বিএসটিআই এবং বিএফএসএ সিদ্ধান্ত: এনার্জি ড্রিংকে স্বাস্থ্যহানি

প্রকাশ: ৬ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:৪৪ : পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::
এনার্জি ড্রিংককে কর্তৃপক্ষের স্বীকৃতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফেকচারিং অ্যাসোসিয়েশন-বিবিএমএ।
বৃহস্পতিবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে  এক সংবাদ সম্মেলনে দেশে কোমল পানীয় উৎপাদকদের সংগঠনটির এই প্রতিক্রিয়া আসে।

বিবিএমএ সভাপতি হারুন অর রশীদ বলেন, এনার্জি ড্রিংক উৎপাদকরা তাদের পণ্যের মাণ নির্ধারণের জন্য বিএসটিআই ও বিএফএসএ (বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি) এ আবেদন করেছিল।

“কিন্তু বিএসটিআই এবং বিএফএসএ তাদের সে আবেদন নাকচ করে দিয়ে বলেছে, জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করে বাংলাদেশের কোন এনার্জি ড্রিংক-এর মান নির্ধারণ করবে না। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানা।”

এনার্জি ড্রিংকের স্বাস্থ্যহানির দিকটি তুলে ধরে এর বিপক্ষে কথা বলে আসছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “এনার্জি ড্রিংক বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে গণশুনানির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসটিআই। আমরা মনে করি দেশের মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসটিআই।”

হারুন বলেন, “এনার্জি ড্রিংককে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং মান প্রণয়ন না করা একটি সাহসী পদক্ষেপ।”

বিবিএমএ’র কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইর মান ব্যতিত কোনো পানীয় উৎপাদন বা বাজারজাত করছে না বলে জানান তিনি।
বিবিএমএ সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীম উদ্দীন বলেন, কোমল পানীয় অর্থাৎ কার্বনেটেড সফট ড্রিংকস নিয়ে জনমনে কিছু ‘ভুল ধারণা’ তৈরি হয়েছে। অনেকেই কার্বনেটেড সফট ড্রিংকসকে অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন।“আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে আশস্ত করতে চাই যে, সংগঠনের সকল সদস্য বিএসটিআই-এর মান ‘বিডিএস ১১২৩’ অনুযায়ী কার্বনেটেড বেভারেজ প্রস্তুত করছে এবং তা সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ।”

দেশে উৎপাদিত বেভারেজ নিয়ে সঠিক তথ্য না পৌঁছানোর কারণে এই বিশাল বাজারটি যে কোনো সময় হুমকির মুখে পড়ে লাখো মানুষ বেকার হয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন শামীম।

বেভারেজ শিল্প বিকাশে সঠিক তথ্য উপস্থাপনের জন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশে কোমল পানীয়র বড় বাজার রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের কোমল পানীয় ৯০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।


সর্বশেষ সংবাদ