টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে ৯০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস হ্নীলার বিশিষ্ট সমাজসেবক মৌলভী ফরিদ আহমদ আর নেই, বাদে আছর জানাযা রোহিঙ্গার ঘরে মিলল ৫৭ লাখ দেশি-বিদেশি টাকা ও ৭০ ভরি সোনা রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা

বাংলাদশ-মিয়ানমার নাফ-নদীর বিস্তীর্ন জিরোপয়েন্ট অরক্ষিতঃ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফঃ                77বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক নাফ-নদীর জিরোপয়েন্ট অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। ফলে দুদেশের চোরাইপণ্য অবাধে প্রবেশ করছে। জলপথে চোরাইপণ্য প্রতিরোধে কোস্টগার্ড বাহিনী নিয়োজিত থাকলে ও এ বাহিনীর চোরাচালান বিরোধী অভিযান তৎপরতা তেমন লক্ষকরা যাচ্ছে না। দুদেশের জিরোপয়েন্টে কোস্টগার্ড তথা উপকূলীয় নিরাপদ বাহিনীর তৎপরতা ঝিমিয়ে পড়ার কারনে মিয়ানমার থেকে বানের স্রোতের ন্যায় মরণ নেশা ইয়াবা ও মাদক অবাধে ঢুকছে এবং এর বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাচ্ছে বিদেশী ভূর্তোকী দেয়া জ্বালানী সোয়াবিন ও ঔষধ। বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ২০১২-২০১৩ জুন পর্যন্ত ১২ মাসে স্থল ও নৌ-পথে পৃথক চোরাচালান বিরোধী, অভিযান চালিয়ে ২৪ কোটি টাকার চেয়ে বেশী ইয়াবা, মাদক ও বিভিন্ন প্রকারের চোরাইপণ্য আটক করে থাকে। এর মধ্যে ইয়াবা ও মাদক সবার শীর্ষে। এ ক্ষেত্রে উপকূলীয় নিরাপদ বাহিনী (কোস্টগার্ড) বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয় নয়, বলে সীমান্তের সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, সীমান্তের ইয়াবা ও মাদক চোরাকারবারীর সাথে সখ্যতা এবং নাফ-নদীর জিরোপয়েন্ট অরক্ষিত থাকায় ইয়াবা ও মাদক বিনাবাধায় সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে বলে  সূত্রে জানা গেছে। হোয়াইক্যং উনচিপ্রাং সীমান্ত এলাকা থেকে শাহপরীরদ্বীপ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার নাফ-নদীর জিরোপয়েন্ট সম্পূর্ণরূপে অরক্ষিত। এসব অরক্ষিত জিরো পয়েন্ট এর দুদেশের জলসীমানায় মাছধরার নৌকা ও জ্বাল রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় জেলে মাছধরার আড়ালে চোরাচালানের সাথে জড়িত। দুদেশের সীমান্ত এলাকার ইয়াবা ও মাদক চোরাকারবারী পাচার কাজে জেলেদের ব্যবহার কর থাকে বলে একাদিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নাফ-নদীর জিরোপয়েন্ট জলসীমানায় দুদেশের জেলেদের মধ্যমে ইয়াবা ও মাদক হাতবদল করে এসব ভয়াংকর মাদক অবাধে প্রবেশ করছে। বিশেষ করে হ্নীলা, লেদা, জাদীমুড়া, নাইথংপাড়া, জালিয়াপাড়া, আডাইনং স্লুসগেট, নাজির পাড়া, সাবরাং এর নয়াপাড়া ও শাহপরীরদ্বীপের জালিয়াপাড়া ও ঘোলার পাড়া নাফ নদীর উপকূলীয় সীমান্ত এলাকা  ইয়াবা মাদক ও অন্তমূখী ও বহিরমূখী চোরাইপণ্য হরহামেশা প্রবেশ করার সময় বিজিবির হাতে আটক হয়ে থাকে। সূত্রে আরো জানা গেছে ইয়াবা নিরাপদে এসব চোরাইপয়েন্ট দিয়ে নিয়ে আমার জন্য নাফ নদীর জিরোপয়েন্ট থেকে দুদেশের জেলের সমম্ময়ে সীমান্তর বিজিবির চোখ ফাঁকি দেয়ার উদ্দেশ্যে নোঙ্গরের মধ্যে ইয়াবা এবং বয়া স্থাপন এবং রশির মাথায় ইয়াবার বড়ধরনের চালান পলিথিন মুড়িয়ে বাংলাদেশের নাফ নদীর উপকূলে চোরাকারবারীরা টেনে নিয়ে আসে। এছাড়া ও জেলেরা জ্বাল মাছ ও নৌকার আড়ালে করে অভিনয় কৌশল অবলম্বন করে ইয়াবা নামক মরণ নেশা নিয়ে আসছে। এতে যদিও সময়ে অসময়ে কড়াকড়ী হলে ট্রানজিট, ইমেগ্রেশন, স্থলবন্দর ও শাহপরীরদ্বীপের করিডোর দিয়ে ইয়াবার চালান নিয়ে আসে বলে একাদিক সূত্রে জানা যায়, ইয়াবার বিরাট ধরনের চালান মংডু শাহর থেকে ফিসিং বোটের আড়ালে শাহপরীরদ্বীপ বদরমোকাম হয়ে সরাসরী টেকনাফ সীবিচ উপকূলীয় এলাকা দিয়ে মাছের আড়ালে টেকনাফে চলে আসে। এভাবে মরণ নেশা ইয়াবা টেকনাফ সীমান্তের পৌর এলাকা, টেকনাফ সদর, মৌলভী পাড়া, নাজির পাড়া, হাবিবপাড়া, সাবরাং সিকদার পাড়া, নয়াপাড়া, হ্নীলা, লেদা এলাকায় মওজুদ করার পর দেশের রাজধানী সহ বিভিন্ন স্থানে পাচার হয়ে যায়। গত চার বছরে ঐসব এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা করে রাতারাতী অর্থে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিনত  হয়েছে। তাদের ব্যাপারে সীমান্তের প্রশাসন গোয়েন্দা সংস্থা বেখবর। ইয়াবা ব্যবসায়ী ও গডফাদারেরা ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকার থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে, মোটা অংকের কর সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রেখেছে এবং প্রশ্ন উঠেছে, ইয়াবা ব্যবসা করে যারা রাতারাতী অর্থ ও বিত্তের মালিক বনে গেছেন, তারা সীমান্তের রাজনৈতিক দলের নেতা জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে নজরানা দিয়ে অল্পদিনে জিরো থেকে হিরো বনে যায়। ইয়াবা পাচারের মূলতঃ টেকনাফ কক্সবাজার সড়ক ও টেকনাফ বাহারছড়া সীবীচ সড়ক। বিভিন্ন যানবাহন এবং পানও লবন ও গাছের ট্রাক ছাড়া ও দুরপাল্লার ঢাকাগামী বাস এবং চাকার টায়ার আড়ালে ইয়াবা অভিনব কৌশলে পাচার হয়ে থাকে। এছাড়া কক্সবাজার বিমানকে ও ইয়াবা পাচারে একমাত্র নিরাপদ মনে করছেন ইয়াবা পাচারকারীরা। পাচারের সাথে জড়িত জেলার নামীদামী রাজনৈতিক দলের কথিপয় ভাড়াটে নেতাকর্মী । ইয়াবা বড় ধরনের চালান কক্সবাজার বিমান বন্দরকে ওরা পাচারে নিরাপদ মনে করছেন। #####

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT