টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে কোস্টগার্ড স্টেশনের প্রশাসনিক ভবন অফিসার্স মেস ও নাবিক নিবাস উদ্বোধন টেকনাফে সার্জিক্যাল ডটকম এর পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রাজারবাগের পীরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার নির্দেশ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ১০ হাজার ৮৪০ প্যাকেট চাইনিজ সিগারেটসহ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ হাইকোর্টের সেকশন থেকে রাজারবাগ পীরের বিরুদ্ধে করা মামলার নথি গায়েব জাওয়াদে উত্তাল সমুদ্র: সেন্টমার্টিনে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : প্রভাব বাংলাদেশে, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রবালদ্বীপের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালম ইন্তেকাল আজ সোমবার সূর্যগ্রহণ বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা ৭ মিনিট পর্যন্ত

প্রস্তুত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ নতুন বছরেই কার্যক্রম শুরু

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ১৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক []

কক্সবাজারের বহুল প্রত্যাশিত সরকারি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যে নতুন নির্মিত মূল ক্যাম্পাস ব্যাবহার করার জন্য প্রয়োজনিয় জিনিসপত্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মূল ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবন ছাড়াও রয়েছে ২ টি আলাদা হোস্টেল ভবন, প্রসস্থ ক্লাস রুম, প্রশিক্ষণ রুম, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, মিলনায়তন, ডরমেটরি, প্রসস্থ খেলার মাঠ, শহীদ মিনার, মসজিদসহ বেশ কিছু আধুনিক সুযোগ সুবিধা। সংশ্লিষ্টদের মতে এটি খুবই মানসম্মত এবং একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ হয়েছে যা দেশের মধ্যে অন্যমত। আপাতত মেডিকেল কলেজ কাম হাসপাতাল না হলেও খুব দ্রুত ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ও এখানে গড়ে তোলার জন্য সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত আছে বলে জানান কর্মকর্তারা। এদিকে নতুন বছরেই নিজস্ব ক্যাম্পাসে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কক্সবাজার গতপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশ তালুকদার বলেন, ২০১২ সালে কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয় এতে ৬ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের জন্য ৪১ কোটি ১৯ লাখ টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল সেখানে ৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বরাদ্দ পাওয়া গেছে সে অনুযায়ী ব্যয় করে একাডেমিক ভবন আর ১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে পুরুষ আর মহিলাদের জন্য ২ টি আলাদা হোস্টেল ভবন ছাড়াও আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ কাজ আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করেছি। বর্তমানে মেডিকেল কলেজ ভবন সম্পূর্ন প্রস্তুত, কর্তৃপক্ষ চাইলে যে কোন মূহুর্তে কার্যক্রম শুরু করতে পারে।
এদিকে কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ও নতুন নির্মিত মূল ক্যাম্পাস ব্যবহারে উদগ্রীব হয়ে আছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ ফরিদুল হক বলেন, আমি যতটুক জানি কয়েক দিনের মধ্যেই মেডিকেল কলেজ নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলে যাবে সেজন্য ইতিমধ্যে বেশিরভাগ ফার্নিচার সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মূল ভবনের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন এটা খুবই ভাল দিক যে আমরা যথা সময়ে মূল ক্যাম্পাসে চলে যেতে পারছি আমার জানা মতে দেশের অনেক মেডিকেল কলেজ দীর্ঘ সময়ের পরেও নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারে নি। তাছাড়া এখানে যে সব সুযোগ সুবিধা আছে সেগুলো খুবই উন্নত মানের। আমি মনে করি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য এটা খুবই সু-ভাগ্যের বিষয় যে তারা একটি ভাল পরিবেশে এমবিবিএস পাস করার সুযোগ পাবে।
সহযোগি অধ্যাপক ডাঃ ফরহাদ হোসেন বলেন ইতিমধ্যে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শেষের পথে। আমরা প্রথমে ডিসেম্বর মাসেই কাজ চলে যাওযার পরিকল্পনা ছিল পরে প্রাসঙ্গিক কারনে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আসা করছি নতুন বছরের শুরুতেই মুল ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু হবে। এই বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে বর্তমান সরকারের আন্তরিকতাকে আসলেই ধন্যবাদ জানাতে হবে। কারন বাজেট বরাদ্দ সময় মতো না হলে কোন কাজের সফলতা দেখা যায় না। সে ক্ষেত্রে কক্সবাজারবাসী ভাগ্যবান যে তারা যথা সময়ে বরাদ্দ পেয়েছে এবং কাজ ও শেষ হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে বিশ্বাসি। উনার রাজনীতি মানুষের কল্যানের জন্য। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে একটি বিশ্বমানের মেডিকেল কলেজ করার স্বপ্ন উনার নিজের ছিল। তাই তিনি ২০১২ সালে নিজ হাতে এই কলেজের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন। এবং সময়ের আগেই সেই কাজ এখন সমাপ্ত। এখানে ৬ তলা বিশিষ্ট আধুনিক একাডেমিক ভবন, ২ টি আলাদা হোস্টেল ভবন, ল্যাবরেটরী, প্রশিক্ষণ সরাঞ্জাম, লাইব্রেরি, ক্লাস রুম, প্রসস্থ খেলার মাঠ, শহীদ মিনার, মসজিদ সহ সব ধরনের স্থাপনা বয়েছে। এখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসা কর্মকর্তারা পরিদর্শন শেষে মন্তব্য করেছে এটি এযাবতকালের দেশের সবচেয়ে মনোরম এবং আধুনিক মেডিকেল কলেজ। এবং সামনে দেশের বাকি মেডিকেল কলেজ গুলোও এই আদলে করা হবে। আমি মনে করি আমরা কক্সবাজারবাসী অত্যন্ত ভাগ্যবান যে আমরা একটি পরিপূর্ন মেডিকেল কলেজ পেয়েছি।
কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ও বিএমএ সভাপতি ডাঃ পুচনু বলেন নতুন বছরেই নতুন উপহার হবে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ। এর সাথে খুব দ্রুত ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালও করার জন্য সরকার নীতিগত সিদ্ধান্তÍ নিয়েছে। যাতে সর্বাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা থাকবে। আমরা যতটুকু জানি হাসপাতাল নির্মানে খুব দ্রুত বাজেট আসবে। এতে কক্সবাজারের চিকিৎসা ব্যবস্থা বহুগুনে উন্নত হবে। এবং কক্সবাজারের স্থানিয় মানুষ এর ভাল সুফল পাবে।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল আমিন মিয়া বলেন আমি খুবই আনন্দিত যে একটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ কাজ  শেষ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। এবং সময় মত কাজ শেষ করতে পারায় নিজের কাছেও ভাল লাগছে। সব কাজ শেষ এখন যে কোন মূহুর্তে চাইলে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ক্লাস শুরু করতে পারে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT