টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

ফলোআপ-পৃথক হত্যা ও অপহরণ মামলা রেকর্ড:বিবাহিত কন্যা রোজিনাকে উদ্ধার ও খুনি নুরুল আজিমকে গ্রেফতার

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৩
  • ১১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শহিদুল ইসলাম হিরু,পেকুয়া পেকুয়ায় পিতাকে গুলি করে হত্যা ও বিবাহিত কন্যাকে অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পেকুয়া থানায় পৃথক হত্যা এবং অপহরণ মামলা রেকর্ড করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ। খুন হওয়া এয়ার মুহাম্মদ স্ত্রী ও কন্যা রোজিনা আকতারের মা’ জন্নাত আরা বাদী হয়ে গতকাল (২১ আগষ্ট) বুধবার পৃথক অপহরন ও হত্যা  মামলা দু’টি দায়ের করেন। যার মামলা নং (১৫ এবং ১৬)। পিতা ও পুত্রকে প্রধান আসামী করে মোট ৫ জনকে দুই মামলার আসামী করা হয়েছে।  হত্যা ও অপহরণের  ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ঘটনার দিন খুনি নুরুল আজিমের পিতা সদর ইউপির ১ নং ওয়ার্ড়ের সদস্য গোলাম ছোবহানকে গ্রেফতার করেছে। ঘাতক সহ অন্য ৪ জন এখনো পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের হন্যে হয়ে খুঁজলেও পুলিশের চোখ ফাকি দিয়ে ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে। তবে বিবাহিত কন্যা রোজিনাকে উদ্ধার ও খুনি নুরুল আজিমকে গ্রেফতার করতে পেকুয়া থানা পুলিশের অভিযান জোরদার করেছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে, গত মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১২টার পর পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বটতলীয়া পাড়া গ্রামে।     চাঞ্চল্যকর হত্যা ও অপহরণের ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়, বটতলী পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হাসেম এর পুত্র এয়ার মুহাম্মদ। স্ত্রী জন্নাত আরা ভোলাইয়্যা ঘোনা এলাকার  বদু সাদঃ এর কন্যা। তাদের সংসারে রয়েছে ৩ মেয়ে ১ ছেলে। তার মধ্য রোজিনা আকতার (হানু) সবার বড়। দীর্ঘ ১০ বছর আগে বিবাহ হয়েছে চকরিয়া উপজেলার পহরচাদা এলাকার ওমান প্রবাসী আবদুল হালেকের সাথে। তাদের সংসারে রয়েছে একটি মাত্র সন্তান। অন্য দিকে খুনি নুরুল আজিমের সংসারেও রয়েছে দুইটি সন্তান। রোজিনা আকতারের স্বামী বিভিন্ন সময় প্রবাসে থাকায় পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে বটতলী এলাকার গোলাম ছোবহান মেম্বারের পুত্র নুরুল আজিমের সাথে। আবার ঘাতক নুরুল আজিমের রয়েছে হেরোইন ও ইয়াবা সেবনের পাশাপাশি জাল নোট পাচারকারী সিন্ডিকেটের প্রধান হোতা ভোলাইয়্যাঘোনা এলাকার নুরুল আলম ও তার সহযোগি জকির, কপিল, মৌর্শেদ, টুনিক্যার সাথে সম্পূর্ক।  রয়েছে স্বীকৃত ডাকাত ও অস্ত্র ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা। এমনকি পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের কমিটিতে সদস্য পথ না থাকলেও সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় নানা অপকর্ম চালিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। যার কারণে সে দিনদিন হয়ে উঠেছে বেপরোয়া। এক পর্যায়ে গত রমজানে রোজিনা আকতারের স্বামীর সংসার থেকে বিবাহ বর্হিরবুত নিয়ে আসে গোয়াখালী এলাকার আতাউল মুন্সির মালিকনাধীন ভাড়া বাসায় রাখে। এখানে দু’জনে স্বামী স্ত্রীর মত সংসার করতে থাকে। কিন্তু ঘটনাটি সমাজের চোখে অপরাধী বলে রোজিনা আকতারের পিতা এয়ার মুহাম্মদ ও সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে ওই ভাড়া বাসা থেকে ঈদের আগের দিন পিতার বাড়িতে নিয়ে আসে। এতেই স্থানীয় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড়ের ইউপি সদস্য গোলাম ছোবহানের পুত্র ঘাতক নুরুল আজিম প্তি হয়ে ১০/১২ জনের একদল স্ব-সস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে গত ২০ আগষ্ট রাত ১২ টার পর ওই গ্রামের হতবাগা এয়ার মুহাম্মদের বিবাহিত কন্যা রোজিনা আক্তার (হানু) কে অপহরণের জন্য তার বাড়ীতে হানা দেয়। এসময় এয়ার মুহাম্মদের বিবাহিত কন্যা রোজিনাকে জোরপূর্বক অপহরণের চেষ্টা করে। পরে রোজিনার পিতা তাদের বাধা দিতে চেষ্টা চালালে ঘাতক নুরুল আজিম তার উপর উপর্যপুরি গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই এয়ার মুহাম্মদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পরে ঘাতক নুরুল আজিম ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা রোজিনাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে দ্রুত পালিয়ে যায়। পুলিশ প্রাণপন চেষ্টা করলেও অপহৃত রোজিনাকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি। এবং ঘাতক নুরুল আজিমকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। গোপন সূত্রে জানা গেছে, অপহরণ পরবর্তী হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অস্ত্রধারীরা এজাহার ভুক্ত না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্য ােভ বিরাজ করছে। তদন্ত পূর্বক দোষীদের এজহার ভুক্ত করে চার্জ গঠন করার জন্য উর্ধŸতন কর্তৃপরে হস্তেকেপ কামনা করছেন।      পেকুয়া থানার ওই দুই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মুকবুল জানিয়েছেন, হত্যাকান্ড ও অপহরণ মামলার কপি এখনো আমার হাতে আসেনাই। আসলে আপনাদের বিস্তারীত জানাব।    পেকুয়া থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, অপহরণ ও হত্যার জন্য দুটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শহিদুল ইসলাম হিরু, নিজস্ব প্রতিনিধি,পেকুয়া তারিখ ২১-০৮-১৩ মোবাইল ০১৮১৫-২৩৫০২০

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT