমত হতে হবে এক জায়গায় আসতে হবে, তাহলেই দ্বীপ রক্ষা হবে দ্বীপের উন্নয়ন হবে, অন্যতায় তিলে তিলে সবকিছুই ধ্বংস হবে যাবে আমরা বুঝে উঠার আগেই।

প্রায় দুইশ’ বছর আগে থেকে বসতি শুরু হয় দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমাটিনে। এর পর থেকে বিভিন্ন সময় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ ভয়াবহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ টেকনাফ উপকূলে আঘাত হানলেও কখনো মনোবল ভাঙেনি সেন্টমার্টিন দ্বীপবাসীর।
কিন্তু সম্প্রতি এ দ্বীপে দু’টি জলোচ্ছ্বাসে আঘাত হানে এবং দ্বীপের চারপাশে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে ভাবনায় পড়েছে দ্বীপের প্রায় ৯ হাজার বাসিন্দা। ভাঙনের কবলে পড়ে ৮.৩ বর্গ কিলোমিটারের দ্বীপটি দিন দিন ছোট হয়ে আসায় দেশের মানচিত্র থেকে দ্বীপটি হারিয়ে যাবে এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন দ্বীপবাসী।
এ দ্বীপের পরিবেশ, পর্যটন ও জীববৈচিত্র রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে

এমইউপি আলহাজ্ব মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান খান হাবিব বলেন, এ দ্বীপে মানুষের  বসবাস শুরু হয় প্রায় দুইশ’ বছর আগে। দ্বীপে বসতি শুরুর পর এভাবে কোনোদিন এখানে পানি ওঠেনি। এ রকম ভয়াবহ ভাঙনও কোনো সময় দেখা যায়নি। জোয়ারের পানি আর সমুদ্রের ঢেউয়ের কারণে দ্বীপে চারপাশেই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। বেশি ভেঙেছে উত্তর-পশ্চিম অংশে। এদিকে বিস্তীর্ণ কেয়াবন সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। দ্বীপের একমাত্র কবরস্থানটির প্রায় দেড়শ’ ফুটেরও বেশি সাগরে তলিয়ে গেছে। মাটি সরে যাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িসহ আশপাশের কয়েকটি সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে কবর থেকে বেরিয়ে আসে মানুষের কঙ্কালও।
এছাড়া সরকারি-বেসরকারিভাবে স্থাপনা নির্মিত হলেও নির্মিত হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ। পর্যটন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের গৃহীত উন্নয়ন পরিকল্পনা ধরে রাখতে মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি করেন।
চেয়ারম্যান নুর আহমদ আরো বলেন, ‘দ্বীপের চতুর্দিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের কবলে পড়ে বহু বসতবাড়ি ও সরকারি বেসরকারি অবকাঠামো সাগরে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন রোধে ক্ষতিগ্রস্তরা ব্যক্তি উদ্যোগে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে চাইলে প্রশাসন বাধা প্রদান করে। আমি সেন্টমার্টিন দ্বীপের চতুর্দিকে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি’।
স্থানীয়রা জানান, ১৯৯১সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়, ৯৪’র জলোচ্ছ্বাসসহ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এ দ্বীপে পানি ওঠেনি। ভাঙনের সমস্যাও তেমন একটা ছিল না। কিন্তু দ্বীপে বসতি শুরুর দীর্ঘ দুইশ’ বছর পর, বিগত বছরগুলোতে পূর্ণিমার জোয়ারে হঠাৎ সেন্টমার্টিনে জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। দ্বীপের চতুর্দিকে ভাঙন শুরু হয়। ভাঙনের কবলে পড়ে দ্বীপের চারপাশে বিশাল অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। ভাঙন কবল থেকে রক্ষায় পায়নি দ্বীপের আটটি বসতঘরসহ প্রায় ২১টি স্থাপনা পানিতে ধসে যায়। ভাঙনের কবলে পড়ে দ্বীপের উত্তর ও পশ্চিম অংশে অবস্থিত একমাত্র একমাত্র কবরস্থানটির ১৫০ ফুটেরও বেশি সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে গেছে।  ফলে শঙ্কিত হয়ে পড়ে দ্বীপের বাসিন্দারা।
জানা গেছে,বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।প্রায় দুইশ’ বছর আগে থেকে বসতি শুরু হয় দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমাটিনে। এর পর থেকে বিভিন্ন সময় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ ভয়াবহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ টেকনাফ উপকূলে আঘাত হানলেও কখনো মনোবল ভাঙেনি সেন্টমার্টিন দ্বীপবাসীর। কিন্তু সম্প্রতি এ দ্বীপে দু’টি জলোচ্ছ্বাসে আঘাত হানে এবং দ্বীপের চারপাশে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে ভাবনায় পড়েছে দ্বীপের প্রায় ৯ হাজার বাসিন্দা। ভাঙনের কবলে পড়ে ৮.৩ বর্গ কিলোমিটারের দ্বীপটি দিন দিন ছোট হয়ে আসায় দেশের মানচিত্র থেকে দ্বীপটি হারিয়ে যাবে এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন দ্বীপবাসী।

দ্বীপের একমাত্র কবরস্থানটির প্রায় দেড়শ’ ফুটেরও বেশি সাগরে তলিয়ে গেছে। মাটি সরে যাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িসহ আশপাশের কয়েকটি সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে কবর থেকে বেরিয়ে আসে মানুষের কঙ্কালও। এছাড়া সরকারি-বেসরকারিভাবে স্থাপনা নির্মিত হলেও নির্মিত হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ। পর্যটন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের গৃহীত উন্নয়ন পরিকল্পনা ধরে রাখতে মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি করেন। উপস্থিত সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান নুর আহমদ আরো বলেন, ‘দ্বীপের চতুর্দিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের কবলে পড়ে বহু বসতবাড়ি ও সরকারি বেসরকারি অবকাঠামো সাগরে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন রোধে ক্ষতিগ্রস্তরা ব্যক্তি উদ্যোগে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে চাইলে প্রশাসন বাধা প্রদান করে। আমি সেন্টমার্টিন দ্বীপের চতুর্দিকে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি’। স্থানীয়রা জানান, ১৯৯১সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়, ৯৪’র জলোচ্ছ্বাসসহ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এ দ্বীপে পানি ওঠেনি। ভাঙনের সমস্যাও তেমন একটা ছিল না। কিন্তু দ্বীপে বসতি শুরুর দীর্ঘ দুইশ’ বছর পর, বিগত বছরগুলোতে পূর্ণিমার জোয়ারে হঠাৎ সেন্টমার্টিনে জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। দ্বীপের চতুর্দিকে ভাঙন শুরু হয়। ভাঙনের কবলে পড়ে দ্বীপের চারপাশে বিশাল অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। ভাঙন কবল থেকে রক্ষায় পায়নি দ্বীপের আটটি বসতঘরসহ প্রায় ২১টি স্থাপনা পানিতে ধসে যায়। ভাঙনের কবলে পড়ে দ্বীপের উত্তর ও পশ্চিম অংশে অবস্থিত একমাত্র একমাত্র কবরস্থানটির ১৫০ ফুটেরও বেশি সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে গেছে।  ফলে শঙ্কিত হয়ে পড়ে দ্বীপের বাসিন্দারা। জানা গেছে,বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.