হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয়সাহিত্য

বাংলা ভাষা বাংলাদেশ ইসলাম ও মুসলমান

teknafnewsউবায়দুর রহমান খান নদভী : পৃথিবীর আলো বাতাসে প্রথম চোখ খুলেই একটি মানবশিশু সাধারণত তার মায়ের দেখা পায়। প্রথম নিঃশ্বাসটুকু সে নিয়ে থাকে মাতৃস্নেহ বিধৌত বাতাসে। প্রথম পুষ্টিটুকুও সে পেয়ে থাকে মায়ের মমতায় উষ্ণতায়। আর নবজাত এ শিশুটির কান প্রথম যে শব্দগুলো শুনে, বাক শক্তির প্রথম প্রয়োগ সে যেসব শব্দ ব্যবহারে শুরু করে- সে তারই মায়ের কথা, মায়ের ভাষা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, পরম করুণাময় আল্লাহ, দিয়েছেন কোরআনের শিক্ষা। মানুষ সৃষ্টি করে তাকে দিয়েছেন ভাবপ্রকাশের শক্তি। মানবজাতির প্রতি তার যত প্রত্যাদেশ সবই এসেছে মাতৃভাষায়, মানুষের ভাষায়। মহান আল্লাহ বলেছেন, আমি যত রাসূল প্রেরণ করেছি তাদের প্রত্যেককেই প্রেরণ করেছি তাদের নিজ সম্প্রদায়ের ভাষায়। যাতে তারা আমার বাণী তাদের ভালো করে বুঝিয়ে বলতে পারেন।
পবিত্র কোরআন ভাষার বৈচিত্র্যকে বলেছে আল্লাহর কুদরতের শান। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সর্বশেষ ঐশীগ্রন্থ পবিত্র কোরআন আরবী ভাষায় নাজিল করার পেছনেও আল্লাহতাআলার মাতৃভাষানীতিই কার্যকর ছিল। মহান আল্লাহ বলেন, (আরব্য পরিবেশে) আরবী ভাষায়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি, যেন তারা তা বুঝতে পারে। মহানবী (সা.) নিজের সম্পর্কে বলেছেন, আমি আরব্য সম্প্রদায়ের বিশুদ্ধতম ভাষার অধিকারী ব্যক্তি। বিশ্বব্যাপী ইসলাম প্রচারের জন্যে সাহাবী ও তাবেয়ী যুগে যত মনীষী দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়েছেন, ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায় যে, তারা প্রত্যেকেই যে অঞ্চলে স্থিত হয়েছেন সেখানকার মানুষের ভাষা আত্মস্থ করে নিয়েছেন। স্থানীয় ইসলাম প্রচারকদের নিজ নিজ মাতৃভাষায় দ্বীনের চর্চা করার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। সুদূর চীন থেকে জাভা, সুমাত্রা, চট্টলা, মালাবার, সিন্ধু অববাহিকা হয়ে পারস্য উপসাগর সবই অনারব ভাষা-সংস্কৃতির নতুন চারণভূমি যা আরব প্রচারকরা স্থানীয়দের মাতৃভাষা দিয়েই আবাদ করেছিলেন। জুড়েছিলেন হৃদয় ও মননচর্চার প্রেমময় চাষবাস। রং ও আলোর দেশ বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
পৃথিবীতে মানবীয় দুর্বলতা, বিদ্বেষ ও কলুষময় নীতির কবলে মানুষের জন্মগত অধিকার নিয়েও ছিনিমিনি খেলা চলে। যার ফলে গাঙ্গেয় বদ্বীপ বাংলাদেশেও বাংলাভাষার উন্নয়ন, বিকাশ ও অস্তিত্ব নিয়ে প্রাচীনকাল থেকেই হয়েছে অনেক অপ-রাজনীতি। বাংলাদেশের ভূমিপুত্র কথিত নীচু জাতের হিন্দু ও বৌদ্ধ সমাজে বাংলাভাষার প্রচলন ছিল প্রাকৃতিক সত্য। পারস্য ইহুদী বংশোদ্ভূত আর্যদের যে অংশটি দক্ষিণ ভারত থেকে এ দেশে শাসক ও নিয়ন্ত্রক হয়ে আসে, বহিরাগত এ অপশক্তিই এদেশে শুরু করে জাতপাত প্রথা আর হিংসার রাজনীতি। বৌদ্ধ সভ্যতা তো মানব ইতিহাসের মর্মান্তিক জাতিগত গণহত্যার মাধ্যমে শেষই করে দেয়া হয়। ভূমিপুত্র হিন্দুদেরও ব্রাহ্মণ্যবাদের নাগপাশে জড়িয়ে করে দেয়া হয় চির অথর্ব। এমনকি সংস্কৃত ভাষা ও দক্ষিণ ভারতীয় বিক্রমী বচন প্রচলনের লক্ষ্যে মনগড়া ধর্মীয় বিধান প্রচার করা হয়। বলা হয়, যারা বাংলাভাষায় কথা বলবে তারা রৌরব নরকে নিক্ষিপ্ত হবে। আবার বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দুদের কেউ যদি ধর্মগ্রন্থ পাঠ বা শ্রবণ করে তাহলে ব্রাহ্মণগণ তার কানে গলিত সীসা ঢেলে দেয়ার বৈধতা রাখেন।
গুপ্ত মৌর্য পাল ও সেন শাসকদের নানা রকম রীতি-সংস্কৃতির যাঁতাকলে ওষ্ঠাগতপ্রাণ বাংলা ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে তুর্কিদের হাতে বিজিত হয়। দীর্ঘ আট শতাধিক বছরের তুর্কি, আরব, পাঠান, মোগল, বৃটিশ ও পাকিস্তানী শাসনে বাংলার নিজস্বতা ছিল স্বীকৃত। সকল মুসলিম শাসক, প-িত ও গুণী ব্যক্তিই বাংলা ভাষার বিকাশে কাজ করেছেন। ’৫২-এর ভাষা আন্দোলনও ছিল প্রতিবাদী মুসলমানদের অবদান। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি ভাষাশহীদ রফিক, সালাম, জব্বার ও বরকতদের। যাদের আত্মত্যাগে বাংলা আজ আমাদের মাতৃভাষার পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা।
এ পর্যায়ে আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই মহান আরব সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে যাকে আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়। বাংলাদেশের নামকরণ যেমন তিনি করেছেন, আমাদের বর্তমান মানচিত্রটিও তার ভাবনার প্রতিফলন। তিনি এদেশে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় মসজিদ নির্মাণ, মাদরাসা, পান্থশালা ও খানকার ব্যয় নির্বাহ চালু করেন। আনুষ্ঠানিক মুদ্রা ব্যবস্থা, ভূমি নীতি ও প্রজাহিতৈষী নানা পদ্ধতির তিনিই প্রবক্তা। বাংলাভাষাকেও তিনি সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সামাজিক ও ব্যবহারিক মর্যাদায় ভূষিত করেন। বাংলাদেশে বাংলাভাষার দুর্দিনে আরাকান রাজসভায় বাংলাভাষী কবি-সাহিত্যিকের কদর মূল্যায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতা ইতিহাসে বিবৃত রয়েছে। মুসলিম প-িত ও আলেমদের হাতেই পুঁথিসাহিত্য বিকশিত হয়। বাংলার লোকসাহিত্য এখনো মুসলিম ইতিহাস-ঐতিহ্য ও হিরোদের এ কারণেই ধারণ করে আছে। বাংলাভাষা সাহিত্য পূর্ণতই ইসলামী ভাবধারায় লালিত ও বিকশিত। মুসলিম শাসক ও প-িতদের পৃষ্ঠপোষকতায়, আলেম সমাজের তত্ত্বাবধানে এর নবজন্ম বিকাশ ও উন্নয়ন ঘটেছে বলে আরবী ভাষার সাথে এর সাযুজ্য অসামান্য। যেমন, বই শব্দটির মূল ওহী। খোদায়ী প্রত্যাদেশ ওহী, সংস্কৃত উচ্চারণে বহি হয়ে আমাদের ভাষায় হয়েছে বই। কিতাব অর্থ যেমন বই। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে আল-কিতাব বলতে পবিত্র কোরআনকেই বোঝায়। বই শব্দটিও নির্দিষ্ট অর্থে ওহীর ফসল পবিত্র কোরআন ও হাদীস তথা ইসলামী গ্রন্থকে বোঝায়। এটিও বাংলাভাষার বিকাশে আলেম সমাজের অংশগ্রহণ ও ভূমিকার অন্যতম প্রমাণ।
আরবী ভাষায় ‘আদব’ শব্দটির অর্থ ‘সাহিত্য’ এর চেয়ে বেশি সুন্দর ও আক্ষরিক আর কিছু কি হতে পারে? লিটারেচার শব্দ সাহিত্য বা আদবের পূর্ণতর অর্থ কোনদিনই খুঁজে পাওয়া যাবে না। বাংলা বর্ণমালাকে বিশ্বের সেরা বর্ণমালা বলতে আমার গর্বে বুক ভরে ওঠে যখন দেখতে পাই যে, পবিত্র কোরআনের উচ্চারণে বাংলা ভাষার চেয়ে আরবীর অধিক নিকটবর্তী কোন অনারব ভাষা পৃথিবীতে নেই। আরবীতেও হরফের উচ্চারণ ও উচ্চারণস্থল (মাখরাজ) আলাদা শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে। যাকে তাজভীদ বা পাঠোৎকর্ষ বলা হয়। কিন্তু বাংলা বর্ণমালায় বর্ণের নামই রাখা হয়েছে তাজভীদের আলোকে মাখরাজ নির্দেশ করে। যেমন, আরবী ‘সীন’ এর জন্য ‘দন্ত-স’। দাঁতের সাথে জিহ্বা লাগালে যেটি উচ্চারণ করা যায়। ইংরেজি এস-এর উচ্চারণ। ‘শীন’-এর উচ্চারণ তালব্য-শ। তালুর সাথে জিহ্বা সংযুক্ত করলে যেটি উচ্চারিত হয়। ইংরেজি এসএইচ সংযুক্ত হওয়ার মত। যেমন, শামস্। এখানে ‘সীন’ ‘শীন’ দুটিই সঠিক উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়েছে। এবার দেখুন ‘সোয়াদ’ এর জন্য ‘ষ’ মূর্ধন্য-স। যদি সঠিক ব্যবহার জানা থাকে তাহলে ‘স্ব’ সংযুক্ত করেও সীন, শীন, সোয়াদ ও সা (ছা) এর উপযোগী বানান রীতি তৈরি করে নেয়া সম্ভব। জীম, জোয়া, যাল ও যা উচ্চারণের জন্য ‘জ’ অন্তস্থ ‘য’ এর অর্থপূর্ণ ব্যবহারবিধি তৈরিও গবেষণার মাধ্যমে সম্ভব। ‘ওয়াও’ উচ্চারণের জন্য ‘ব’ এবং ‘ভ’ ব্যবহৃত হয় কিন্তু ‘বা’ উচ্চারণের জন্য পেটকাটা ব বর্তমানে বর্ণমালায় আর নেই। যেমন ব্যবহারের জায়গা না থাকায় কিছু হরফ আর ছাপা হয় না। কিন্তু তাজভীদ বিজ্ঞানীরা বাংলা বর্ণমালা নিয়ে সামঞ্জস্য বিধানে নামলে খুব সহজেই কোরআনী উচ্চারণ বাংলা বর্ণমালায় রূপায়িত করা সম্ভব হতে পারে। আলিফ যের ই বোঝাতে বাংলাতে পাওয়া যাবে হ্রস্ব-ই। আলিফ ইয়া যের বোঝাতে রয়েছে দীর্ঘ-ঈ। এক আলিফ মাদের জন্য আলাদা স্বরবর্ণ আর ক’টি ভাষায় পাওয়া যাবে বলুন। বাংলা ভাষায় তো হ্রস্ব-উ আর দীর্ঘ-ঊ-ও আছে। যবরের জন্য আকারকে মাদের চিহ্ন বিশিষ্ট আরেকটি রূপ তো আলেমগণ দিতেই পারেন। যেমনটি অভিধান ও বিশ্বকোষ রচয়িতারা করে থাকেন।
আদিকাল থেকে বাংলা ভাষাকে কোরআন, হাদীস ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মাতৃভাষা এবং খোদার সেরা দান হিসেবে বরণ করে নিয়েছেন মুসলিম মনীষী ও সাধারণ মানুষ। যারা একে হিংসা, নিন্দা ও বাধাগ্রস্ত করেছেন তাদের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিগত সময়ে কবি আবদুল হাকিমকে রচনা করতে হয়েছে ‘যে জন বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী, সেজন কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি’র মত কটূক্তিমূলক কবিতা। বিংশ শতাব্দীতে বাংলা ভাষা, স্বাধিকার ও মুক্তির আন্দোলন পূর্ণতা লাভ করেছে। আমরা পেয়েছি নতুন রাষ্ট্র, নতুন জাতিসত্তা, নতুন পরিচয়। ভারতীয় বাংলাভাষীরা আজ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে হিন্দিকে প্রধান ভাষা মেনে আঞ্চলিক পর্যায়ে মাতৃভাষা বাংলার ব্যবহার করছেন। যা মিশ্র ভাষা-সংস্কৃতির দাপটে উর্দু, হিন্দি, ইংরেজি, অসমিয়াসহ অন্য অনেক ভারতীয় ভাষার সাথে মিলে মিশে বিচিত্র রূপ ধারণ করছে। অবিমিশ্র আসল বাংলা এখন বাংলাদেশেই আছে। স্বাধীন দেশে মুক্ত বাংলাভাষা। এ আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়অবস্থান ও মাথাউঁচু অস্তিত্ব হাজার বছরে বাংলার মুসলিম শাসক, প-িত, আলেমসমাজ এবং মুক্তিকামী জনতার সংগ্রাম ও সাধনার ফসল।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রাচীন ও আধুনিক বিশ্বসাহিত্যের কী পরিমাণ বাংলায় ভাষান্তরিত হয়েছে জানা নেই। কিন্তু দেড় হাজার বছরের বিশাল ইসলামী গ্রন্থাগার প্রায় সবটুকুই বাংলায় অনূদিত হয়ে গেছে। আদালতে ও অফিসপাড়ায় বাংলার প্রচলন কতটুকু হয়েছে জানা নেই। তবে ইসলামী অঙ্গনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলার প্রচলন বহু আগেই সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ উচ্চশিক্ষায় বাংলার ব্যবহার শতভাগ সম্ভব হয়েছে কিনা বলা যাবে না, তবে ইসলামী শিক্ষাঙ্গনের সর্বোচ্চ স্তরে বাংলার ব্যবহার খুবই সাবলীল। সাড়ে চার লাখ মসজিদ ও নামাজকক্ষে বছরের ৩৬৫ দিনই বাংলা চলে। তিন শতাধিক জামে মসজিদে জুমার বয়ান, তাফসীর, তালীম হয় মাতৃভাষা বাংলায়। প্রতিদিন বাংলাদেশে হাজারো ধর্মীয় সভা-সম্মেলনে কথা হয় বাংলায়। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে যতগুলো বই প্রকাশিত হয়েছে এর অর্ধেকেরও বেশি হয়েছে ধর্মীয় জ্ঞান ও সাহিত্য সংক্রান্ত। যার ৯০ ভাগ লেখক আলেম-ওলামা। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে গড়ে প্রতিদিন দশটি নতুন ইসলামী বই প্রকাশিত হয়ে থাকে, যার প্রায় সবক’টির লেখকই হচ্ছেন নবীন-প্রবীণ আলেম গ্রন্থাকার। এদের মধ্যে অনেক সংকলক ও অনুবাদকও রয়েছেন। আধুনিক বাংলাদেশের সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও জ্ঞান-গবেষণার জগতে আলেমদের উপস্থিতি খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। বাংলা ভাষায় মুসলিম সাংবাদিকতার জনক মওলানা আকরাম খাঁ থেকে শুরু করে মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, মাওলানা আবদুল্লাহিল কাফি কোরাইশী, আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী, মাওলানা নূর মোহাম্মদ আজমী, শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক, মাওলানা হাকিম হাফেজ আজিজুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম, মাওলানা মাহমুদুর রহমান হারুন, মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আখতার ফারুক, মাওলানা আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী প্রমুখের জ্ঞান-সাহিত্য ও ভাষাগত অবদান এদেশের ভবিষ্যৎ আলেমপ্রজন্মকে দীর্ঘদিন উদ্দীপিত রাখবে। নতুন প্রজন্মের অসংখ্য লেখক, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও ভাষাচর্চাকারী এমন রয়েছেন যারা নিঃসন্দেহে জাতির বুকে জীবন্ত আশাবাদ হয়ে থাকবেন। আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় থাকব, যাদের সাধনা ও অবদানে এদেশ এগিয়ে যাবে তার অভীষ্ট লক্ষ্য এবং সুন্দর আগামীর দিকে। –