হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয়প্রচ্ছদ

প্রয়োজন হলেই সেনাবাহিনী ছুটবে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক##
আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী নামানোর প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বলেছেন, সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টেই থাকবে, প্রয়োজন হলেই তারা দ্রুত ছুটবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আপালকালে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার সিটি নির্বাচনে চার দিনের জন্য সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেন তিনি। কিন্তু বুধবার সেনাবাহিনী ক্যান্টমেন্টেই অবস্থান করবে বলে মন্তব্য করেন মো. শাহ নেওয়াজ।
এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নানা মহলে সমালোচনা হয়। এই অবস্থায় কমিশনের পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
শাহ নেওয়াজ বলেন, সেনা নামানোর বিষয়ে সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কাজেই জনমনে যদি কোনো সন্দেহ দেখা দেয় বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়, সেজন্যই আমার বলা যে, সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। কাজেই সেনাবাহিনীর ভূমিকা সঠিকভাবেই থাকবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আনাসার থেকে আরম্ভ করে ৠাব, বিজিবি সবাই টহল দেবে, বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করবে। সেনাবাহিনী রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে থাকবে, বলার সঙ্গে সঙ্গেই তারা রাশ (দ্রুত ছুটবে) করবে।

শাহ নেওয়াজ বলেন, তিন সিটি নির্বাচনে সুশৃঙ্খলভাবে ভোটদানের নিশ্চয়তা দেওয়া ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যাদের নিয়োগ করা দরকার, সবাইকে নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত হিসেবে সেনা বাহিনীকেও নিয়োগ করেছি। সেভাবে চিঠিপত্র দিয়েছি। শুধু একটা বিষয়ে আপনাদের ধারণা ক্লিয়ার করার জন্য বলছি, আগের চিঠিতে সেনাবাহিনী কোথায় থাকবে সেটা উল্লেখ ছিলো না। নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে, তাই ক্যান্টনমেন্টেই সেনাবাহিনীকে থাকার জন্য বলেছি। তারা প্রস্তুত হয়েই থাকবে, তাদের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটও অবস্থান করবে। রিটার্নিং অফিসারের যখনই দরকার হবে, তখনই তারা কাজে নেমে যাবে। অর্থাৎ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা রিটার্নিং অফিসারের চাহিদা মোতাবেক কাজ করবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্যান্য বাহিনী অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মোতায়েন করেছি। কাজেই সেনাবাহিনীকে আলাদাভাবে টহল দেওয়ার আপাতত প্রয়োজন নেই। যদি প্রয়োজন হয়, তাও তারা করবে।

সেনা মোতায়েন বলতেই তাদের মাঠে থাকাকে বোঝায়, তাদের কেন ক্যান্টম্যান্টে থাকতে বলা হয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যাখা করার জন্য ও সেনাদের অবস্থান বোঝানোর জন্য পরে তাদের আরেকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদিও ক্যান্টনমেন্ট সিটি করপোরেশনের আওতায় পড়ে না। কিন্তু ঢাকা ক্যান্টমেন্টের চারপাশে সিটি করপোরেশন। কাজেই ধরেই নেওয়া যায়, তারা সিটি করপোরেশনের ভেতরেই অবস্থান করবে।
চট্টগ্রামেও কোনো ব্যবস্থা হবে না। কারণ, সেখানে সেনানিবাস সিটি করপোরেশন সীমানার সঙ্গেই, যোগ করেন তিনি।
শাহ নেওয়াজ বলেন, স্ট্রাইকিং ফোর্স তখনই দরকার হয়, যখন রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করেন। স্বাভাবিক অবস্থায় অন্যান্য বাহিনীর অবস্থানই সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি এনে দেবে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.