টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুতা, ডাকাতি, মুক্তিপন, নিযার্তনে জেলেরা জিম্মি হয়ে পড়েছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৩
  • ১৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্বপ্রতিনিধি মহেশখালী (কক্সবাজার)-
বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুতা, ডাকাতি ও নিযার্তনে জেলেরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। এদিকে বিশেষ সূত্রে জানা যায়, সোনাদিয়ার জাম্বু বাহিনীর ডাকাতি ও নিযার্তনে বঙ্গোপসাগরের জেলেরা জিম্মি হয়ে আতঙ্কিত অবস্থাতে দিন কাটাচ্ছে। শীত মৌসুম আসার সাথে সাথে বিভিন্ন স্থান থেকে হত্যা মামলার, অস্ত্র মামলার, অস্ত্রধারী আসামী, ফেরুয়ারী, লুন্ঠন, ডাকাতি, খুন, অপহরণে বঙ্গপোসাগরের মৎস্যজীবি বিভিন্ন জেলেরা সাগরে যেতে পারছে না জলদস্যূতার কারণে। এলাকা বাসী ও স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া যায়, মোকারম মিয়া প্রকাশ (জাম্বু ডাকাত) পিতা- বাহাদুর মিয়া, সাং- সোনাদিয়া, কুতুবজোম দীর্ঘদিন ধরিয়া মহেশখালী চ্যানেলে সাগরে ফিশিং বোট ডাকাতি করিয়া আসিতেছে। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ডিসেম্বর হতে এ পর্যন্ত প্রায় ২২টি সাগরে ডাকাতি, অপহরণ, মুক্তিপন করিয়াছে বীরদর্পে। বাশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, চট্টগ্রাম, মহেশখালী, খুরুশকুল বিভিন্ন জায়গায় জেলেদের ফিশিং বোট ডাকাতি করিয়াছে এই জাম্বু বাহিনী। ডাকাতি করিয়া মাছ লুন্ঠন ফিশিং বোটের যাবতীয় সবকিছু লুন্ঠন মাঝিমাল্লাদের বেধম মারধর সাগরের নিক্ষেপসহ বহু গুম, খুন করিয়াছে। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সোনাদিয়ার মেম্বার আব্দুল গফুর প্রকাশ (নাগু) মেম্বার এর ছত্র ছায়ায় এসব ডাকাতি জলদস্যুতা করিয়া যাইতেছে বলে লোক মুখে বলিয়া বেড়ায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ৪টি স্পীড বোট, ২টি ফিশিং বোট, করে অতর্কিত ভাবে অস্ত্রধারী প্রায় ৮০ জনের অস্ত্রধারী সংঘবদ্ধ দল সাগরে জলদস্যুতা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করিতেছে। এসবের নেতৃত্বে রাগব বোয়ালেরা ধরা ছোয়ার বাহিরে রইয়াছে। উর্ধতন প্রশাসনের কাছে আর কত মায়ের বুক খালি করবে এই জাম্বু বাহিনীর ডাকাতির কবল থেকে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় মহেশখালীর হাসেরচর, কুতুবদিয়ার চ্যানেলে, জাহাজকাটি, ঘটিভাঙ্গা, সোনাদিয়া গত ১০ দিনে ২০টি ফিশিং ট্রলার ডাকাতি হয়েছে। এসময় জলদস্যূদের আক্রমণে অর্ধশত জেলে আহত এবং গুলিবৃদ্ধ হয়েছে। ৪ জেলে ও ১ জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ খবর জানিয়েছেন জলদস্যূদের হাতে নির্যাতিত হয়ে আহত অবস্থায় উপকূলে ফিরে আসা জেলেরা জানায়। এদিকে কুতুবদিয়া উপকূল থেকে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া এফবি মিলন ফিশিং ট্রলারের মালিক সাধন দাশ নিজেই ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা পশ্চিমে হাসেরচর নামক স্থানে জাল ফেলে জেলেরা মাছ ধরেছে, ঐ দিন বিকালে সোনাদিয়ার চর থেকে  ১২/১৪ জনের জলদস্যূরা স্পীড বোট নিয়ে জেলেদের উপর হামলা চালায়। জলদস্যূরা জেলেদের ট্রলাদের উদ্দেশ্যে করে এলোপাতারি গুলি বষর্ণ করে। এসময় ৪ জেলে গুলিবৃদ্ধ হয়। জলদস্যূরা জেলেদের মারধর করে গুরুতর জখম করে। আরোও ১৫/১৬ টি ফিশিং ট্রলার জলদস্যূরা ডাকাতি করতে দেখেছেন বলে জানান আহত হওয়া জেলেরা কুতুবদিয়া হাসপাতালের ভর্তি করে একজন জলদস্যূদের আঘাতে আহত হওয়া মৃত্যু বরণ করে। জলদস্যূরা এই ভাবে সাগরে জলদস্যূতা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত বীরদর্পে করিয়া যাইতেছে। এসবের কি পরিত্রাণ পাবে কি?

মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ
০১৭২৭৬২৮২৯৫

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT