টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

পোষাকের অতিরিক্ত মূল্যে ক্রেতাদের হিমশিম

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৩
  • ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

kader-29-7-300x225ঈদের বাজার জমে উঠলেও শহরের বিভিন্ন বিপনী বিতানে পোষাকের বাড়তি দাম হাকছে বিক্রেতারা। ঈদের মার্কেটে ভিড় দেখা গেলেও অতিরিক্ত দামের ফলে হিমশিম খাচ্ছে ক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ অন্য বছরের তুলনায় এবারে কাপড়ের দাম বেশি রাখছে বিক্রেতারা। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন পাইকারী বাজারে গত বছরের তুলনায় প্রায় প্রত্যেকটি কাপড়ে ১শ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। যার ফলে তারাও বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে বাড়তি দাম রাখছে। এছাড়া ঘন ঘন হরতালের কারনেও প্রভাব পড়েছে দামের ক্ষেত্রে। শহরের সী কুইন মাকের্ট, ফজল মার্কেট, আপন টাওয়ার, রেজা প্লাজা, ফিরোজা শপিং কমপ্লেক্স, সুপার মার্কেট সহ বিভিন্ন মাকের্টের বিপনী বিতানগুলোতে দেখা যায়, কাপড় ও জুতা-স্যান্ডেলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জুতা-স্যান্ডেল, প্রশাধনী ও কাপড়ের দোকানের বেশিরভাগ কাপড় গত বছরের তুলনায় দাম বেশি রাখা হচ্ছে। যার ফলে ক্রেতাগণ কম দামে ক্রয়ের আসায় এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছে। ছেলেদের কাপড়ের বিপনী বিতান জেন্টেলম্যান, ক্যাটস আই, বাঙ্গালি বাবু, শৈল্পিক, ক্রাফট ক্যাসেল, ওয়েল ক্রাফট, স্টাইল পয়েন্ট, নক্ষত্র, মুন ওয়াকার, ব্লেক আই, কক্স গ্যালারী, লাবিবা ফ্যাশনসহ বেশ কয়েকটিতে দেখা যায়,  যে সব ক্যাজুয়াল শার্ট গত বছর ৯শ থেকে আড়াই হাজার টাকা ছিল তা বর্তমানে ১ হাজার থেকে ২৮শ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। ডিজাইন শার্ট গতবছর ৬শ থেকে ২হাজার এইবছর ৮শ থেকে আড়াই হাজার, ফরমাল শার্ট গত বছর ৬শ থেকে ২ হাজার, এই বছর ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার, টি শার্ট গত বছর ৭শ থেকে ১ হাজার এই বছর ৮শ পঞ্চাশ থেকে আড়াই হাজার, ফতুয়া গতবছর ৪শ থেকে ১ হাজার এই বছর ৫শ থেকে ২ হাজার, পাঞ্জাবী গত বছর ৬শ থেকে সাড়ে ৩ হাজার এই বছর ১ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  একই ভাবে জিন্স পেন্টের ক্ষেত্রেও থাই জিন্স, চাইনিজ জিন্স, ভারতীয় জিন্স, গাভাডিং নেরোসহ প্রায় সব ধরনের জিন্সেই গত বছরের তুলনায় ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। মেয়েদের কাপড়ের বিপনী বিতান নিলাচল, পরীস্থান, নিশান ক্লথ ষ্টোর, মনে রেখ, রাঙ্গাবউ, অঙ্গনা বুটিক্স হাউস, সৌখিন, পিএমখাল বস্ত্র বিতান, জেক্সপ্রিন্ট জয়া বস্ত্রালয় সহ আরো কয়েকটিতে ঘুরে দেখা যায়, মেয়েদের পোষাকের ক্ষেত্রে পাথরের কারুকাজ খচিত সাড়ি ও লেহেঙ্গা ষ্টাইলের শাড়ি ছাড়াও ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। এসব বিপনী বিতানে ভারতীয় সিরিয়াল নায়িকার নামের বিভিন্ন শাড়ি ও থ্রিপিচ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই শাড়ী ও থ্রিপিচ গতবছর তুলনামূলক প্রত্যেকটিতে ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা দাম বাড়িয়ে রাখা হচ্ছে। বাচ্চাদের কাপড়ের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। শহরের টেকপাড়র সালাউদ্দিন সাইফুল নামে এক যুবক জানান, তিনি গতবছর ব্রান্ডের পাঞ্জাবী, স্যান্ডেল ও জিন্স ক্রয় করতে টাকা খরচ হয়েছে ৩ হাজার টাকা। এই বছর শুধু জিন্স প্যান্ট আর পাঞ্জাবীতেই চলে গেছে ৩ হাজার ২শ টাকা। শহরের বাহারছড়ার রুম্পা নামে এক তরুনী একটি বিপনী বিতানে থ্রিপিচ হাত নিয়ে জনান, ওই মডেলের কাপড়টি তিনি গত বছর ক্রয় করেছেন ২২শ টাকা দিয়ে। এই বছর তার ছোট বোনের জন্য ক্রয় করতে হচ্ছে ২৭শ টাকায়। শহরের সুপার মার্কেটের কাপড় বিক্রেতা শফিক জানান, শপিং করতে লোকজন আসছে বেশি। দাম বাড়তি থাকায় ক্রেতাদের ভোগান্তি বেড়েছে। তবুও চলছে ঈদের জমজমাট বাজার। ফিরোজা শপিং কপ্লেক্সের মিনা বাজারের বিপনী বিতানের মালিক রায়হান জানান, ঈদ বাজারে প্রত্যেকটি কাপড়ের দাম যে বৃদ্ধি পেয়েছে তা ঠিক নয়। তবে কিছু কাপড় আমাদেরকে বাড়তি দামে কিনতে হয়েছে। এছাড়া প্রতি বছরের মত এই বছরেও নতুন ডিজাইনে কাপড় এসেছে মার্কেটে। আর এই কাপড়গুলোর দাম একটু বাড়তি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT