হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপর্যটন

বিদেশী র্পযটক নিশ্চিত ও সুবিধা বাড়ালে ককসবাজার দেবে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকা

ফরিদুল মোস্তফা খাঁন, কক্সবাজার …এক্রক্লুসিভ ট্যুারিষ্ট জোন করে বিদেশী র্পযটক আনা সহ অনুকুল সুবিধা সৃষ্টি করতে পারলেই কক্সবাজার থেকে বছরে কমপক্ষে ২০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করা সম্ভব হবে । কারণ শুধু বৃহত্তর এশিয়া মহাদেশ নয় পুরো পৃথিবীর মধ্যে র্পযটনে ককসবাজারের কোন তুলনা নেই । এ্ই সমুদ্র সৈকত দুনিয়ার দ্বিতীয় র্দীঘতম ।অপরূপা এ জনপদ নিরন্তর হাতছানি দিয়ে ডাকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের। এটি শুধু ককসবাজার হিসাবে দেখলে ভাল হবেনা । মনে করতে হবে এযেন স্রষ্টাপ্রদত্ত বাংলাদেশের অহংকার ।
স্থানীয় ভ্রমন পিপাসু
স্বপ্নের এ জনপদে যার পদার্পণ ঘটেছে তিনিই অসংকোচে এর প্রেমে পড়ে গেছেন। পৃথিবীর সব দেশের পর্যটকরা এক বাক্যে স্বীকার করেছেন যে, পাহাড়ঘেরা, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জনপদ কক্সবাজারই বিশ্বসেরা। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, একে সব ধরনের সুবিধাসম্বলিত আধুনিক পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলা হলে বছরে প্রচুর রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।
দীর্ঘ এই সমুদ্র সৈকত দীর্ঘতম সময় ধরে ধারণ করে সূর্যের হাসি। সূর্যের অকৃপণ রশ্মি সমুদ্রের বিস্তৃত অগাধ জলরাশির উপর খেলা করে। সূর্যালোকের ভালবাসার ছোঁয়া নিয়ে বয়ে চলে সমুদ্র। চলার পথে কখনো মৃদু, কখনো জোরালো স্বরে জানান দিয়ে চলে আকাশ আর পৃথিবীর সাথে তার নিবিড় সখ্যতার কথা। কখনো জলরাশি বিস্তৃত করে পৃথিবীকে আরো ঘনিষ্ঠ করে পেতে চায়। তারপর আবার ছুটে চলে সেই মহাতীর্থ লক্ষ্য করে। যেখানে আকাশ মিলেছে মৃত্তিকার সাথে। আকাশের দিকে চেয়ে অবিরত ঢেউ তোলে সাগর। তার লোনা জলের পরশ নিয়ে সমুদ্র তটে বসে থাকা পর্যটকদের দেহ-মন ছুঁয়ে যায় হু হু বাতাস। রাত হলে উঠে আসে চাঁদ। পূর্ণ চাঁদের রাতে আরও উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠে সাগরের পানি। ঢেউয়ের পরে আছড়ে পড়ে ঢেউ। লোনা জলের পারস্পরিক সম্মিলনে দীপ জ্বলে-নেভে অবিরাম। সূর্যের আলোকে নজরে পড়ে না অবিরাম এই দীপ জ্বলা। কিন্তু চাঁদের স্নিগ্ধ আলো এ দৃশ্যকে স্পষ্ট করে তোলে। দূর থেকে মনে হয়, এক স্বপ্নময় রাজ্যের নব রাজপাটের অভিষেক হচ্ছে। নজরে পড়ে, সমুদ্রের বুক চিরে ট্রলার আর জেলে নৌকার ছুটে চলা।
কক্সবাজারের প্রবেশ পথ হতে শুরু করে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে অসংখ্য পাহাড়। সার্কিট হাউজ আর নিউ সার্কিট হাউজ অবস্থান করছে পাশাপাশি দু’টি পাহাড়ের উপর। সেখান হতে দৃষ্টিগোচর হয় সমগ্র শহর, উচ্ছ্বসিত-উদ্বেলিত সাগর। সমুদ্র যেন ডাক দিয়ে বলে তার নিকটে-আরও নিকটে যেতে, ঝাঁপিয়ে পড়তে তার উদ্বেল-আকুল বুকে। আছে বিস্ময় আর বিমোহিত সৌন্দর্যের সংমিশ্রিত আধার সেন্টমার্টিন। প্রবাল জমে সাগরের বুকে সৃষ্টি হয়েছে এ দ্বীপ।
পর্যটন শিল্প এবং স্পট সম্পর্কে যারা খোঁজ-খবর রাখেন তাদের অভিমত, যদি আধুনিক ট্যুরিষ্ট স্পট হিসাবে কক্সবাজারকে গড়ে তোলা যায় তবে পর্যটকের সংখ্যা বিশেষ করে বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা অন্ততঃ দশগুণ বৃদ্ধি পাবে। সেক্ষেত্রে রাজস্ব আয় দাঁড়াবে ন্যূনতম ২০ হাজার কোটি টাকা। ওয়াকিবহালদের এ অভিমত উড়িয়ে দেয়া যায় না। কেননা, হাতের কাছেই আছে মাল¬দ্বীপ, ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর এর জ্বলন্ত উদাহরণ।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.