হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজারপর্যটনপ্রচ্ছদ

বিচ্ছিন্ন থাকছে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের কলাতলী সংযোগ সড়ক

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::  নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলী সংযোগ সড়ক পুনর্নির্মাণ কাজ। ফলে ঈদের ছুটিতে পর্যটন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকছে কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ সড়কটি। গত চার মাস ধরে বিকল্প চলাচল হিসেবে সৈকতের বালিয়াড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে পানি বাড়তে থাকায় চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, কাজের ধীরগতি, বার বার ডিজাইন পরিবর্তন ও নানা কারণে দুর্ভোগে পড়েছে সড়কে চলাচলরত সাধারণ মানুষ ও দেশি-বিদেশী পর্যটকরা।

পর্যটকদের পাশাপাশি সড়কটি নিয়মিত ব্যবহার করছেন শহরের কলাতলী, দরিয়ানগর, রামুর হিমছড়ি, উখিয়ার সোনারপাড়া, ইনানী, মনখালী, টেকনাফের শামলাপুর, বাহারছড়াসহ লাখো উপকূলবাসী।

জানা যায়, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রের ধার ঘেঁষে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৮০ কিলোমিটারে দীর্ঘ এ মেরিন ড্রাইভ সড়কটি গত ২০১৭ সালের ৬ মে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে এপ্রিল পর্যন্ত তিন মাসের জন্য কলাতলীর গ্রামীণ সড়কটি সংস্কারের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়ে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়। তখন থেকে শহরের সঙ্গে মেরিন ড্রাইভ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

পরে সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগ মেরিন ড্রাইভের বেইলি হ্যাচারি পয়েন্ট থেকে সমুদ্র সৈকতে ওঠানামার একটি বিকল্প পথ তৈরি করে। একইভাবে কলাতলী পয়েন্টেও মাটি দিয়ে একই ধরনের পথ তৈরি করে। কিন্তু সমুদ্র সৈকত ধরে সনাতনী উপায়ে যানবাহন চলাচল নির্ভর করছে এখন সমুদ্রের জোয়ার-ভাটার ওপর। এতে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। রিকশা ও ইজি বাইক গুলো বাড়িয়ে দিয়েছে ভাড়া।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, পৌরসভা তিন মাসের মধ্যে পুনর্নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা বললেও এখনও এক তৃতীয়াংশ কাজ শেষ করতে পারেনি। ক্ষতির মুখে পড়বে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে গড়া উঠা হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট মালিকরা।

আরও পড়ুন: শিকারি ছেড়ে দিয়ে মাংস নিয়ে এলো কোস্টগার্ড

কক্সবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, কাজ প্রায় অর্ধেক শেষ হয়েছে। বাকিটুকু দ্রুত শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে, কোনো সড়কের কাজ যেন দুর্বল না হয়। তাই সড়কটি এমনভাবে করতে চাই, যাতে দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তাই একটু দেরি হচ্ছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজটি চলমান আছে। তারা কথা দিয়েছে দ্রুত শেষ করবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.