হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদস্বাস্থ্য

বাড়ছে ঠাণ্ডা জনিত রোগ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক: : কয়েকদিন ধরে ঠান্ডা বাতাস বইছে। সাথে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ। এই রোগের প্রভাবে নানা বয়সি লোকের মধ্যে দেখা দিচ্ছে সর্দি, কাশি, হাঁচি ও শ^াসকষ্ট। এতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, সচেতনতা আর বাড়তি যতœ ও সঠিক সময়ে চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ওই ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া ৪২ শিশু’র মধ্যে ৩০ জনই হচ্ছে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত। তাদের মধ্যে অনেক শিশুকে অক্সিজেন দেওয়া নিয়ে ব্যস্থ সময় কাটাতে দেখা যায় নার্সদের।
রামু’র মিঠাছড়ি এলাকার আব্দুর রহিম জানান, তার এক বছর বয়সী শিশু মোহামুদুল হাসানের এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ঠান্ডা লেগেছে। তাকে গত ৬ দিন আগে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। কিন্তু এখনও কোন ধরনের উন্নতি হয়নি।
একইভাবে রাবেয়া নামে মহেশখালী’র এক নারী জানান, তার ২ বছর বয়সী বাচ্চা রোম্পা’র অতিরিক্ত শ^াসকষ্ট হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এনে অক্সিজেন দেওয়ার পরে একটু স্বাভাবিক লাগছে। আর প্রতিদিন অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।
ঠান্ডা জনিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সর্ম্পকে ডাক্তার নোবেল কুমার বড়‍ুয়া জানান, কোনভাবে ঠান্ডা লাগানো যাবেনা। কান আর মাথা সবসময় ঠান্ডা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। গরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে। গরম কাপড় পড়ার সময় খেয়াল রাখতে এটি যেন নোংরা আর ধুলিমাখা না হয়। তাই গরম কাপড় ব্যবহারের আগে রোদে শুকাতে দেওয়া উচিত। এছাড়া অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। গোসলের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। অনেকে ঠান্ডার কারনে গোসল করতে চায়না। এটা উচিত না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য অবশ্যই গোসল করতে হবে। প্রয়োজনে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্ব শ^াসকষ্টের বিষয়টি। বাচ্চার যদি শ^াস প্রশ্বাস দ্রুত চলে মায়ের দুধ না খায়, অতিরিক্ত কান্না করে। খাওয়া বন্ধ করে দেয়, খেলাদুলা বন্ধ করে দেয় তাহলে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। আর লান্সএর অবস্থা বুঝে অক্সিজেন দিতে হবে। সতর্ক আর সচেতনতার মাধ্যমে এই রোগ সেরে উঠবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.