টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

প্রতিক্রিয়া: বকলমের দু’কলম আগাচৌ’র গালে বাঘের থাবা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ৩৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ডা. সৈয়দ আবদুর রহমান:::::অনেক ছোট কাল থেকে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী প্রতি আমি  মনে মনে শ্রদ্ধা পোষণ করতাম। মনের ভেতর নামটির প্রতি শ্রদ্ধার কারণ ছিলো-‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি…’ শীর্ষক কালজয়ী গানটি নাকি তিনিই লিখেছিলেন। আমাদের ভাষা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণে একুশের এই গানটির লেখক হওয়ার জন্য তাঁর প্রতি আমার  অকৃত্রিম ভক্তি-পরে জানতে পারলাম তিনি এই গানের কথাগুলো এলোমেলো করে কবিতা আকারেই লিখেছিলেন। মরহুম সুরকার আলতাফ মাহমুদ সেই এলোমেলো কথাগুলোকে ধারাবাহিকভাবে সায়ে তাতে এক অসাধারণ সুরারোপ করে সঙ্গীতে রূপান্তর করে বাংলার মানুষের আবেগের সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন। এই গান এখন আন্তর্জাতিক রেকর্ডে বাজতে দেখে গর্ববোধ করি। সেই থেকে আবদুল গাফফার চৌধুরীর সাথে মরহুম আলতাফ মাহমুদের প্রতিও আমার ভক্তি-ও শ্রদ্ধা জন্মে যায়। এই গানটিতে গাফ্ফার চৌধুরীর কিঞ্চিৎ অবদান থাকলেও পুরো কৃতিত্ব মরহুম আলতাফ মাহমুদের বলে মনে হয়েছে। তবে জয়নাল হাজারির মতো লোকের লেখা বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে যখন ‘দেশের সবাইকে জয়নাল হাজারির মতো যোগ্য, সাহসী ও সৎ চরিত্রবান হতে হবে’ বলে উপদেশ বিতরন করেন, তখন তাঁর প্রতি সম্মান বজায় রাখতে কষ্ট হয় বটে। তবু আমাদের ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং সম্মানে একটি কালজয়ী গানের (হোক না কবিতা) রচয়িতা হিসেবে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা সবসময় অটুট  রাখব এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেই তাঁর লেখা সাম্প্রতিক দু’য়েকটি কলাম ও কাদের ছিদ্দিকীর একটি প্রতিক্রিয়া নিয়ে কিছু কথা এখানে লিখার চেষ্টা করছি। আবদুল গফ্ফার চৌধুরী একজন স্বনামধন্য লেখক, কলামিস্ট এবং সাংবাদিক- এতে আমার কোন সন্দেহ নেই। তিনি নিয়মিত একাধিক পত্রিকায় কলাম লিখে আসছেন যুগযুগ ধরে। হাতের নাগালে পেলে তাঁর লেখা কলামগুলো আগে না পড়ে ছাড়তাম না।  তবে এখন খুব একটা পড়া হয় না। আমি আগে থেকেই জানতাম তিনি ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীনতার নেশায় আসক্ত একজন নির্ভেজাল কলমবাজ। কারণ, তাঁর লেখা সব কলাম বা প্রবন্ধ-নিবন্ধগুলোতে সবসময় দেশের খ্যাতনামা, সর্বজন শ্রদ্ধাভাজন সম্পাদক, সাংবাদিক, ইসলাম ধর্ম ও দেশ-বিদেশের সকল আলেম-উলামা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও বিশেষ করে জিয়া ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক বিষোদ্গার ও কল্পকাহিনীতে পূর্ণ থাকে। তাই  এই গাফ্ফারীয় কলামগুলো অন্য অনেকের মতো আমিও আর পড়ার আগ্রহ রাখি না। দীর্ঘদিন থেকে পত্রিকা পড়ার অভ্যাস থাকায় অনলাইনে আমার দেশ ছাড়াও এখন দৈনিক চার/পাঁচটি পত্রিকা কিনতে হয় আমাকে। তার মধ্যে আমার দেশ বন্ধ নাহওয়া পর্যন্ত আমার দেশ, নয়া দিগন্ত ও সংগ্রাম-এর নিয়মিত গ্রাহক ও যতœবান পাঠক হওয়ায় ওই পত্রিকাগুলোর উপ সম্পাকদীয়গুলো ও এর বিজ্ঞ লেখকদের লেখার ব্যাপারে আমার এক ধরণের আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়ে গিয়েছে । যেসব লেখকদের লেখা বের হলে মনোযোগ দিয়ে পড়ে ফেলি, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বঙ্গবীর আবদুল কাদের ছিদ্দিকী বীরউত্তম। গত ২১ সেপ্টেম্বর (২০১৩) বঙ্গবীর কাদের ছিদ্দিকী বীর উত্তম দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকায় পিতাকে পুত্র শীর্ষক তার নিয়মিত কলামে ‘অসামান্য গাফ্ফার চৌধুরী’ শিরোনামে একটি লেখা লিখেছেন। এই লেখাটি সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বলে মনে হয়েছে আমাদের। কাদের ছিদ্দিকীর এই লেখাটি হচ্ছে গত ৪ সেপ্টেম্বর (২০১৩) জনকন্ঠ পত্রিকায় কাদের ছিদ্দিকী ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কঠোর ভাষায় আক্রমন করে লন্ডন প্রবাসী বাঙ্গালী লেখক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী’র লেখার একটি প্রতিক্রিয়া। কাদের ছিদ্দিকী তাঁর ওই কলামের এক জায়গায়  গাফ্ফার চৌধুরীর উদ্দেশ্যে করে লিখেছেন- ‘..এক বিদেশী মাঝে মধ্যে এটা ওটা বলে নিজেকে বড় বেশি জাহির করতে চেষ্টা করেন। তার কথার জবাব দেয়ার কোন দিন ইচ্ছে হয়নি। লোকটি প্রচুর নেশা করেন। তোমার সাথে প্রতি পদে পদে বেঈমানী করেছেন। ….. এই লেখায় শব্দে শব্দে জবাব দিতে চাই। কারণ, লোকটার সকাল বিকেল ঠিক নেই। … বিদেশী নাগরিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কারো পক্ষে দাঁড়ালে তার বিপক্ষে কাউকে প্রয়োজন পড়ে না। তিনি একাই একশ’। জনাব চৌধুরী সব মৃত মানুষকে সাক্ষী রেখে গল্প রচনা করেন। যখন যেমন তখন তেমন করে বয়ান করেন। লেখার হাত তার অসাধরণ। তিলকে তাল বানাতে পারেন, সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বানাতে তার জুড়ি নেই। কিন্তু পেছনের অপকর্মগুলো বাদ দেবেন কী করে? তার লেখার সত্য-মিথ্যা ধরার চেষ্টা কেউ করে না, তাই তিনি বাহাদুর। কোন যুদ্ধ না করেই যোদ্ধা, লড়াই না করেই বীর…’। আমরা যখন নয়াদিগন্ত পত্রিকায় কাদের ছিদ্দিকীর লেখা কলামের এই লেখাগুলো পড়ছিলাম তখন মনে হচ্ছিলো গাফ্ফার চৌধুরীর ব্যাপারে অনেক দিন পর  আমাদের মনের কথাগুলো একে একে বলেছেন লেখক মহোদয়। গাফ্ফার চৌধুরীর বানানো মিথ্যা  গাল-গল্পের এই যেনো দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছেন বঙ্গবীর। এই জন্য আমরা বাঘা ছিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানাই। গাফ্ফার চৌধুরীর কলম থেকে রেহাই পেয়েছে এমন ভদ্র মানুষ দেশে কম আছে। আ.গা চৌধুরীর এমন বদঅভ্যাস কথায় কথায় শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, জিয়া পরিবার, আলেম-উলামা, মসজিদ-মাদ্রাসা, বিএনপি ও জামায়াতসহ দেশের এমন সব ভদ্র মানুষ নেই যাকে কটুক্তি করেন না।  এই যেমন গত ১৮ সেপ্টেম্বর (২০১৩) তারিখের দৈনিক জনকন্ঠেও -‘জয় মাঠে নেমেছে, তারেক রহমান কোথায়?’ শিরোনামে লেখা কলামে জয়ের বন্দনা ও তারেক রহমানের প্রতি নির্লজ্জ ও চরম মিথ্যাচার করেছেন। গত ১৯ জুন (২০১৩) দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার চতুরঙ্গ পৃষ্টায় তার নিয়মিত কলামে লিখেছেন -‘বিএনপি’র ভ্রান্তি ও আওয়ামীলীগের করণীয়’ শিরোনামে একটি নাতিদীর্ঘ লেখা। ওই কলামের এক জায়গায় তারেক রহমানের ব্যাপারে তিনি লিখেছেন-‘বিএনপি জামায়াত ও হেফাজতদের সঙ্গী করে ক্ষমতায় যাবে, তারেক রহমানের মতো এক নিকৃষ্ট চরিত্রের ব্যক্তি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ হবে এবং হেফাজতের মধ্যযুগের তের দফা দাবীর বিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হবে। এ আশঙ্কার কথা আমি ভাবতে চাই না। এবং আমার জীবদ্দশায় তা আমি দেখে যেতেও চাইনা। তার চাইতে আওয়ামীলীগের ব্যর্থ এবং ভুলভ্রান্তিতে ভরা শাষনও আমার অধিক প্রিয়….।’ কতটুকু জ্ঞানপাপী হলে মানুষ এমন কথা বলতে পারে তা আ.গা. চৌধুরীর লেখা না পড়লে বুঝা যায় না। গাফ্ফার চৌধুরীর তো জানার কথা যে, তারেক রহমান কোন মাবাবার সন্তান। তারেক রহমান তো উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন ব্যক্তি নন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি বাংলার রাখাল রাজা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম ও এই দেশের তিন তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান। এছাড়াও তারেক রহমান এই দেশের গণমানুষের অতিপ্রিয় ও তারুণদের অতিআপনজন হিসেবে অনেক আগেই নিজেকে প্রস্তুত করেছেন। তাই এই দেশের মানুষ আগামী দিনে তারেক জিয়াকেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় । এখন তারেক রহমানের জন্য অপেক্ষায় বাংলাদেশ। আ.গা চৌধুরীর জীবদ্দশায় হোক আর মৃতদ্দশাতেই হোক তারেক রহমান একদিন এই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন ইন্শাআল্লাহ। গত ২২ মে (২০১৩) ওই একই দৈনিক-এ “সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে ‘আলো-স্টারের’ নতুন চাতুরী” শিরোনামে তাঁর আরেকটি লেখা দেখে না পড়ে পারিনি।  ঐ কলামে প্রথম আলো’র সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কারাবন্দী মাহমুদুর রহমানকে যত ইচ্ছা আক্রমন করেছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমাদের যতদুর জানা আছে তিনি সুযোগ পেলেই আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও প্রথম আলো’র সম্পাদক মতিউর রহমানকে আক্রমন করেন। একসময় তিনি প্রথম আলোতে  ‘একুশ শতকের বটতলা’ শিরোনামে কলাম লিখতেন বলে মনে পড়ে। পরে দেখা গেল তাঁর কলাম প্রথম আলোতে আর দেখা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন পর আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারছি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর দূর্বল ও হাবি-জাবি যুক্তিমাখা বস্তাপঁচা, মিথ্যাচারে ভরা লেখাগুলো প্রথম আলো আর ছাপাচ্ছে না। যে সমস্ত পত্রিকায় গাফ্ফার চৌধুরীর কলাম  ছাপিয়ে কাগজটা নষ্ট করেন না সে সব পত্রিকার সম্মানীত সম্পাদকদেরকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও বিশেষ ধন্যবাদ। এখানে একটি কথা উল্লেখ করতে হচ্ছে যে, গত ২০ মে (২০১৩) দেশের ১৫ শীর্ষ সম্পাদক বন্দি মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও বন্ধ মিডিয়া খুলে দেয়ার জন্য বিবৃতি দিয়েছেন।  এতেও  চরমভাবে চটে গিয়েছেন গাফ্ফার চৌধুরী। এই চটে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে তাঁর কলামের আগা-পাছা পড়ে। ১৫ সম্পাদকের বিবৃতি দেখে তিনি এতই ক্ষুব্দ হয়েছেন যে, তাঁর ঐ কলাম লিখার সময় মনে হয় কলমের পরিবর্তে ছুরির ডগাই ব্যবহার করেছেন। তিনি তাঁর কলামের এক জায়গায় লিখেছেন- ‘জনমত জরিপের নামে চাতুরীর খেলায় তিনি তাঁর (মতিউর রহমান) দোসর মাহফুজ আনামকে সঙ্গে নেননি। এবার সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে তাঁর নতুন খেলায় মাহফুজ আনামকেও সঙ্গে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে মতিউর রহমান চৌধুরী নামে সাংবাদিক পরিচয়ের আরেক দৃষ্টগ্রহকেও নাকি একই চক্রান্তের রূপকার হিসেবে পেয়েছেন। …. যেসব দেশপ্রেমিক প্রকৃত সম্পাদক সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি অকৃত্রিম আনুগত্যের কারণে বিবৃতিতে সই দিয়েছেন তাঁদের অনেকেই হয়ত এতদিনে বুঝতে পেরেছেন, মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ করা হয়নি বরং এই স্বাধীনতায় কালিমা লেপনকারী এক দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করে সাংবাদিকতার মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমি এই সম্পাদকদের সতর্ক হওয়ার বিনীত অনুরোধ জানাই। মাহমুদুর রহমানকে রক্ষা করার এই বিবৃতির মুসাবিদা ও সম্পাদকদের সই আদায়ের উদ্যোগটি আলো-স্টার পত্রিকার উদ্যোগ বলে আমার সন্দেহ করার কারণ। …এবার আবার সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে  মতি-মাহফুজ নতুন খেলায় নেমেছেন’ (দৈনিক জনকন্ঠ, ২২ মে, ২০১৩)। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সন্দেহকে পিঁপড়ার মত ভয় করে বলেও মনে হয় না  মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম। যদি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর এসব কলমবাজিকে পাত্তা দিতেন তাহলে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের মত এমন একটি পত্রিকা চালাতে পারতেন না। তাই প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের বিজ্ঞ সম্পাদক মহোদয়গণ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ঐসব আজেবাজে কথার জবাব দিয়ে সময় ও কাগজ-কলম নষ্ট করেন না। গাফ্ফার সাহেব দৈনিক আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মজলুম কলম সৈনিক মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে তার কলামে যে জঘন্য ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা এক কথায় শালীনতার নূন্যতম সীমাও অতিক্রম করা হয়েছে। গাফ্ফার আরো দশবার জম্ম নিলেও মাহমুদুর রহমান তাঁর লেখনি দিয়ে গত দশ বছরে এই দেশের তাওহীদি জনতার ঈমানী চেতনাতে শান দিয়ে যে কৃতিত্ব ও মানুষের ভালোবাসাা অর্জন করেছেন, তার সিকিভাগও তিনি অর্জন পারবেন না। একজন মাহমুদুর রহমান নিয়ে গাফ্ফারের সমর্থিত সরকার যে ব্যতি-ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, তা তো রীতি মতো অবাক লাগে। এই দেশের তাওহীদি জনতাকে জাগ্রত করবার যে শক্তি আল্লাহ মাহমুদুর রহমানকে দিয়েছেন, তা দেখে তো গাফ্ফারদের মতো ধর্মহীন বুদ্ধিজীবীদের মাথা ব্যথার কারণ হবেই। আর গাফ্ফার মাহমুদুর রহমানকে দুর্ব্যবহার করে এমন এক সময়ে কলাম লিখেছেন, যে সময় মাহমুদুর রহমান জেলে বন্দি। যেখান থেকে মাহমুদুর রহমান গাফ্ফারের লেখার জবাব দিতে পারবেন না। এধরণের প্রবণতাকে কাপরুষতা ছাড়া আর কি বলা যাবে? আমার দেশ-এ তালা ও সম্পাদককে গ্রেফতার করার পর চুনোপুটি সাংবাদিক থেকে স্বঘোষিত অনেক সম্পাদক-সাংবাদিক- কাম কলামিস্ট মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে নানা মনগড়া কথাবার্তা লিখেছে এবং এখনো লিখে যাচ্ছে। যা দেখতে ‘হাতি খাদে পড়লে ব্যঙ্গাছিও ঠেওরাই’- এর মতো ঠেকাই আমাদের নিকট।  অনেকেই  কারাবন্দি সম্পাদক মজলুম মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে আজে-বাজে কলাম লিখে প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছেন ‘ঘর পরিলে ছাগলেও মাড়াইতে’ পারে। সাহস থাকলে মাহমুদুর রহমান জেল থেকে মুক্ত হলে আর আমার দেশ প্রকাশ করার সুযোগ হলেই এই মজলুমকে নিয়ে মিথ্যাচার করার চেষ্টা করে কেউ দেখাতে পারলে তার সাহসের প্রশংসা করা যাবে।  গাফ্ফার চৌধুরী যে শুধু দেশবরেণ্য অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন তা নয়, দেশের সাবেক তিন তিন বার প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তাঁর পরিবার পরিজন ও তাঁর দল বিএনপি নিয়েও তিনি তাঁর অধিকাংশ কলামে নোংরা মন্তব্য ও কটুক্তি করে গিয়েছেন। বিগত ১৬ নভেম্বর (২০১১) তারিখে ঐ একই দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার চতুরঙ্গ পৃষ্টায় এই আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা ‘ব্রিটেনে মোসলের যদি বিচার হতে পারে, বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার কেন হবে না?’ শিারোনামে কলামে তিনি লিখেছিলেন। এখানে একটি  কথা না বললে নয়। জনাব গাফ্ফার চৌধুরীর একটি ‘গুণ’ হলো তাঁর কলামগুলোতে মরা মানুষকে সাক্ষী বানানো হয়। আর তা না পারলে ঢাকায় অবস্থানরত কাল্পনীক একজনকে টেলিফোনের বন্ধু বানানো হয়। এখানে বলার মতো আরও একটি বিষয় হলো, তিনি কোরআন-হাদিসের চেয়ে সুণীল-কুণীল ও রবি ঠাকুরের বাণী আওড়ানোকেই বেশি যথার্থ বলে মনে করেন। তাই যথারীতি সেদিনও রবি ঠাকুরের কবিতা “অন্যায় যে করে আর যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে” বাক্য দিয়ে  বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন- ‘এই কবিবাক্য এখন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে শত ভাগ প্রযোজ্য। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের অন্যায় ও অপরাধকে শুধু সহ্য করা নয়, তাকে প্রকাশ্য সমর্থনদানের জন্য মাঠে নেমেছেন। এমনকি জাতি সংঘের মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পযর্ন্ত তিনি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়েছেন এবং তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন…’।  তিনি  লেখাটি শেষ করেছেন এই বলে- ‘যুদ্ধোত্তর জামার্নিতে হিটলারকে সহযোগিতা দেয়নি, কিন্তু সমথর্ন দিয়েছে এমন বহু বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতাকেও বিচারের পর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আপনাদের দেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি বিএনপি নেত্রী এবং তার দলের অনেকের সমর্থন, তাদের সঙ্গে সহযোগীতা ও সহমর্মিতা তো এখন প্রকাশ্য। সুতরাং একই অপরাধে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে তাদেরও কেন বিচার হবে না? আমি আওয়ামীলীগ সরকারকে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখতে অনুরোধ জানাই। ক্যান্টনমেন্ট থেকে খালেদা জিয়ার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যাপারে তারা যে সাহস দেখিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধের ব্যাপারেও তাদের সে সাহস ও কঠোরতা দেখাতে হবে’(১৬ নভেম্বর,২০১১, দৈনিক জনকন্ঠ) । ২৩ নভেম্বরও (২০১১) একই পত্রিকায় ‘সাতচল্লিশ পাউন্ড ওজনের কেক কাটা এবং দু’শ’ তোরণ নির্মাণের রাজনীতি’ শীর্ষক বিষাক্ত লেখাটির এক জায়গায় তিনি লিখেছেন- ‘বোধ হয় জিয়াউর রহমানের আমলের লংমার্চের পরিনতি দেখেই বিএনপির এবারের দূরবিস্তৃত সরকার বিরোধী মিছিলের নাম দেয়া হয়েছে রোডমার্চ। তবে এই রোডমার্চেও মার্চ করার জন্য মানুষের চাইতে মোটর গাড়ির সংখ্যা বেশি…’। আমরা জানি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আ.গা চৌধুরীর এই ঘেউ ঘেউ’র জবাব দেবেন না। কোন দিন দেননিও। কারণ, এই আ.গা. চৌধুরী তার কলমকে  পাগলা কুকুরের মতো করে দেশের খ্যাতনামা সব ব্যক্তিদের কামড় দিতে অভ্যস্ত। তাঁর এই পাগলা কলমের আঘাত থেকে বাচঁতে পারেননি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক তত্ত্বাধায়ক সরকারের উপদেষ্টা বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ, লতিফুর রহমান ও মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রখ্যাত সাংাদিক মরহুম আতাউস সামাদ, সিরাজুর রহমান, শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, কবি ফরহাদ মজহার, কলামিস্ট বদরুদ্দীন উমর, ইনাম আহমদ চৌধুরী, মোফাজ্জল করিম, শফিক রেহমান, অধ্যাপক এমাজউদ্দন আহমেদ, মনিরুজ্জমান মিঞা, ইনকিলাব সম্পাদক মরহুম মাওলানা আবদুল মান্নান, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস, ড. অলি আহমদ, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, সালাহউদ্দীন কাদের চৌধুরী, আল্লামা দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদী, আল্লামা শফী, তারেক রহমান, শহীদ জিয়া ও কাদের ছিদ্দিকীসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, সম্পাদক, আইনজীবী ও সুশীল সমাজের কোন ভদ্র মানুষ। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী যাদের সমালোচনা ও কটুক্তি করে মূল্যবান সময় নষ্ট করে যাচ্ছেন, একবার চিন্তা করে দেখুন তো, আপনি উপরোল্লেখিত ব্যক্তিত্বদের মধ্য থেকে সম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে কোন একজনেরও সমান হতে পারবেন কিনা! আমাদের তো মনে হয় উল্লেখিত ব্যত্তিত্বদের সমান তো নয়ই সম্মান, মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বের দিক থেকে কারো কাছাকাছিও যেতে পারবেন না। জনাব চৌধুরীর কলামে বিএনপি ঘরানার  মানুষের জানাযার মুসল্লিদের নিয়েও নানা কটু মন্তব্য করতে দেখা গেছে। বিগত কয়েক বছর আগে লন্ডনে কমরুদ্দীন আহমদ কামরান নামের একজন বিএনপি নেতার জানাযার নামাজে মুর্দা ও মুসল্লীদের নিয়েও তিনি ব্যঙ্গ-বিদ্রোপ করে কলাম লিখেছেন। এমন কি লম্বা দাঁিড় রাখার জন্য তিনি একসময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম আব্দসু সমাদ আজাদেরও সমালোচনা করছিলেন বলে মনে পড়ে। কতটুকু ইসলাম বিদ্বেষী হলে  মানুষ এমন হতে পারে, তা গাফ্ফার চৌধুরীর কলাম দেখলে বুঝা যায়। তবে গাফ্ফার চৌধুরীর কলমের বিষে আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাঁর সেসব কথার জবাব দিতে তেমন আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে চোখে পড়ে না। গাফ্ফার চৌধুরীর মতো আরেকজন বিষাক্ত লেখক একটি দৈনিকে অন্য একজন দেশবরেণ্য ও দেশের খ্যাতনামা ব্যক্তির চরিত্র হনন করে একটি লেখা লিখেছিলেন। আমি আক্রান্ত ব্যাক্তিকে ঐ লেখার জবাব দিবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি তখন আমাকে বহুল পঠিত এই ছড়া কবিতাটির দু’টি চরণ শুনিয়েছিলেন- ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে কি কুকুরকে কামড় দেয়া মানুষে শুভা পায়..’? হয়তো গাফ্ফার চৌধুরীর কলমের বিষে আক্রান্ত দেশের সম্মানীত সুশীল সমাজ ও দেশবরেন্য ব্যক্তিবর্গরা ওই ছড়া কবিতার কথাই অনুসরণ করেন । রেল গাড়ি শব্দ শুনে পথের ধারে অনেক কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে দেখা যায়। কুকুরের ঘেউ ঘেউতে ট্রেন থামে না। এমন কি কুকুরের এই ঘেউ ঘেউর প্রতি ট্রেন চালকেরা কোন খেয়ালও রাখেন না। খেয়াল রাখার প্রয়োজনও মনে করেন না। আমার দেশ -এর মাহমুদুর রহমানের মত যেসব সম্পাদকরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যে ত্যাগ ও সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তা দেখে আ.গা. চৌধুরীর মতো লোকেরা ঘেউ ঘেউ করতে পারেন। তবে গাফ্ফারের এই কথা মনে রাখা উচিত যে, এই দেশের সংবাদ পত্র ও সাংবাদিকদের স¦াধীনতার ব্যাপারে মাহমুদুর রহমানের সংগ্রাম ও ত্যাগ সাংবাদিক জগতের ইতিহাসে এক মাইল ফলক হয়ে থাকবে। মাহমুদুর রহমানের মতো প্রতিবাদি সম্পাদকরা আজ দেশের লাখো-কোটি পাঠকদের হৃদয়ের গভীরে চিরকাল স্থান করে নিয়েছেন । এদেশের কোটি মানুষ মাহমুদুর রহমানের মতো মজলুম দেশপ্রেমিক সম্পাদকদের পাশে আছে এবং থাকবে -ইন্শা আল্লাহ। আমরা বিশ্বাস করি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর পরামর্শে দেশের কোটি মানুষের প্রিয় মুখ মাহমুদুর রহমান, ইসলামপ্রিয় ও দেশপ্রেমিক সম্পাদক ও সংবাদপত্রের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবেন বলে আশা করে থাকলে, সে আশার গুড়ে বালি পড়বে। এখানে বলতে চাই, দেশবরেণ্য সম্পাদক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, চাকরিজীবী, পেশাজীবী, শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, জিয়া পরিবার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল, ইসলাম ধর্ম, আলেম-ওলামা, মসজিদ-মাদ্রাসা ও দেশের সাধারণ ধর্মপ্রাণ জনগণের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বস্তপচাঁ কলাম না লিখে বরং সেই সুদূর লন্ডনে বসে আবারো লিখতে চেষ্টা করুন ‘আমার ভাইয়ের রাঙ্গানো একুশের ফেব্রেুয়ারী’ কিংবা  ‘কান্তি আমার ক্ষমা কর প্রভু’ ধরণের কালজয়ী কিছু। তখনই দেশের মানুষ আপনার মতো গাফ্ফার চৌধুরীকে মরণের পরেও স্মরণে রাখবে অন্তরের মণিকোটায় এবং অমর হয়ে থাকবেন বাংলাদেশের ইতিহাসের সোনালী পাতায়। তবে তার আগে এসব আজে-বাজে কথা সাজিয়ে, মিথ্যা-মনগড়া, কাল্পনিক, বানোয়টি, মৃত মানুষকে সাক্ষী করে দুর্গঁন্ধযুক্ত লেখালেখি বাদ দিতে হবে। পরিশেষে কাদের ছিদ্দিকীর লেখাটির শেষ কয়টি বাক্য পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- ‘চৌধুরী সাহেব যেভাবে এখন জিনিসগুলো তুলে ধরতে চাচ্ছেন, ওরকম নয়। ড. কামাল হোসেন যদি আমাদের কোন চিঠি গ্রহণ না করে থাকেন, সেটা তার ব্যাপার। ওতে আমাদের ওপর আসমান ভেঙ্গে পড়েনি। আর উত্তর না পেলে বারবার চিঠি দিতে যাবো? তবে একটা স্পষ্ট করতে চাই, আমার মতো বেকুব নিয়ে কারো ষড়যন্ত্র করা সম্ভব নয়। ষড়যন্ত্রের যে যোগ্যতা লাগে তা আমার নেই। ড. কামাল হোসেন ষড়যন্ত্র করতে পারেন কি না, তা তার ব্যাপার। একজন বয়সী মানুষ চৌধুরী সাহেব তার মতো সকালে সালাম, বিকেলে গালি দিতে কোন দিন পারিনি..’। বঙ্গবীর কাদের ছিদ্দিকীর ‘অসামান্য গাফ্ফার চৌধুরী’ শিরোনামে লেখা এই কলাম পড়ে আমার চারজন বন্ধু প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমদ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর মুহাম্মদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুহাম্মদ ফারুক ও সাংবাদিক হুমায়ূন আজাদ ছিদ্দিকী মন্তব্য করেছেন- ‘কোন খেক শেয়াল যদি কোনো বাঘের সামনে নানা অঙ্গভঙ্গি করে অহেতুক বাঘের মেজাজ গরম করে আর যদি বাঘ তার নাগালে ওই শেয়ালকে পায়, তাহলে গালে এমন থাপ্পড় বসিয়ে দেবে, যা খেয়ে ওই শেয়াল জনমের মত ঠান্ডা হয়ে যাবে। আ.গা চৌধুরীও হয়তো জানেন না তিনি এদেশের বাঘ খ্যাত বাঘা ছিদ্দিকীকে নিয়েই মিথ্যাচার করে অহেতুক বাঘের মেজাজ গরম করেছেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর নয়াদিগন্ত পত্রিকায় আ.গা চৌধুরীর মিথ্যাচারের যে প্রতিক্রিয়া বাঘা ছিদ্দিকী লিখে জানিয়েছেন, তাতে জনাব চৌধুরীর অবস্থাও এখন ওই থাপ্পড় খাওয়া শেয়ালের মত হবে বলে ঠেকাচ্ছে আমাদের কাছে। পত্রিকায় কলামের মাধ্যমে বজ্রের এই আওয়াজেও যদি সত্য-মিথ্যা পরখ করার বোধ, চৌধুরী সাহেবের এখনও ঊদয় না হয়, তা হলে অদূর ভবিষ্যতে আর হবে বলে আশা করা যায় না।        ডা.সৈয়দ আবদুর রহমান        প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও মানবাধিকার কর্মী         ঈদগাঁও, কক্সবাজার।               .                                                                                          .

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT