টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা জাতীয় অর্থনীতির যোগানদার “বৃহত্তর ঈদগাঁও” কে আলাদা উপজেলা ঘোষণা করা হউক

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৩
  • ১২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখঃ ২৪-০৮-১৩ ইং স্বাধীনতার ৪২ বছর অতিবাহিত হল। দিনের পর মাস, মাসের পর বছর এভাবে গড়াচ্ছে সময়। আদি পুরুষদের প্রবাদ বচন ধীরে ধীরে সত্য রুপে প্রমাণিত হচ্ছে। অ-পথ-পথ, অ-ঘাট-ঘাট, অ-মানুষ-মানুষ হচ্ছে। শেওলা ভাসা জলাশয়ে স্বগৌারবে দাঁড়িয়ে আছে নয়নাবিরাম দালান ঘর। দূর্গম পাহাড়ী ঢল বেয়ে যৌবনের ঢেউ নিয়ে দূর থেকে দূরে চলে গেছে কাল পিচ ঢালা রাস্তা। ফলে উন্নত হয়েছে যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থা। আবার পাহাড়ী ঢলে ভেস্তে যাওয়া অনেক অযোগ্য ইউনিয়ন যোগ্যতার সন্ধান পেয়ে উপজেলা কিংবা পৌরসভায় উন্নতি হয়েছে। সেসব এলাকার নতুন নতুন স্থাপত্যে টিকরে পড়েছে চোঁখ বাধানো সৌন্দয্যের। অথচ এতকিছুর মাঝে ও চির অবজ্ঞায় পতিত আছে, ঈদগাঁও নামক অবহেলীত জনপদটি। বলতে গেলে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার দ্বিতীয় বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজার।এই বাজারটি একটি বহু মুখী বাণিজ্য কেন্দ্র। এই ঈদগাঁও বাজারে পশ্চিমের মহেশখালীর লোকজন চৌফলদন্ডী হয়ে প্রতিদিন না হলেও অন্তত প্রতি শনি-মঙ্গলবার তথা (বাজার বার বা হাট বার) নানান প্রকার পন্য সামগ্রী ক্রয়/বিক্রয়ের ল্েয ছুটে আসে। গজালিয়,বাইশারী, ঈদগড়, ঈদগাঁও, এবং নাই্যংছড়ির লোকজনও বিভিন্ন পণ্য ক্রয়/বিক্রয়ের জন্য এই বাজারে অন্তত ২ বার আসে। উত্তর ডুলহাজারা, খুটাখালী, ইসলামপুর ও দেিণ রামু, রশিদনগর, জোয়ারিয়ানালার লোকজনকেও নিয়মিত বাজারে যাতায়াত করতে দেখা যায়। আর বৃহত্তর এলাকার আশপাশের লোকজন তো প্রতি দিন লেগেই আছে। সব মিলিয়ে হিসাব করলে দেখা যায় যে, সপ্তাহে দুইদিন ঈদগাঁও বাজারে কম পে তিন লাখেরও বেশি লোক নিয়মিত ভাবে ব্যবসার লে যাতায়াত করে থাকে। যার কারণে গোটা দণি চট্টগ্রামের এই ঈদগাঁও বাজারটি পরিণত হয়েছে একটি জনবহুল ও ব্যস্ততম বাজার হিসেবে। অথচ এই বাজার থেকে ল-ল টাকা মুনাফা অর্জন করেছে সরকার। কিèতু বাজারের চিত্র ধারণ করলে বুঝা যায় যে, এটা যে বর্তমান উন্নত ব্যবস্থার চিন্ত-ভাবনা থেকে কতটুকু পিছিয়ে আছে। তা অতি সহজে অনুমান করা যায়। এমন নয় যে, এই ঈদগাঁও বাজারটি বাংলাদেশের একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল। ঈদগাঁওতে অথচ স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে স্থানীয় নের্তৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় নের্তৃবৃন্দের পায়ের চিহ্ন লেগেছে। একটি সতন্ত্র উপজেলা হওয়ার সকল যোগ্যতা বিদ্ধমান থাকলেও নেতার আশার বাণী ও দর্শকদের হাততালিতে সীমাবদ্ধ থেকেছে ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়ন। ঈর্ষা লাগারই কথা, এমন কতগুলো ইউনিয়নকে উপজেলা বা পৌরসভায় রূপান্তিত করা হয়েছে। যা কোন দিক দিয়েই ঈদগাঁওয়ের ছেয়ে বেশি নয়। স্বাধীন হয়েছে কিন্তু সেই কাঙ্খিত উপজেলা স্বাধীনের এখনো সেই স্বাদ খুজে পাইনি ঈদগাঁওবাসী। আর কতকাল অপোর প্রহর ঘুনতে হবে। এই অপোয় তীর্থের কাকের মত উপেতি বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের প্রায় ৩ লাধিক জনগোষ্টি।                                            —————————— ঈদগাঁওতে যত্রতত্র স্থানে গড়ে উঠেছে অবৈধ পশু জবাই খানা ঃ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য চরম হুমকিতে এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখঃ ২৪-০৮-১৩ ইং সদর উপজেলার ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন স্থানে চলাচল সড়কের পার্শ্বে অবৈধ ভাবে  গড়ে উঠেছে পশু জবাই খানা (কসাই খানা)। এসব স্থানে পশু জবাই করা আগে তাহার রেজিষ্ট্রার পশু চিকিৎসক দিয়ে পরীা করা হয় না। এতে করে বৃহত্তম এলাকার জুড়ে অনুমোদন বিহীন যত্রতত্র স্থানে পশু জবাই করার নামে কসাইখানায় রূপ দিয়েছে। জবাই কৃত পশুর পঁচা বর্র্জ্যরে দুর্গন্ধে পথচারী, শিার্থী সহ স্থানীয় এলাকাবাসীরা প্রতিনিয়ত নাক চেপে ধরে চলা ফেরা করে। এতে এলাকায় মারাতœক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে ভারী হয়ে উঠে বৃহত্তম এলাকার পরিবেশ। এব্যপারে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তপে কামনা করেন ভূক্তভোগীরা। জানা যায়, ঈদগাঁও ইউনিয়নের মধ্যম মাইজ পাড়া বশির সওদাগরের দোকান সংলগ্ন স্থানে জনৈক এক গরু ব্যবসায়ী কর্তৃক দৈনিক পশু জবাই করার ফলে যাতায়ত সড়কের পার্শ্বে অবৈধ ভাবে  গড়ে উঠেছে কসাই খানা। এর পার্শ্বে রয়েছে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা ও ঐতিহ্যবাহী একটি হেফজ খানা সহ বেশ কয়েকটি বাড়ীঘর। সেখানে প্রতিদিন একটি না একটি গরু-মহিষ জবাই করা হয়ে থাকে। পশু জবাইয়ের পর উক্ত স্থান পানি দিয়ে যথাসময়ে পরিষ্কার পরিচ্ছনতা না করার কারণে জবাইকৃত পশুর বর্জ্য ও রক্ত পচে ব্যাপক হারে দুর্গন্ধ ছড়ায়। যার কারণে পথচারী ও কোমর মতি ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ের যেতে অনিহা প্রকাশ করে। পাশা-পাশি এসব দুর্গন্ধের ফলে ছাত্র ছাত্রী সহ পথচারীদের নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা ও প্রকাশ করেছেন অনেকে। এ ব্যাপারে মাইজ পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র শাহরিয়ার সহ-বেশ কয়েক জন ছাত্র জানান কসাই খানার দুর্গন্ধে শিাথীরা চলাফেরার সময় নাক চেপে ধরে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে। অন্যদিকে, ঈদগাঁও বাসষ্টেশনস্থল একটি মার্কেটে সম্মুখে প্রতিনিয়ত গরু জবাই করে আরো একটি নতুন কসাই খানা সৃষ্টি করার ফলে সচেতন মহলের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ  মঞ্জুরুল কাদের দৈনিক আজকের কক্সবাজার ঈদগাঁও প্রতিনিধিকে জানান, শুনেছি-এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেব। ———————————–

 

শব্দ দুষণ ও জনদূর্ভোগ চরমে ঈদগাঁওতে গড়ে উঠছে অনুমোদনহীন ওয়ার্কসপ এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁওু তারিখঃ ২৪-০৮-১৩ ইং সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাসষ্টেশন ও বাজারের আশপাশ এলাকায় যত্রতত্র স্থানে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপ। এতে একদিকে পরিবেশ নষ্ট, অন্যদিকে শব্দ দূষণ হচ্ছে। এসব ওয়ার্কশপ নির্মাণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু অনুমতি না নিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে এসব ওয়ার্কশপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়ার্কশপে গাড়ি গুলো মেরামতের ব্যবহৃত বিশাক্ত  ক্যামিকেল বাতাসের সঙ্গে মিশে গিয়ে পরিবেশ যেমন দুষিত করছে, অন্যদিকে এসব গ্যাস ফুসফুস ক্যান্সার, চোখের সমস্যা, চর্ম রোগ, আমাশায়, জন্ডিস সহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাত্মক তির শিকার হচ্ছে বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৬ ইউনিয়ন সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার জনগণ ও দূরদূরান্ত থেকে আগত পর্যটকরা। জানা গেছে, গাড়ি রংয়ের ব্যবহৃত ‘থিনার’ এ পুডিং তৈরিতে ব্যবহৃত ‘হাভেনার ক্যামিকেল গুলোর গ্যাস খুবই প্রকট। এতে চোখ জ্বালাপুড়া করে, মাথা  ধরে, সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এর বিষাক্ত গ্যাসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে। এ ছাড়া, গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপে বিশক্ত ক্যামিকেলে গ্যাস প্রস্বাসের সংঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে এবং সে খান থেকে পাকস্থলিতে প্রবেশ আক্রান্ত ব্যাক্তির খাবারে অরুচি দেখা দেয়। অনেকের মতে, ঈদগাঁও বাসষ্টেশন ও বাজারের দণি পার্শ্বে যত্রতত্র ওয়াকর্শপ গড়ে উঠলেও এখান থেকে অনেকেরই কর্মস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। অপরদিকে শব্দ বায়ু ও পানি সহ নানাবিদ দুষণের শিশু কিশোরদের স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এসব দুষণে বিশেষ করে কানে কম শুনা, মেজাজ হিটহিটে, ঘুমে ব্যাঘাত, শ্রবণ শক্তি নষ্ট, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ব্যাথা সহ নানা জটিল রোগে ভূগতে হচ্ছে লোকজনদেরকে। এতে ক্রমে শিশুদের রোগ প্রতিরোগ মতা ও যাচ্ছে কমে। আর এ কারণে ধীরে ধীরে মৃত্যুর ধিকেও ধাবিত হচ্ছে অনেক শিশু। এম মন্তব্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT